প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইনফোসিসের পরবর্তী প্রধান হিসেবে বাংলাদেশীকে দেখতে চান সত্য নাদেলা

রাশিদ রিয়াজ : নয়া নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় ভারত জুড়ে বিক্ষোভ অব্যহত থাকার পাশাপাশি এই আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অন্তত ৬০টি আবেদন দাখিল হয়েছে। অধিকাংশ মামলার নির্যাস হল, এই আইন ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্বে অনুমোদন দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে মুখ খুললেন মাইক্রোসফ্টের সিইও সত্য নাদেলা। এই মুহূর্তে ভারতে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে ‘দুঃখজনক’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

মার্কিন অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাজফিডের প্রধান সম্পাদক বেন স্মিথকে সোমবার এক সাক্ষাৎকার দেন নাদেলা। সেখানে সিএএ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, যা হচ্ছে সেটা দুঃখজনক। খুবই খারাপ। আমি চাইব ভবিষ্যতে কোনও বাংলাদেশি শরণার্থী ভারতে এসে কোনও বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন অথবা ইনফোসিসের পরবর্তী সিইও হবেন।’ বেন স্মিথ স্বংয় ট্যুইট করে একথা জানিয়েছেন।

নয়া নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় দেশজুড়ে বিক্ষোভ অব্যহত। এই আইন অনুযায়ী ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষেরা আর বেআইনি শরণার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন না, তাঁরা হবেন ভারতীয় নাগরিক। দেশে ধর্মীয় বিভেদ তৈরির জন্য এই আইন তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অন্তত ৬০টি আবেদন দাখিল হয়েছে। অধিকাংশ মামলার নির্যাস হল, এই আইন ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্বে অনুমোদন দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করছে। এই আইনের বিরুদ্ধে দেশের বিরোধী দলগুলিও একজোট। তাদের মতে, সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারায় যেখানে আইনের চোখে সবার সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে, সেই ধারাকে লঙ্ঘন করছে এই আইন। রাজনীতির গণ্ডী ছাড়িয়েও ‘বিভেদের আইনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে’ দলে দলে যোগ দিচ্ছেন ছাত্র, যুব, মহিলা-সহ সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষ।

নয়া নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে রামচন্দ্র গুহ, ইরফান হাবিবের মতো ব্যক্তিত্বকে। গত মাসে সিএএ-র বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর পথে প্রতিবাদ জানানোর সময় রামচন্দ্র গুহকে আটক করেছিল পুলিশ। সিসিএর বিরুদ্ধে মুখ খোলার জন্য দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্তাদের কাছে আবেদন করেছিলেন রামচন্দ্র গুহ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত