শিরোনাম
◈ প্রচুর টাকা ঢেলেও প‌য়েন্ট টে‌বি‌লের তলানীতে লিভারপুল  ◈ ইরানের পাল্টা হামলায় প্রতিরক্ষা সংকটে ইসরায়েল ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অস্থির ডলারের বাজার, দুর্বল হচ্ছে টাকা ◈ মধ্যস্থতার চেষ্টা ব্যর্থ, ইরান যুদ্ধ থামাতে রাজি নয় ট্রাম্প ◈ বাংলাদেশে এসে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায়ে বড় অঙ্কের জরিমানামুক্ত হওয়ার সুখবর পেলো পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ◈ আঙ্কারায় বাংলাদেশ–তুরস্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক, সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার ◈ হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার ◈ পূর্বাচল প্লটের ৬ লাখ টাকার কাঠা এখন ৭৫ লাখ: নতুন দাম নির্ধারণ করলো রাজউক ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা আওয়ামীলীগ ◈ উন্নত চিকিৎসায় মির্জা আব্বাসকে কাল  সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে, মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট ভালো এসেছে

প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৮:৫৭ সকাল
আপডেট : ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৮:৫৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে সুপরিবর্তন চাইলে, আনুন শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন!

মাসুদ রানা : যারা বাংলাদেশের সমাজ-ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে চান, তাদের জন্যে আমার পরামর্শ হচ্ছে প্রথমে আনুন শাসতান্ত্রিক পরিবর্তন। কী প্রকারের শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন আমার পরামর্শ? সেটি আমি বিস্তারিত করেছি প্রায় এক বছর আগে প্রকাশিত একটি লেখায়। তবে এখানে সংক্ষেপ বলি এভাবে।ফেসবুক থেকে

(১) রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা, যেখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সারাদেশের প্রাপ্ত বয়স্ক সকল নাগরিকের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে। তিনি নির্বাচিত হবেন পাঁচ বছরের জন্যে এবং কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না।

(২) পার্লামেণ্ট হবে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট, যার নিম্নকক্ষ হবে জনসংখ্যানুপাতিক ও দলীয়, এবং উচ্চকক্ষ হবে উপজেলা ভিত্তিক ও নির্দলীয়। পার্লামেণ্টের কাজ হবে আইন তৈরি করা, সরকার গঠন করা নয়।

(৩) সরকার গঠন করবেন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি, যেখানে তিনি পার্লামেণ্টের নির্বাচিত কোনো সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন না। পার্লামেণ্টের সদস্যগণ সতর্ক নজর রাখবেন সরকার প্রতিটি বিভাগের ওপর, যাতে তারা আইনের ভেতরে রাষ্ট্র পরিচালনা করে।

(৪) বিচার বিভাগ হবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও বিকেন্দ্রিক, যার কাজ হবে আইনের শাসন নিশ্চিত করা এবং আইনের লঙ্ঘনে অনুরুদ্ধ বা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তার বিচার করে প্রতিবিধান করা।

(৫) পার্লামেণ্টের আইনানুসারে স্থানীয়ভাবে বাসস্থান, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও নিরাপত্তা-সহ মৌলিক পরিষেবার জবাবদিহি-সহ পরিকল্পনা ও প্রদানের ক্ষমতা ন্যস্ত করে গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

(৬) পার্লামেণ্টের নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্যে রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক গঠনতন্ত্র থাকতে হবে এবং এর সদস্যদের গঠনতান্ত্রিক অধিকার আইনের দ্বারা সংরক্ষিত থাকবে, যার লঙ্ঘন হলে তারা আইনের আশ্রয় নিতে পারবে, যাতে কোনো দল একনায়কতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে না পারে।

(৭) নির্বাচিত পার্লামেণ্ট সদস্যদেরকে তাদের নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত সার্জারিতে বসে জনগণের অভাব-অভিযোগের কথা শুনতে হবে, যাতে তারা পার্লামাণ্টের অধিবেশনে গিয়ে সেকথা তুলে ধরতে পারেন।

(৮) পার্লামেণ্টের কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধি তার এলাকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে ব্যর্থ বলে বিবেচিত হলে, উপযুক্ত কারণ ও প্রমাণ দেখিয়ে তাকে "রিকল" বা প্রত্যাহারের জন্যে ১০% ভৌটার সম্মিলিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করতে পারবেন।

(৯) নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং কোনো প্রতিনিধির বিরুদ্ধে "রিকল" আবেদন পেলে, তার যৌক্তিকতা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ার সাপেক্ষে সেই প্রতিনিধিকে অনুপযুক্ত ঘোষণা করে পুনঃনির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।

(১০) রাষ্ট্রপতি সংবিধানের প্রতি অবিশ্বস্ত হলে, আইনের পরিপন্থী চললে কিংবা নৈতিক কর্মে লিপ্ত হলে তার বিরুদ্ধে পার্লামেণ্টের যে-কোনো কক্ষে অনাস্থা প্রস্তাব আনা যাবে, যদি কোনো একটি কক্ষের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তাতে সম্মতি দেন কিন্তু তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে হলে প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে পার্লামেণ্টের উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে উপস্থিত দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়