শিরোনাম
◈ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ ◈ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন শেষে আগের কর্মস্থলে ফিরলেন আসিফ নজরুল ◈ ১২০২টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন ◈ চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ‘সেটলিং বাণিজ্য’ ও দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা ‘মিথ্যা’ দাবি তাজুল ইসলামের ◈ যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ শতাংশ মানুষ ডোনাল্ড ট্রাম্পের পদত্যাগ চান ◈ কবে থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে, জানাগেল তারিখ ◈ চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাব: ডিসিসিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন ◈ মেয়াদ যেখানে শেষ হবে সেখানে আগে সিটি নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল ◈ রা‌তে টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে ইংল্যান্ডের বিরু‌দ্ধে লড়াই‌য়ে নাম‌বে পাকিস্তান ◈ প্রায় ২ কোটি টাকা ক্ষতির পর বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে শিলিগুড়ির হোটেল ব্যবসায়ীরা!

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০২:২৮ রাত
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০২:২৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আশুরা দিবসের ঐতিহাসিক ঘটনাসমূহ

আমিন মুনশি : আরবিতে ‘আশারা’ মানে ১০। আরবি মহররম মাসের দশম দিনকে লোকেরা আশুরা বলে জানে। মুসলিম বিশ্বের কাছে দিনটি শোক ও বেদনার। আছে ঐতিহাসিক তাৎপর্য। ৬১ হিজরির এই দিনে ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে শাহাদাতবরণ করেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র এবং হজরত আলী (রা.) ও হজরত ফাতেমা (রা.)-এর পুত্র ইমাম হোসাইন (রা.)। অন্যায়ের প্রতিবাদে এই দিনে শহিদ হন নবী পরিবারের ৭২ জন সদস্য। এছাড়াও দিনটি মুসলিমদের কাছে নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ।

কারবালার বেদনাদায়ক ইতিহাস ছাড়াও দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে আরও অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় ১০ মহররমের এই দিনে পৃথিবীতে হজরত আদম (আ.) আগমন করেন। নবী ইব্রাহিম (আ.)-এর শত্রু ফেরাউনকে নীল নদে ডুবিয়ে দেয়া হয়। নূহ (আ.)-এর নৌকা ঝড় থেকে রক্ষা পায়। দাউদ (আ.)-এর তাওবা কবুল হয়। আইয়ুব (আ.) দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত ও সুস্থতা লাভ করেন। ঈসা (আ.)কে ঊর্ধ্বাকাশে আল্লাহর নির্দেশে এই দিনেই উঠিয়ে নেয়া হয়।

ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এই দিনে রোজা রেখেছেন। আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলকে ১০ মহররম রোজা পালন করতে দেখেছি। আর বলতে শুনেছি, রমজানের রোজা ছাড়া অন্য যেকোনো সময়ের রোজার চেয়ে উত্তম মহররমের রোজা। মদিনায় হিজরতের পর যখন রাসুলুল্লাহ (সা.) ইহুদিদের এ মাসের ১০ তারিখে রোজা রাখতে দেখলেন, তখন তিনি এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন। ইহুদিরা জানালো, এ মাসের ১০ তারিখে আল্লাহ তায়ালা হজরত মুসা আলাইহিস সালামকে অত্যাচারী শাসক ফেরাউনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এ তারিখে ফেরাউন নীলনদে ডুবে মারা যায়। এর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ হজরত মুসা (আ.) এ দিনটিতে রোজা রাখতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) তখন বললেন, আমরাও মুসা (আ.)-এর অনুসরণ করব। তোমাদের চেয়ে আমাদের অধিকার বরং বেশি। তিনি তখন থেকে মহররমের ১০ তারিখ রোজা রাখা শুরু করলেন এবং সবাইকে নির্দেশ দিলেন। (বোখারি : ১৮৬৫)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়