শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০২:২৮ রাত
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০২:২৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আশুরা দিবসের ঐতিহাসিক ঘটনাসমূহ

আমিন মুনশি : আরবিতে ‘আশারা’ মানে ১০। আরবি মহররম মাসের দশম দিনকে লোকেরা আশুরা বলে জানে। মুসলিম বিশ্বের কাছে দিনটি শোক ও বেদনার। আছে ঐতিহাসিক তাৎপর্য। ৬১ হিজরির এই দিনে ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে শাহাদাতবরণ করেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র এবং হজরত আলী (রা.) ও হজরত ফাতেমা (রা.)-এর পুত্র ইমাম হোসাইন (রা.)। অন্যায়ের প্রতিবাদে এই দিনে শহিদ হন নবী পরিবারের ৭২ জন সদস্য। এছাড়াও দিনটি মুসলিমদের কাছে নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ।

কারবালার বেদনাদায়ক ইতিহাস ছাড়াও দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে আরও অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় ১০ মহররমের এই দিনে পৃথিবীতে হজরত আদম (আ.) আগমন করেন। নবী ইব্রাহিম (আ.)-এর শত্রু ফেরাউনকে নীল নদে ডুবিয়ে দেয়া হয়। নূহ (আ.)-এর নৌকা ঝড় থেকে রক্ষা পায়। দাউদ (আ.)-এর তাওবা কবুল হয়। আইয়ুব (আ.) দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত ও সুস্থতা লাভ করেন। ঈসা (আ.)কে ঊর্ধ্বাকাশে আল্লাহর নির্দেশে এই দিনেই উঠিয়ে নেয়া হয়।

ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এই দিনে রোজা রেখেছেন। আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলকে ১০ মহররম রোজা পালন করতে দেখেছি। আর বলতে শুনেছি, রমজানের রোজা ছাড়া অন্য যেকোনো সময়ের রোজার চেয়ে উত্তম মহররমের রোজা। মদিনায় হিজরতের পর যখন রাসুলুল্লাহ (সা.) ইহুদিদের এ মাসের ১০ তারিখে রোজা রাখতে দেখলেন, তখন তিনি এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন। ইহুদিরা জানালো, এ মাসের ১০ তারিখে আল্লাহ তায়ালা হজরত মুসা আলাইহিস সালামকে অত্যাচারী শাসক ফেরাউনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এ তারিখে ফেরাউন নীলনদে ডুবে মারা যায়। এর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ হজরত মুসা (আ.) এ দিনটিতে রোজা রাখতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) তখন বললেন, আমরাও মুসা (আ.)-এর অনুসরণ করব। তোমাদের চেয়ে আমাদের অধিকার বরং বেশি। তিনি তখন থেকে মহররমের ১০ তারিখ রোজা রাখা শুরু করলেন এবং সবাইকে নির্দেশ দিলেন। (বোখারি : ১৮৬৫)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়