শিরোনাম
◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগিয়ে নিতে দ্রুতই আলোচনা: দীনেশ ত্রিবেদী ◈ আসিয়ান কাপ থেকে আগেই বাংলা‌দে‌শের বিদায়, এবার ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে সান্ত্বনার লড়াই  ◈ অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠাতে পারবে ট্রাম্প প্রশাসন, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ◈ গঙ্গা পানি চুক্তি কারিগরি আলোচনা চলছে: ভারত ◈ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিনটি গাড়িতে আগুন (ভিডিও) ◈ অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো: পেট্রোবাংলা ◈ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না: চিফ হুইপ ◈ কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও জনসেবায় ড্রোনে এগোচ্ছে ভারত, উচ্চ দাম ও জটিলতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ! ◈ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪০১ জন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-মাদক উদ্ধার ◈ কী লাগবে টিসিবির কার্ড পেতে, কারা পাবেন

প্রকাশিত : ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:০৬ দুপুর
আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:০৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যশোর সদরের হাশিমপুর বাজারে হোসেন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর মাগুরা মহাসড়কের হাসিমপুর বাজারে আনসার সদস্য হোসেন আলী তরফদার (৫৭) হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে ডিবি পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হচ্ছে সদর উপজেলার কায়েদখালি গ্রামের সাইফুলের ছেলে আনোয়ার, হোসেনের ছেলে রাসেল, নুর ইসলামের ছেলে বার্মিজ, ও মোকনের ছেলে বিজয়।

এলাকাবাসি ও আটককৃতদের পারিবারিক ও পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিবি পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা কাফরুল এলাকা থেকে আনোয়ার, বার্মিজ, বিজয়, ও রাসেলকে আটক করে। আটক এই চারজন কায়েদখালি গ্রামের বৈদ্যনাথের ছেলে কাঠ মিস্ত্রি গৌতমের ঢাকা কাফরুলের ভাড়া বাড়িতে পালিয়ে ছিলো। আটকের বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এস আই মফিজের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমরা অভিযানে আছি। আটক করলে আপনাদের জানানো হবে। তবে আটককের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

৩০ নভেম্বর সকালে সদর উপজেলার হাশিমপুর বাজারে শত শত লোকের সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় বিশেষ আনসার সদস্য হোসেন আলী তরফদারকে। হত্যাকান্ডের ঘটনায় হোসেনের ছেলে হুমায়ন কবীর বাদি হয়ে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি অজ্ঞাত দেখানো হয়। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় কোতয়ালি থানার দারোগা এস আই শাহজুল ইসলামকে। কিন্তু হত্যাকান্ডের পর ১১ দিন অতিবাহিত মামলার কোন অগ্রগতি না হওয়ায় পুলিশ সুপার মইনুল হকের নির্দেশে ১২ ডিসেম্বর মামলাটি ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে এলাকায় প্রচার রয়েছে হত্যাকান্ডের একদিন আগে ২৯ নভেম্বর হত্যাকারিরা হোসেনকে হুমকি দিয়েছিলো। হত্যাকান্ডের দুদিন আগে ২৮ নভেম্বর হোসেন ঢাকা থেকে ছুটিতে বাড়ি আসেন। চাকুরিতে যোগদানের আগে নিহত হোসেন চরমপন্থী সংগঠন বিপ্লবি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন। ১৯৯৯ সালে সরকারের সাধারণ ক্ষমার আওতায় যশোর টাউন হল মাঠে অস্ত্র জমা দিয়ে হোসেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। সরকারের পক্ষ থেকে তাকে বিশেষ আনসার সদস্য হিসেবে চাকুরি দেয়া হয়। নকশাল থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষের অনেকেই হোসেনের হাতে প্রাণ হারায় বলে হাশিমপুর এলাকায় প্রচার রয়েছে। ২০১৯ সালে সন্ত্রাসী জুয়েলের ভাই বাবলা, ২০১৭ সালে হাশিমপুর এলাকার সন্ত্রাসী মুন্নার পিতা বুলি পুলিশের ক্রসফায়ারে নিহত হয়। ২০১৭ সালে জয়নাল ও লিটু সদরের আড়পাড়ায় মোশারেফ গংয়ের হাতে জোড়া খুন হয়। ১৯৯৪ সালে হাসিমপুরের মঈনুল খুন হয়। একই সালে কায়েদখালির একটি বাওড় নিয়ে হাশিমপুরের আমির ওরফে আমরে বেড়ের ছেলে সাইফুলের সাথে হোসেনের গোলাগুলি হয়। হোসেন প্রকাশ্যে সাইফুলকে ধরে পিঠে বেøড দিয়ে চিরে জখম করে। নিহত ও আহতদের পরিবারের ধারনা এসব হত্যাকান্ডের পিছনে হোসেনের হাত রয়েছে। হোসেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলেও প্রতিপক্ষরা প্রতিশোধের সুযোগ খুজতে থাকে। এলাকাবাসির ধারণা আর এসব কারণেই হোসেন খুন হতে পারে। সম্পাদনা : মৌরী সিদ্দিকা

  • সর্বশেষ