প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শিল্পকলায় নুজহাত পূর্ণতার একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী

বিনোদন ডেস্ক : ফ্রেমবন্দি ছবিগুলোর আলাদা কোনো শিরোনাম নেই। তবে শিরোনামহীন ছবিগুলোর ভেতরেই যেন লুকিয়ে আছে একেকটি আনন্দ-বেদনার গল্প। যে গল্প তুলে আনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, পর্তুগাল, ফ্রান্স, মেক্সিকো, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে। যেখানে রয়েছে বাঁশ ধরে নির্বাক শিশুর তাকিয়ে থাকা, কুকুর কোলে নিয়ে তরুণীর হাসি, বন্ধুদের আড্ডা, বসন্তের পড়ন্ত বিকেলের ঝরাপাতা, গাছের তলায় বসে বই পড়ার অনুপম দৃশ্য।

ছবিগুলো যার ক্যামেরায় পূর্ণতা পেয়েছে তিনি হলেন তরুণ আলোকচিত্রী নুজহাত পূর্ণতা। আর এমন ভিন্ন ধারার অর্ধশতাধিক আলোকচিত্র নিয়ে তিনি সাজিয়েছেন নিজের প্রথম আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘ইন বিটুইন বর্ডারস এন্ড আদার পলিটিক্যাল কন্ট্রাকস’।

গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ছয় নম্বর গ্যালারিতে শুরু হয়েছে এ আলোকচিত্র প্রদর্শনীটি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন কালের কণ্ঠ সম্পাদক কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন ও বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক। আরো উপস্থিত ছিলেন আলোকচিত্রী নুজহাত পূর্ণতার বাবা বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক এবং নিউজটোয়েন্টিফোর ও রেডিও ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী নঈম নিজাম এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন।

প্রদর্শনীর উদ্বোধক তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমি আলোকচিত্রী নুজহাত পূর্ণতার আলোকচিত্র প্রদর্শনী দেখে অভিভূত ও আনন্দিত। প্রদর্শনীর আলোকচিত্রগুলো আমার হৃদয় স্পর্শ করেছে। নুজহাত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরেছে। ওর যা ভালো লেগেছে, তার ছবি তুলেছে। আমি ওর জন্য দোয়া করি। যেন ও আরো বড় হয়।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, নুজহাত পূর্ণতা অনেক গুণের অধিকারী। ওকে আমি দীর্ঘদিন ধরে চিনি। সে নানা কাজের ফাঁকে ফাঁকে এত বড় একটা কাজ করেছে। যাতে ওর শিল্পপ্রেমী দৃষ্টিভঙ্গি আরো ভালো লেগেছে। ভবিষ্যতে সে আরো অনেক কাজ করবে। যাতে দেশের মুখ উজ্জ্বল হবে। তার গুণগুলোকে কাজে লাগানো যায়।

রুবানা হক বলেন, পূর্ণতাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। এ প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে ও পূর্ণ হয়েছে। ছোট-বড় অনেক ছবি রয়েছে। বড় ছবিগুলো আমার খুবই ভালো লেগেছে। ছবিগুলো অনবদ্য।

আলোকচিত্রগুলো নুজহাত পূর্ণতা দুই ভাগে করেছেন। ‘নেমলেস ফেসেস এট বালুখালী ক্যাম্প’ শিরোনামের বিভাগটি সাজানো হয়েছে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রিত মানুষের ছবি দিয়ে। ‘ফ্রম অ্যারাউন্ড দ্যা ওয়ার্ল্ড’ বিভাগে যুক্তরাষ্ট্র, পর্তুগাল, ফ্রান্স, মেক্সিকো ও বাহামা দ্বীপপুঞ্জের মানুষের যাপিত জীবন।

প্রদর্শনীর বিষয়ে আলোকচিত্রী নুজহাত পূর্ণতা ভোরের কাগজকে বলেন, আমি ছোট গল্প লিখি। ছবির মধ্য দিয়ে আমার গল্পগুলো আরো ছড়িয়ে দিতে চাই। প্রদর্শিত প্রতিটি ছবিতে একেকটি গল্প লুকিয়ে রয়েছে। আজ শেষ হচ্ছে প্রদর্শনীটি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত