শিরোনাম
◈ সন্তানকে সম্পত্তি দান করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা: সংসদে বিল পাস ◈ সৌদিতে এক সপ্তাহে ১৪ হাজারের বেশি আটক, ফেরত পাঠানো হলো ১২ হাজার ◈ মালয়েশিয়ায় ভিসাবিহীনদের দেশে ফেরার আহ্বান বাংলাদেশ হাইকমিশনের ◈ জ‌য়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও হে‌রে গে‌লো বাংলাদেশ ◈ জু‌নিয়র নারী এশিয়া কাপ হ‌কি‌তে পাকিস্তানকে ৫-১ গো‌লে হারা‌লো বাংলাদেশ ◈ ভারতের কাছেও হার, এশিয়ান কাপের মূলপ‌র্বে খেলার স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ ফেব্রিক্স আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা, উদ্বেগে পোশাক খাত ◈ ইয়েমেনে ফের তীব্র লড়াই, সরকারি বাহিনী-হুথি সংঘর্ষে নিহত ১৪১ ◈ কারাগার ভেঙে পালানো ৫২ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির হদিস নেই ◈ কাগজ-ফাইলের যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল সংসদের পথে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:০৪ সকাল
আপডেট : ৩০ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডোমারে গেন্ডারি ও হাইব্রিড জাতের আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের

রতন কুমার : নীলফামারির ডোমারে স্থানীয় নামে পরিচিত গেন্ডারি ও হাইব্রিড জাতের আখ চাষে সফল ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় বেশি লাভবান হওয়ায় আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,উঁচু ও পানি নিষ্কাশন জমিতে গেন্ডারি, হাইব্রিড জাতের আখ চাষ করা হয়েছে। আখচাষিরা আখ ক্ষেতেই খুচরা ও পাইকারি দামে বিক্রি করছে।

চাষিদের দেওয়া তথ্যমতে- বাংলা সনের আশ্বিন ও কার্তিক মাসে আখ জমিতে রোপণ করা হয়। আখ বাজারজাতকরণের উপযোগী হতে সময় লাগে প্রায় ৮ হতে ১০ মাস। প্রতি একর জমিতে ৩০ হাজার হতে ৩৫ হাজার আখের ফলন হয়। প্রতিটি ৬ টাকা হতে ১০ টাকা এমনকি চাহিদা অনুযায়ী এরচেয়ে অধিক দামেও বিক্রি হয়।একরে ২ লাখ থেকে সোয়া দুই লক্ষাধিক টাকায় আখ বিক্রয় করা যায়। প্রতি একর আখ চাষে উৎপাদন খরচ দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। আখ চাষের পাশাপাশি আখক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে আলু, শাক, ও অন্যান্য সাথী ফসল চাষ করা যায়। সাথী ফসল বিক্রি করে আখ চাষের উৎপাদন খরচ তোলা যায়। তুলনামূলক হিসেবে অন্যান্য চাষাবাদের চেয়ে আখ চাষে অধিক মুনাফা পাওয়া যায়। উপজেলার নয়ানী গ্রামের আখ চাষি চন্দন, আমীন, পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের হুসেন, নুরল জানান-আখ চাষে অধিক মুনাফা হলেও ব্যাপকহারে আখ চাষের পরিকল্পনা নেই। কারণ এই জাতের আখ শুধু চিবিয়ে খায় মানুষ, বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা যায় না। সুগারমিল্স এই জাতের আখ ক্রয় করে না।

ডোমার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাফর ইকবাল বলেন, ইশ্বরদী-৩৭/৩৮ জাতের চিবিয়ে খাওয়া (চুইমিং ) আখ গেন্ডারি ও হাইব্রিড নামে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।এই জাতের আখ শুধু চিবিয়ে খাওয়ার জন্যই,এই জাতের আখের রস দিয়ে চিনি, গুড় তৈরি করা হয় না। বাণিজ্যিকভাবেও বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। তবে শুধু চিবিয়ে খাওয়ার জন্য অনেক চাহিদা আছে আমাদের দেশে। ডোমার উপজেলায় প্রতি বছর ইশ্বরদী-৩৭/৩৮ জাতের আখ চাষ করা হয়, চলতি বছরে উপজেলায় ৮হেক্টর জমিতে ইশ্বরদী-৩৭/৩৮ জাতের আখ চাষ করা হয়েছে।
সম্পাদনা : মুরাদ হাসান

  • সর্বশেষ