শিরোনাম
◈ তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে জাপানের কঠিন শর্ত মেনে নিল বাংলাদেশ ◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে?

প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৪৬ দুপুর
আপডেট : ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৪৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করতে একের পর এক দাবি উত্থাপন করছে রোহিঙ্গারা, অভিযোগ স্থানীয়দের

মঈন মোশাররফ : প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত এবং বাধাগ্রস্থ করতে রোহিঙ্গারা একের পর এক দাবি উত্থাপন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সময় টিভি ১২:০০
বিশেষ করে পূর্ণ নাগরিকত্ব, রোহিঙ্গা মর্যাদা, রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মোতায়েনের পাশাপাশি মিয়ানমারের আইডিএফ ক্যাম্পে থাকা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে মুক্ত করে দেয়ার নতুন দাবি উঠেছে। এসব দাবি না মানলে নিজ দেশে ফিরে যেতে রাজি নয় তারা।

দাবির শেষ নেই কক্সবাজারের টেকনাফ এবং উখিয়ার বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়া ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের। কখনো দু’ফা, কখনো চার দফা। আবার কখনো পাঁচ থেকে সাত দফা। নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এভাবেই বাড়িয়ে চলেছে তাদের দাবির সংখ্যা।

রোহিঙ্গারা বলছেন, আমাদের নাগরিকত্ব দিলে ও বাড়ি-ঘর ফিরিয়ে দিলে আমরা ফিরে যাবো। আমরা বিচার পাওয়ার জন্য এখানে এসেছি, আমাদের জোর করে ওখানে পাঠাবেন না।

মিয়ানমারের সংঘাতপূর্ণ রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েন করার পাশাপাশি তারা নতুন করে আরো কয়েকটি দাবি তুলেছে। এর মধ্যে মিয়ানমারের আকিয়াব এবং ইয়াঙ্গুন প্রদেশের তিনটি ক্যাম্পে থাকা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে মুক্তভাবে চলাচলের সুযোগ করে দেয়ার দাবি জানিয়েছে।

মূলত মিয়ানমারে ফেরত না যেতে রোহিঙ্গারা অযৌক্তিক এসব দাবি তুলে ধরছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান বলেন, এসব দাবি রোহিঙ্গাদের জানা ছিলো না। কিছু দাতা সংস্থা, এনজিও ও স্থানীয় কুচক্রি মহল তাদের এসব শিখিয়ে দিচ্ছে।

সুজনের কক্সবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, তারা এখানে যে সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে, ফ্রি খাবার, রেশন সুবিধা এসব কারণে তারা অজুহাত সৃষ্টি করছে যাতে তাদের ফেরত যেতে না হয়। সম্পাদনা : রাজু আহসান

  • সর্বশেষ