শিরোনাম
◈ এআই ক্যামেরার পর ঢাকার যানজট নিয়ন্ত্রণে আসছে ড্রোন ◈ পর্যটকশূন্য সেন্টমার্টিনে নীরব দুর্ভিক্ষ, আয়-রোজগার হারাচ্ছেন দ্বীপবাসী ◈ হৃদয়ের ট্রিপল শত‌কে ভর ক‌রে দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার স‌ঙ্গে ড্র করলো বাংলাদেশ এ' দল ◈ লিড টাইমে পিছিয়ে বাংলাদেশ, পোশাকের কার্যাদেশে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত ◈ এশিয়ান গেমসের বাংলা‌দেশ দল ঘোষণা, নেই নাহিদ রানা ও তাসকিন আহ‌মেদ ◈ সাত পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত ◈ গুম প্রতিরোধ আইন ২০২৫-এর অধ্যাদেশের চেয়ে শক্তিশালী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ নতুন দায়িত্ব পেলেন আমানউল্লাহ আমান ◈ যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা বন্ড সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির, বাড়াতে চান বাণিজ্য-সহযোগিতা ◈ শরীর-মন সতেজ করতে ইউরোপের ১১ স্পা শহর ও বিলাসবহুল ওয়েলনেস গন্তব্য: কী আছে, কেন এত আকর্ষণীয়

প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৪৬ দুপুর
আপডেট : ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৪৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করতে একের পর এক দাবি উত্থাপন করছে রোহিঙ্গারা, অভিযোগ স্থানীয়দের

মঈন মোশাররফ : প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত এবং বাধাগ্রস্থ করতে রোহিঙ্গারা একের পর এক দাবি উত্থাপন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সময় টিভি ১২:০০
বিশেষ করে পূর্ণ নাগরিকত্ব, রোহিঙ্গা মর্যাদা, রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মোতায়েনের পাশাপাশি মিয়ানমারের আইডিএফ ক্যাম্পে থাকা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে মুক্ত করে দেয়ার নতুন দাবি উঠেছে। এসব দাবি না মানলে নিজ দেশে ফিরে যেতে রাজি নয় তারা।

দাবির শেষ নেই কক্সবাজারের টেকনাফ এবং উখিয়ার বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়া ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের। কখনো দু’ফা, কখনো চার দফা। আবার কখনো পাঁচ থেকে সাত দফা। নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এভাবেই বাড়িয়ে চলেছে তাদের দাবির সংখ্যা।

রোহিঙ্গারা বলছেন, আমাদের নাগরিকত্ব দিলে ও বাড়ি-ঘর ফিরিয়ে দিলে আমরা ফিরে যাবো। আমরা বিচার পাওয়ার জন্য এখানে এসেছি, আমাদের জোর করে ওখানে পাঠাবেন না।

মিয়ানমারের সংঘাতপূর্ণ রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েন করার পাশাপাশি তারা নতুন করে আরো কয়েকটি দাবি তুলেছে। এর মধ্যে মিয়ানমারের আকিয়াব এবং ইয়াঙ্গুন প্রদেশের তিনটি ক্যাম্পে থাকা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে মুক্তভাবে চলাচলের সুযোগ করে দেয়ার দাবি জানিয়েছে।

মূলত মিয়ানমারে ফেরত না যেতে রোহিঙ্গারা অযৌক্তিক এসব দাবি তুলে ধরছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান বলেন, এসব দাবি রোহিঙ্গাদের জানা ছিলো না। কিছু দাতা সংস্থা, এনজিও ও স্থানীয় কুচক্রি মহল তাদের এসব শিখিয়ে দিচ্ছে।

সুজনের কক্সবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, তারা এখানে যে সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে, ফ্রি খাবার, রেশন সুবিধা এসব কারণে তারা অজুহাত সৃষ্টি করছে যাতে তাদের ফেরত যেতে না হয়। সম্পাদনা : রাজু আহসান

  • সর্বশেষ