শিরোনাম
◈ জরিপ: আওয়ামী লীগের ৪৮ শতাংশ ভোটার এবার বিএনপির পক্ষে, ৯০ শতাংশের ভোট দেওয়ার আগ্রহ ◈ কেন দেশে ফিরছেন না আ.লীগ নেতারা জানালেন সাদ্দাম ◈ বিদ্রোহীতে ক্লান্ত ধানের শীষ প্রার্থীরা, আলোচনায় বসতে পারেন তারেক ◈ ‌ক্রিকেটার জাহানারার আনা যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে স্বাধীন তদন্ত কমিটি ◈ মিরসরাই বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে কোরিয়া–চীনের ১,২০০ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সাড়ে ১২ হাজার ◈ মাত্র ২১ দিনের মধ্যে প্রচারণা আমার রাজনৈতিক জীবনে প্রথম অভিজ্ঞতা: মির্জা আব্বাস ◈ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতি: রফতানি বাজার হারানোর ঝুঁকিতে বাংলাদেশের পোশাক খাত ◈ জামায়াতের ৪১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা ◈ হাসিনাপুত্র জয়ের ভার্চুয়াল বক্তব্যে কলকাতার রাজনীতিতে উত্তেজনা ◈ ফরিদপুরকে বিভাগ করার দাবি পূরণ করা হবে: তারেক রহমান (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:০৬ দুপুর
আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:০৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যশোর সদরের হাশিমপুর বাজারে হোসেন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর মাগুরা মহাসড়কের হাসিমপুর বাজারে আনসার সদস্য হোসেন আলী তরফদার (৫৭) হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে ডিবি পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হচ্ছে সদর উপজেলার কায়েদখালি গ্রামের সাইফুলের ছেলে আনোয়ার, হোসেনের ছেলে রাসেল, নুর ইসলামের ছেলে বার্মিজ, ও মোকনের ছেলে বিজয়।

এলাকাবাসি ও আটককৃতদের পারিবারিক ও পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিবি পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা কাফরুল এলাকা থেকে আনোয়ার, বার্মিজ, বিজয়, ও রাসেলকে আটক করে। আটক এই চারজন কায়েদখালি গ্রামের বৈদ্যনাথের ছেলে কাঠ মিস্ত্রি গৌতমের ঢাকা কাফরুলের ভাড়া বাড়িতে পালিয়ে ছিলো। আটকের বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এস আই মফিজের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমরা অভিযানে আছি। আটক করলে আপনাদের জানানো হবে। তবে আটককের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

৩০ নভেম্বর সকালে সদর উপজেলার হাশিমপুর বাজারে শত শত লোকের সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় বিশেষ আনসার সদস্য হোসেন আলী তরফদারকে। হত্যাকান্ডের ঘটনায় হোসেনের ছেলে হুমায়ন কবীর বাদি হয়ে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি অজ্ঞাত দেখানো হয়। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় কোতয়ালি থানার দারোগা এস আই শাহজুল ইসলামকে। কিন্তু হত্যাকান্ডের পর ১১ দিন অতিবাহিত মামলার কোন অগ্রগতি না হওয়ায় পুলিশ সুপার মইনুল হকের নির্দেশে ১২ ডিসেম্বর মামলাটি ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে এলাকায় প্রচার রয়েছে হত্যাকান্ডের একদিন আগে ২৯ নভেম্বর হত্যাকারিরা হোসেনকে হুমকি দিয়েছিলো। হত্যাকান্ডের দুদিন আগে ২৮ নভেম্বর হোসেন ঢাকা থেকে ছুটিতে বাড়ি আসেন। চাকুরিতে যোগদানের আগে নিহত হোসেন চরমপন্থী সংগঠন বিপ্লবি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন। ১৯৯৯ সালে সরকারের সাধারণ ক্ষমার আওতায় যশোর টাউন হল মাঠে অস্ত্র জমা দিয়ে হোসেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। সরকারের পক্ষ থেকে তাকে বিশেষ আনসার সদস্য হিসেবে চাকুরি দেয়া হয়। নকশাল থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষের অনেকেই হোসেনের হাতে প্রাণ হারায় বলে হাশিমপুর এলাকায় প্রচার রয়েছে। ২০১৯ সালে সন্ত্রাসী জুয়েলের ভাই বাবলা, ২০১৭ সালে হাশিমপুর এলাকার সন্ত্রাসী মুন্নার পিতা বুলি পুলিশের ক্রসফায়ারে নিহত হয়। ২০১৭ সালে জয়নাল ও লিটু সদরের আড়পাড়ায় মোশারেফ গংয়ের হাতে জোড়া খুন হয়। ১৯৯৪ সালে হাসিমপুরের মঈনুল খুন হয়। একই সালে কায়েদখালির একটি বাওড় নিয়ে হাশিমপুরের আমির ওরফে আমরে বেড়ের ছেলে সাইফুলের সাথে হোসেনের গোলাগুলি হয়। হোসেন প্রকাশ্যে সাইফুলকে ধরে পিঠে বেøড দিয়ে চিরে জখম করে। নিহত ও আহতদের পরিবারের ধারনা এসব হত্যাকান্ডের পিছনে হোসেনের হাত রয়েছে। হোসেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলেও প্রতিপক্ষরা প্রতিশোধের সুযোগ খুজতে থাকে। এলাকাবাসির ধারণা আর এসব কারণেই হোসেন খুন হতে পারে। সম্পাদনা : মৌরী সিদ্দিকা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়