শিরোনাম
◈ শেষ পর্যন্ত থামেনি উত্তেজনা, ২–২ ড্রয়ে শেষ জাপান-নেদারল্যান্ডস লড়াই ◈ গভীর রাতে টেকনাফে গুলিবর্ষণ, আতঙ্কে নির্ঘুম জুম্মাপাড়ার মানুষ ◈ দিল্লিতে প্রবেশে বাধা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে, ফয়েজের ফেসবুক স্ট্যাটাস ◈ দেড় লাখ মানু‌ষের দেশ কুরাসাও বিশ্বকাপ খেল‌ছে, জার্মা‌নির বিরু‌দ্ধে গোলও ক‌রে‌ছে ◈ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ এবার ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের যে সুখবর দিলেন ভারপ্রাপ্ত এমডি! ◈ লন্ডন থেকে যাত্রাপথে দুবাইয়ে এআই ফেস রিকগনিশনে ধরা পড়লেন বেনজীর! শনাক্তকরণ নিয়ে চাঞ্চল্য ◈ দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ◈ জামায়াতের দুই নারী সদস্যকে নিয়ে মন্তব্য করায় আবারও উত্তপ্ত সংসদ (ভিডিও) ◈ নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপে সুন্দর সূচনা বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:১৫ সকাল
আপডেট : ০৮ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:১৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাশরাফির ১৮ বছর

রাকিব উদ্দীন : হাঁটুর সাথে যুদ্ধ করে বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছেন মাশরাফি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আজ তার ১৮ বছর পূর্ণ হলো। টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ছাড়লেও কলার উচুঁ করে এখনও ওয়ানডে ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৮ বছর পার করলেন মাশরাফি। ২০০১ সালে আজকের তারিখেই (৮ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছিল মাশরাফির পথচলা। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে সুযোগ পেয়ে বাজিমাত দেখান ১৮ বছর বয়সী মাশরাফি। ইনিংসে একাই ৪টি উইকেট নিয়ে বিশ^কে নিজের সামর্থ্যরে জানান দেন তিনি। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়েখে ১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে না দিয়ে দুর্দান্তভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু করেন এ তারকা।

লাল-সবুজের জার্সিতে খেলেছেন ৪টি বিশ্বকাপ, নেতৃত্ব দিয়েছেন ২টিতে। তার অধীনেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের (২০১৫ আসরে) কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ, উঠেছিল চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালেও। পরিসংখ্যানের হিসেবে মাশরাফিই বাংলাদেশের সফলতম অধিনায়ক।

বোলার হিসেবেও তার অবদান কোনো অংশে কম নয়। ২০০৪ সালের ভারত বধ, একই বছর রাহুল দ্রাবিড়কে বোকা বানিয়ে বোল্ড করা, ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো, ২০০৬ সালে বছরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী, ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানো থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত মাশরাফির হাত থেকে বেরিয়েছে কোটি বাঙালিকে খুশি করার মতো অসংখ্য সব স্পেল

ক্যারিয়ারের শুরুতে ছিলেন পুরোপুরি ফাস্ট বোলার। সমসাময়িক অন্যান্য বোলাররা যখন ১৩৫ কিমি গতিতে বল করেই সন্তুষ্ট থাকতেন, তখন মাশরাফি নিয়মিতই ছুড়তেন ১৪০+ কিমি গতির গোলা। যে কারণে তার নামই হয়ে যায় নড়াইল এক্সপ্রেস। কিন্তু দফায় দফায় ইনজুরির কারণে আপোষ করতে হয়েছে গতির সঙ্গে। এখন আর তেড়েফুঁড়ে করতে পারেন না প্রথম স্পেল। তবে মাথা খাটিয়ে ব্যাটসম্যানদের বোকা বানানোর ক্ষেত্রে জুড়ি নেই মাশরাফির।

ক্যারিয়ারের ১৮টি বছরে দেশের জার্সি গায়ে খেলেছেন ৩৬ টেস্ট, ৫৪ টি-টোয়েন্টি ও ২১৭টি ওয়ানডে ম্যাচ। ৩৬ টেস্টে শিকার করেছেন ৭৮টি উইকেট। যা কি না এখনও বাংলাদেশী পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া ব্যাট হাতেও ৩ ফিফটিতে করেছেন ৭৯৭ রান।

ওয়ানডে ফরম্যাট খেলে যাচ্ছেন এখনও। এই ফরম্যাটে তার চেয়ে বেশি উইকেট নেই আর কোনো বাংলাদেশি বোলারের। দেশের ইতিহাসের সেরা বোলিং ফিগার ৬/২৬ সহ ওয়ানডেতে মাশরাফির শিকার ২৬৬টি উইকেট। ব্যাট হাতে করেছেন ১৭৮৬ রান।

খানিক বিবর্ণ ছিলেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। অবসরের আগে খেলা ৫৪ ম্যাচে নিয়েছেন ৪২টি উইকেট, ব্যাট হাতে করেছেন ৩৭৭ রান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়