শিরোনাম
◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার ◈ মাত্র ৮৫২ মিটার দূর দিয়ে গেল ভারতীয় স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ, রক্ষা পেল বাংলাদেশের স্যাটেলাইট

প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৭:৪১ সকাল
আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৭:৪১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে খাগড়াছড়ি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মূল্যবান যন্ত্রপাতি

ফাতিমা জান্নাত : জনবল সঙ্কটের কারণে নির্মাণের পাঁচ বছরেও চালু হয়নি খাগড়াছড়ি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রটি। অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান যন্ত্রাংশ ও যন্ত্রপাতি। ইনডিপেনডেন্ট টিভি, ১১:০০

আবহাওয়ার পূর্বাভাসসহ সার্বিক পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরে পৌঁছানোর লক্ষ্যে ২০১৪ সালে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় নির্মিত হয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। পাহাড়ে আবহাওয়া উপযোগী চাষাবাদের গবেষণা এবং দুর্যোগ সতর্কীকরণেও ভূমিকা রাখবে এই প্রতিষ্ঠান।
জনবল সংকটের কারণে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আবহাওয়া কেন্দ্রটি এখন আর কোনো কাজে আসছে না। ৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র দুই জন।

একজন উচ্চমান পর্যবেক্ষক ও একজন পর্যবেক্ষক দিয়ে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
তারা বলেন, জনবল সংকটে কার্যক্রম চালু করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

২০০৯ সালে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মস‚চির আওতায় বাস্তবায়ন হয় এই প্রকল্প। লোকবলের অভাবে নষ্ট হচ্ছে এর ম‚ল্যবান যন্ত্রপাতি। চুরি হচ্ছে ভবনের আসবাবপত্র, সোলার প্যানেলও।

দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক শুবোধি চাকমা বলেন, আবহাওয়া কেন্দ্রটি চালু হলে অতি ভারী বর্ষণ, শৈত্য প্রবাহ,পাহাড় ধসের প‚র্বাভাস, কৃষক ভাইদের কৃষি প‚র্বাভাস দেয়া যাবে। আবহাওয়ার ডাটা নিয়মিত কেন্দ্রীয় অফিসে পাঠানোর কথা থাকলেও জনবল সংকটের কারণে তা করতে পারছি না। দ্রুত সময়ে জনবল নিয়োগ দিলে আমরা কেন্দ্রটি চালু করতে পারব।

আবহওয়া কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কায়কোবাদ মিলন

  • সর্বশেষ