শিরোনাম
◈ রিয়াল মা‌দ্রিদের জয় ◈ ইসরা‌য়েল ও আ‌মে‌রিকার মোকা‌বিলায় ইরান নতুন টা‌র্গেট প্রস্তুত কর‌ছে, এবারের জবাব হবে আরও কঠোর ◈ বিপিএল বন্ধের প্রভাব পড়েছে ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে: লুৎফর রহমান বাদল ◈ গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষ অব্যাহত, মহাসড়কে বিক্ষোভ; ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ◈ আজও উত্তপ্ত মিরপুর, পুলিশ-শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ◈ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ◈ বাজারে কমছে সবজি, ডিম ও মুরগির দাম ◈ তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে জাপানের কঠিন শর্ত মেনে নিল বাংলাদেশ ◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর

প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:০৪ সকাল
আপডেট : ৩০ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডোমারে গেন্ডারি ও হাইব্রিড জাতের আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের

রতন কুমার : নীলফামারির ডোমারে স্থানীয় নামে পরিচিত গেন্ডারি ও হাইব্রিড জাতের আখ চাষে সফল ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় বেশি লাভবান হওয়ায় আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,উঁচু ও পানি নিষ্কাশন জমিতে গেন্ডারি, হাইব্রিড জাতের আখ চাষ করা হয়েছে। আখচাষিরা আখ ক্ষেতেই খুচরা ও পাইকারি দামে বিক্রি করছে।

চাষিদের দেওয়া তথ্যমতে- বাংলা সনের আশ্বিন ও কার্তিক মাসে আখ জমিতে রোপণ করা হয়। আখ বাজারজাতকরণের উপযোগী হতে সময় লাগে প্রায় ৮ হতে ১০ মাস। প্রতি একর জমিতে ৩০ হাজার হতে ৩৫ হাজার আখের ফলন হয়। প্রতিটি ৬ টাকা হতে ১০ টাকা এমনকি চাহিদা অনুযায়ী এরচেয়ে অধিক দামেও বিক্রি হয়।একরে ২ লাখ থেকে সোয়া দুই লক্ষাধিক টাকায় আখ বিক্রয় করা যায়। প্রতি একর আখ চাষে উৎপাদন খরচ দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। আখ চাষের পাশাপাশি আখক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে আলু, শাক, ও অন্যান্য সাথী ফসল চাষ করা যায়। সাথী ফসল বিক্রি করে আখ চাষের উৎপাদন খরচ তোলা যায়। তুলনামূলক হিসেবে অন্যান্য চাষাবাদের চেয়ে আখ চাষে অধিক মুনাফা পাওয়া যায়। উপজেলার নয়ানী গ্রামের আখ চাষি চন্দন, আমীন, পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের হুসেন, নুরল জানান-আখ চাষে অধিক মুনাফা হলেও ব্যাপকহারে আখ চাষের পরিকল্পনা নেই। কারণ এই জাতের আখ শুধু চিবিয়ে খায় মানুষ, বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা যায় না। সুগারমিল্স এই জাতের আখ ক্রয় করে না।

ডোমার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাফর ইকবাল বলেন, ইশ্বরদী-৩৭/৩৮ জাতের চিবিয়ে খাওয়া (চুইমিং ) আখ গেন্ডারি ও হাইব্রিড নামে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।এই জাতের আখ শুধু চিবিয়ে খাওয়ার জন্যই,এই জাতের আখের রস দিয়ে চিনি, গুড় তৈরি করা হয় না। বাণিজ্যিকভাবেও বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। তবে শুধু চিবিয়ে খাওয়ার জন্য অনেক চাহিদা আছে আমাদের দেশে। ডোমার উপজেলায় প্রতি বছর ইশ্বরদী-৩৭/৩৮ জাতের আখ চাষ করা হয়, চলতি বছরে উপজেলায় ৮হেক্টর জমিতে ইশ্বরদী-৩৭/৩৮ জাতের আখ চাষ করা হয়েছে।
সম্পাদনা : মুরাদ হাসান

  • সর্বশেষ