শিরোনাম
◈ তদবির করলে সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ◈ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনি উদ্যোগ অব্যাহত, প্রতিবেদন চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সাক্ষাৎ ◈ বিচার বিভাগে বড় রদবদল, একযোগে বদলি ৯৯ বিচারক ◈ নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান ◈ গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও কাটছে না সংকট ◈ বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস এভিয়েশন ◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে অন্ধকারে বাংলাদেশ : রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে ফের উত্তেজনা, মুখোমুখি জুবায়ের ও সাদপন্থিরা

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:০৩ সকাল
আপডেট : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:০৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পানি দিয়ে নয় বরং বনে আগুন ধরিয়েই অদ্ভুত উপায়ে দাবানল মোকাবেলার কৌশল জানে অস্ট্রেলীয় আদিবাসীরা

মশিউর অর্ণব : হাজার বছর ধরেই অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা তাদের জমিতে আগুন ধরিয়ে এসেছে। ইউরোপীয়রা এখানে তাদের উপনিবেশ স্থাপনের আগে থেকেই ‘সাংস্কৃতিক দহন’ নামে পরিচিত অগ্নি নির্বাপণের এই কৌশল স্থানীয়ভাবে অনুশীলন করা হতো। বিবিসি

‘কুল বার্নিং’ বা ‘হাঁটু পর্যন্ত উচ্চতার আগুন’ জ্বালানোর প্রক্রিয়াটি এমনভাবে ডিজাইন করা হতো, যাতে সেই আগুন কেবলমাত্র ছোট ডাল ও শুকনো পাতার মতো দাহ্য উপাদানগুলোকে পুড়িয়ে দেয়। এতে প্রাকৃতিক দাবানলের আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায়। গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল সংকট শুরু হওয়ার পর, এই কৌশলটি পুনরায় চালু করার আহ্বান উঠলেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই সাংস্কৃতিক দহন করতে নিষেধ করেছিলো।

আদিবাসী বিশেষজ্ঞ শ্যানন ফস্টার বলেন, এই দহন বাস্তুসংস্থানে একটি বৈচিত্র তৈরি করে এবং এক ধরনের অনুকূল জলবায়ুর সৃষ্টি হয়। ‘সফট বার্নিং’ বা এই ক্ষীণ দহন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও বাড়ায়। এটি পরিবেশকে একটি বিশেষ বায়ুমণ্ডলীয় স্তরে উষ্ণ করে তোলে। এর ফলে ঐ স্তরে গরম এবং শীতল বাতাসের সংঘর্ষে ঘনীভবন হয় এবং বৃষ্টিপাত ঘটে, যা দাবানলের আগুন নির্বাপণে সহায়তা করে।

  • সর্বশেষ