শিরোনাম
◈ চীনের ১১ প্রতিষ্ঠানের ৯.২১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেল বাংলাদেশ ◈ সিগারেট খেতে নিষেধ করায় ছাত্রদল নেতাসহ ছয়জনকে গুলি (ভিডিও) ◈ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে মাদকের বড় চালান আসে: সংসদে গয়েশ্বর ◈ জামালপুরের সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ গুলশান থেকে গ্রেপ্তার ◈ আমি প্রথম বলির পাঁঠা, কিন্তু শেষ নই, এরপর একে একে সবাই টার্গেট হবেন: মাহফুজ আলম ◈ বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহ্‌দী আমিন ◈ ৬৮ বছরে ১৮ বিশ্বকাপ কাভার করা সাংবাদিককে ‘বিশেষ সম্মান’ আ‌র্জেন্টাইন কোচ স্কালোনির ◈ ১০ হাজার টাকা থাকলেই বিনিয়োগ করা যাবে সরকারি সুকুকে, আবেদন রোববার ◈ তারেক রহমানের চীন সফর: দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম ◈ চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের ড্রোন হামলা

প্রকাশিত : ০১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ১৪ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ অপসারণ, অন্য জায়গায় আবার অনিয়ম শুরু 

চরভদ্রাসন ও সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীর চর গোপালপুর মৌজায় মুজিব কেল্লার বিপরীত পাশে অবৈধভাবে নির্মিত আড়াআড়ি বাঁধ অপসারণে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুটি প্রভাবশালী মহলসহ কয়েকটি জেলে গোষ্ঠী মিলে নদীর প্রায় দুই কিলোমিটারজুড়ে সাত থেকে আটটি স্থানে এসব বাঁধ নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে নদীর প্রাকৃতিক মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি লক্ষ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জায়েদ হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব, চরভদ্রাসন থানার এসআই রতন কুমার মণ্ডল, মোবাইল কোর্ট পেশকার রাসেল মুন্সিসহ পুলিশ ও প্রশাসনের অন্যান্য সদস্যরা।

অভিযানকালে প্রশাসন আড়াআড়ি বাঁধ ছাড়াও নদীতে স্থাপিত একটি বড় মাছের ঘের ও ১০টি চায়না দোয়ারী ধ্বংস করে। পরে জব্দ করা জালগুলো নদীর তীরে এনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জায়েদ হোসাইন বলেন, মৎস্য প্রজাতি রক্ষায় পদ্মা নদীতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেসব স্থানে অবৈধ বাঁধ ও মাছের ঘের রয়েছে, সেগুলোও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।

অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে বলেন, এই ধরনের অভিযান যদি নিয়মিত হতো, দেশি মাছ আরও বেশি ধরা যেত। এক জায়গায় অভিযান হলেও, অন্য জায়গায় আবার অনিয়ম শুরু হয়। ২২ দিনের ইলিশ নিষেধাজ্ঞার সময়েও এসব কার্যক্রম মৎস্য কর্মকর্তাদের চোখ এড়িয়ে যায়। কালো টাকার বিনিময়ে প্রায় এক মাস ধরে এই অবৈধ কাজ চলছে। সব আইন যেন শুধু গরিবের জন্যই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়