শিরোনাম
◈ রাখাইনে সংঘর্ষে উদ্বেগ, নতুন রোহিঙ্গা ঢল ঠেকাতে সীমান্তে কড়াকড়ি ◈ প্রেমের সম্পর্ক থেকে মানবপাচার, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নতুন কৌশল ◈ প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়ন, ফিরছে সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট ◈ মস্কোকে 'বাঁচাতে' ড্রোন অপারেটর খুঁজছে রাশিয়া চাকরির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে, বেতন দেড় লাখ রুবল ◈ বাউফলে হস্তান্তরের আগেই একাধিক প্রকল্পে ফাটল, কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন; নেপথ্যে কমিশন বাণিজ্য! ◈ মজুত বাড়াতে ৭৬৭২ কোটি টাকার ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনছে সরকার ◈ অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ৩৫৭ টাকা কমল ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ◈ ঢাকাকে আধুনিক নগরীতে রূপ দিতে সাংহাই মডেলে এগোচ্ছে সরকার ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা উজ্জ্বল, তবে চাই সংস্কার: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৪৬ দুপুর
আপডেট : ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৪৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করতে একের পর এক দাবি উত্থাপন করছে রোহিঙ্গারা, অভিযোগ স্থানীয়দের

মঈন মোশাররফ : প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত এবং বাধাগ্রস্থ করতে রোহিঙ্গারা একের পর এক দাবি উত্থাপন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সময় টিভি ১২:০০
বিশেষ করে পূর্ণ নাগরিকত্ব, রোহিঙ্গা মর্যাদা, রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মোতায়েনের পাশাপাশি মিয়ানমারের আইডিএফ ক্যাম্পে থাকা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে মুক্ত করে দেয়ার নতুন দাবি উঠেছে। এসব দাবি না মানলে নিজ দেশে ফিরে যেতে রাজি নয় তারা।

দাবির শেষ নেই কক্সবাজারের টেকনাফ এবং উখিয়ার বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়া ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের। কখনো দু’ফা, কখনো চার দফা। আবার কখনো পাঁচ থেকে সাত দফা। নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এভাবেই বাড়িয়ে চলেছে তাদের দাবির সংখ্যা।

রোহিঙ্গারা বলছেন, আমাদের নাগরিকত্ব দিলে ও বাড়ি-ঘর ফিরিয়ে দিলে আমরা ফিরে যাবো। আমরা বিচার পাওয়ার জন্য এখানে এসেছি, আমাদের জোর করে ওখানে পাঠাবেন না।

মিয়ানমারের সংঘাতপূর্ণ রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েন করার পাশাপাশি তারা নতুন করে আরো কয়েকটি দাবি তুলেছে। এর মধ্যে মিয়ানমারের আকিয়াব এবং ইয়াঙ্গুন প্রদেশের তিনটি ক্যাম্পে থাকা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে মুক্তভাবে চলাচলের সুযোগ করে দেয়ার দাবি জানিয়েছে।

মূলত মিয়ানমারে ফেরত না যেতে রোহিঙ্গারা অযৌক্তিক এসব দাবি তুলে ধরছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান বলেন, এসব দাবি রোহিঙ্গাদের জানা ছিলো না। কিছু দাতা সংস্থা, এনজিও ও স্থানীয় কুচক্রি মহল তাদের এসব শিখিয়ে দিচ্ছে।

সুজনের কক্সবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, তারা এখানে যে সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে, ফ্রি খাবার, রেশন সুবিধা এসব কারণে তারা অজুহাত সৃষ্টি করছে যাতে তাদের ফেরত যেতে না হয়। সম্পাদনা : রাজু আহসান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়