শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:২১ দুপুর
আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:২১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে আগুনের পুড়লো কালশী বাউনিয়া বস্তি, খোলা আকাশের নিচে ৫ শতাধিক মানুষ

মাসুদ আলম : বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৪৯মিনিটে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাসেল সিকদার বলেন, আগুনের ২০টি বসতঘর ও ৪০টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তবে বস্তিবাসীরা জানান, কালশী বাউনিয়া বাঁধ সংলগ্ন বস্তিতে ৮০টির মতো দোকানসহ তিন শতাধিক ঘর রয়েছে। নিচে খাল, খালের ওপর অধিকাংশই কাঠ ও টিনের ঘর বানানো। ছোট ছোট প্রতিটি ঘরে বসবাস ছিলো দু’জনের বেশি বাসিন্দা। বাসিন্দাদের অধিকাংশই রিকশা ও ভ্যানচালক। আবার কেউ ভাঙারির ব্যবসা, ফেরি করে প্লাস্টিক সামগ্রী ও পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করেন। আগুনে দোকানসহ ঘর পুড়েছে প্রায় দুই শতাধিক। আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। পুড়েছে বেশ কয়েকটি গবাদি পশু। ভাঙারির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এছাড়া, ফায়ার সার্ভিস প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে আসে। আবার আধাঘণ্টা পরই পানি শেষ হয়ে গেলে আগুন বেড়ে যায়। এটি পরিকল্পীত অগ্নিকাণ্ড বলে ধারনা করছেন বস্তিবাসী। বিদ্যুৎ সংযোগও ছিলো অবৈধ।

রফিকুল ইসলামসহ বস্তির একাধিক বাসিন্দা বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় বস্তির অধিকাংশ মানুষ ঘুমন্ত ছিলো। হঠাৎ করে একজন আগুন আগুন বলে চিৎকার করছিলো। ঘুম থেকে উঠে দেখি আগুন আর ধোঁয়া। আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় আসবাবপত্র ও জামাকাপড় নিয়ে কেউ বের হতে পারেনি। চোখের সামনে সবকিছু পুড়ে ছাঁই হয়ে গেলো। মানুষ গুলো এখন খোলা আকাশের নিচে। কেউবা আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় স্কুলে। অনেকের গরম কাপড় নেই। এই শীতে শিশুদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। অনেকের ভাগ্যে সকালের খাবার জোটেনি।

  • সর্বশেষ