শিরোনাম
◈ রাজধানীতে মিরপুরে আতশবাজির ফুলকি থেকে ভবনে আগুন ◈ শোকের মাঝেও উৎসব: রাজধানীতে আতশবাজি–ফানুসে নববর্ষ বরণ ◈ যখন শেখ হাসিনার মুক্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ◈ শুরু হলো ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৬ ◈ নববর্ষের অঙ্গীকার হবে—অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন: তারেক রহমান ◈ খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে মোদির শোকবার্তা, যা লেখা আছে এতে ◈ বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারসহ ১৭ কমিশনার বদলি ◈ বেগম খালেদা জিয়ার কফিন বহন করলেন তিন আলেম: আজহারী, আহমাদুল্লা ও মামুনুল হক ◈ বেগম খালেদা জিয়া: ক্ষমতা ও প্রতিরোধের জীবন ◈ রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকার: ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা জানালেন জামায়াত আমীর

প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:৪০ দুপুর
আপডেট : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিএনপির আমলে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে, অমিত শাহর বক্তব্যের প্রতিবাদে মির্জা ফখরুল

শাহানুজ্জামান টিটু : বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে বাংলাদেশে ব্যাপক সংখ্যালঘু নির্যাতন হয়েছে, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমরা জোর গলায় বলতে পারি, বিএনপির আমলে এখানে সংখ্যালঘুদের স্বার্থরক্ষা করা হয়েছে। সংখ্যালঘুদের ওপর আওয়ামী লীগের আমলে যতটা নির্যাতন হয়েছে, তা আর কখনও হয়নি। ভারতের সংসদে দেয়া শাহ’র বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব বলেন, ভারতবর্ষে নতুন যে নাগরিকত্ব আইন করা হয়েছে, সেই নাগরিকত্ব আইন পাস করার সময় পার্লামেন্টে তারা বলেছেন যে, বাংলাদেশ থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা যাচ্ছে ভারতবর্ষে এবং তাদের অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। মুসলিম যারা আছে, তাদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের সংসদে খুব পরিষ্কার করে বলা হয়েছে বাংলাদেশ থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করেছে। এটি নাকি বিএনপির আমলে হয়েছে। নতুন নাগরিকত্ব বিলে বলা হয়েছে, অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে। কিন্তু মুসলিমদের দেয়া হবে না। আমরা এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি রাজধানীতে র‌্যালি করার প্রস্তুতি নেয়। কিন্তু তাতে বাধা দেয় পুলিশ। নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কঠোর অবস্থান নেয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। পুরো নয়াপল্টন এলাকা পুলিশ, জল কামান, প্রিজন ভ্যান দিয়ে ঘিরে রাখে। পুলিশ বলছে, অনুমতি নেই তাই র‌্যালি করতে পারবে না। এ বিষয়ে মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এনামুল হক বলেন, আজ ঢাকা শহরে অনেক যানজট। সরকারি অফিস আদালত খোলা। এরমধ্যে র‌্যালি করলে যান চলাচলে সমস্যা হবে। জনদুর্ভোগ হবে। যেহেতু বিএনপির র‌্যালি করার অনুমতি নেই তাই করতে দেয়া হবে না। তারপরও যদি করতে চায় তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, মানবাধিকার দিবসের মত দিনে পুলিশ র‌্যালির মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিও করতে দিচ্ছে না। দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকারের চিত্র এটিই। দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, র‌্যালিতে বাধা দিয়ে সরকার দালিলিক ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করলো এবং আবারো প্রমাণ করলো তারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন রাষ্ট্র নয়, পুলিশি রাষ্ট্র।

সম্পাদনা : ভিক্টর কে. রোজারিও

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়