শিরোনাম
◈ জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: যুদ্ধ নয়, সংঘাত সমাধানে চাই আলোচনা ও কূটনীতি ◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বৈঠক, গুরুত্ব পেল রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যু ◈ প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করছে বাংলাদেশ: ডা. জুবাইদা ◈ বন্ধের পথে ৪ এনবিএফআই, আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ফেরতের সিদ্ধান্ত ◈ টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বোয়িং চুক্তি, মার্কিন অর্থনীতিতে বড় সাফল্য বললেন ট্রাম্প ◈ জাতিসংঘে তারেক–শাহবাজ বৈঠক: সম্পর্ক জোরদারে জোর ◈ দেশে আরও ৪ ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন, বাড়ছে অ্যাপনির্ভর ব্যাংকিং সেবা ◈ কারা এই হুতি বিদ্রোহীরা, কী তাদের লক্ষ্য? ◈ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় বৈশ্বিক নিঃসরণ কমানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:০৩ সকাল
আপডেট : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:০৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পানি দিয়ে নয় বরং বনে আগুন ধরিয়েই অদ্ভুত উপায়ে দাবানল মোকাবেলার কৌশল জানে অস্ট্রেলীয় আদিবাসীরা

মশিউর অর্ণব : হাজার বছর ধরেই অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা তাদের জমিতে আগুন ধরিয়ে এসেছে। ইউরোপীয়রা এখানে তাদের উপনিবেশ স্থাপনের আগে থেকেই ‘সাংস্কৃতিক দহন’ নামে পরিচিত অগ্নি নির্বাপণের এই কৌশল স্থানীয়ভাবে অনুশীলন করা হতো। বিবিসি

‘কুল বার্নিং’ বা ‘হাঁটু পর্যন্ত উচ্চতার আগুন’ জ্বালানোর প্রক্রিয়াটি এমনভাবে ডিজাইন করা হতো, যাতে সেই আগুন কেবলমাত্র ছোট ডাল ও শুকনো পাতার মতো দাহ্য উপাদানগুলোকে পুড়িয়ে দেয়। এতে প্রাকৃতিক দাবানলের আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায়। গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল সংকট শুরু হওয়ার পর, এই কৌশলটি পুনরায় চালু করার আহ্বান উঠলেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই সাংস্কৃতিক দহন করতে নিষেধ করেছিলো।

আদিবাসী বিশেষজ্ঞ শ্যানন ফস্টার বলেন, এই দহন বাস্তুসংস্থানে একটি বৈচিত্র তৈরি করে এবং এক ধরনের অনুকূল জলবায়ুর সৃষ্টি হয়। ‘সফট বার্নিং’ বা এই ক্ষীণ দহন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও বাড়ায়। এটি পরিবেশকে একটি বিশেষ বায়ুমণ্ডলীয় স্তরে উষ্ণ করে তোলে। এর ফলে ঐ স্তরে গরম এবং শীতল বাতাসের সংঘর্ষে ঘনীভবন হয় এবং বৃষ্টিপাত ঘটে, যা দাবানলের আগুন নির্বাপণে সহায়তা করে।

  • সর্বশেষ