শিরোনাম
◈ বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধার মামলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর ◈ আপনারা পুলিশকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করিয়েন না, নিজেরাও ব্ল্যাকমেইল হইয়েন না: আইজিপি (ভিডিও) ◈ মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচন: প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি ◈ অতিরিক্ত আহরণ ও দূষণে চাপে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, পাঁচ বছরে কমেছে মাছ ধরা ১৬.৫৭ শতাংশ ◈ ২ হাজার কোটি টাকার হাতিরঝিলে অসহনীয় দুর্গন্ধ, দূষণ নিয়ে রাজউক-ওয়াসার পাল্টাপাল্টি দোষারোপ ◈ হুমকি দিয়ে ইরানে হামলা থেকে আবারও পিছু হটলেন ট্রাম্প ◈ নির্বাচনের আগে এআই দিয়ে পরমাণু বিস্ফোরণের ছবি পোস্ট, নেতানিয়াহুকে ঘিরে বিতর্ক ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, ছাড়া পেয়ে যা বললেন কলেজশিক্ষার্থীর বাবা (ভিডিও) ◈ গভীর রাতে ভুলতা-গাউছিয়া রোডে ডাকাতের কবলে রফিকুল ইসলাম মাদানি (ভিডিও) ◈ ১৭০ বছর পর বাণিজ্যিক উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনা, বিশ্ববাজারে রপ্তানির অপেক্ষায় বাংলাদেশের ঢাকাই মসলিন

প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:১৫ সকাল
আপডেট : ০৮ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:১৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাশরাফির ১৮ বছর

রাকিব উদ্দীন : হাঁটুর সাথে যুদ্ধ করে বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছেন মাশরাফি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আজ তার ১৮ বছর পূর্ণ হলো। টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ছাড়লেও কলার উচুঁ করে এখনও ওয়ানডে ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৮ বছর পার করলেন মাশরাফি। ২০০১ সালে আজকের তারিখেই (৮ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছিল মাশরাফির পথচলা। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে সুযোগ পেয়ে বাজিমাত দেখান ১৮ বছর বয়সী মাশরাফি। ইনিংসে একাই ৪টি উইকেট নিয়ে বিশ^কে নিজের সামর্থ্যরে জানান দেন তিনি। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়েখে ১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে না দিয়ে দুর্দান্তভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু করেন এ তারকা।

লাল-সবুজের জার্সিতে খেলেছেন ৪টি বিশ্বকাপ, নেতৃত্ব দিয়েছেন ২টিতে। তার অধীনেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের (২০১৫ আসরে) কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ, উঠেছিল চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালেও। পরিসংখ্যানের হিসেবে মাশরাফিই বাংলাদেশের সফলতম অধিনায়ক।

বোলার হিসেবেও তার অবদান কোনো অংশে কম নয়। ২০০৪ সালের ভারত বধ, একই বছর রাহুল দ্রাবিড়কে বোকা বানিয়ে বোল্ড করা, ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো, ২০০৬ সালে বছরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী, ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানো থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত মাশরাফির হাত থেকে বেরিয়েছে কোটি বাঙালিকে খুশি করার মতো অসংখ্য সব স্পেল

ক্যারিয়ারের শুরুতে ছিলেন পুরোপুরি ফাস্ট বোলার। সমসাময়িক অন্যান্য বোলাররা যখন ১৩৫ কিমি গতিতে বল করেই সন্তুষ্ট থাকতেন, তখন মাশরাফি নিয়মিতই ছুড়তেন ১৪০+ কিমি গতির গোলা। যে কারণে তার নামই হয়ে যায় নড়াইল এক্সপ্রেস। কিন্তু দফায় দফায় ইনজুরির কারণে আপোষ করতে হয়েছে গতির সঙ্গে। এখন আর তেড়েফুঁড়ে করতে পারেন না প্রথম স্পেল। তবে মাথা খাটিয়ে ব্যাটসম্যানদের বোকা বানানোর ক্ষেত্রে জুড়ি নেই মাশরাফির।

ক্যারিয়ারের ১৮টি বছরে দেশের জার্সি গায়ে খেলেছেন ৩৬ টেস্ট, ৫৪ টি-টোয়েন্টি ও ২১৭টি ওয়ানডে ম্যাচ। ৩৬ টেস্টে শিকার করেছেন ৭৮টি উইকেট। যা কি না এখনও বাংলাদেশী পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া ব্যাট হাতেও ৩ ফিফটিতে করেছেন ৭৯৭ রান।

ওয়ানডে ফরম্যাট খেলে যাচ্ছেন এখনও। এই ফরম্যাটে তার চেয়ে বেশি উইকেট নেই আর কোনো বাংলাদেশি বোলারের। দেশের ইতিহাসের সেরা বোলিং ফিগার ৬/২৬ সহ ওয়ানডেতে মাশরাফির শিকার ২৬৬টি উইকেট। ব্যাট হাতে করেছেন ১৭৮৬ রান।

খানিক বিবর্ণ ছিলেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। অবসরের আগে খেলা ৫৪ ম্যাচে নিয়েছেন ৪২টি উইকেট, ব্যাট হাতে করেছেন ৩৭৭ রান।

  • সর্বশেষ