শিরোনাম
◈ শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকেই সমাধান সম্ভব, তারেক রহমানের দ্রুত ভারত সফর চান দীনেশ ত্রিবেদী ◈ উড্ডয়নের আগমুহূর্তে বিমানের উইন্ডস্ক্রিনে ফাটল, নেপালে আটকা ১২৭ যাত্রী ◈ বড় ভূমিকম্পের আগেই মহাপরিকল্পনা সরকারের, ঢাকায় চিহ্নিত ৪৪৫ নিরাপদ আশ্রয়স্থল ◈ রাজধানীতে চালু হচ্ছে নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ সার্ভিস: নিরাপদ গণপরিবহনে নতুন দিগন্ত ◈ আরেকটি বড় জয় বাংলাদেশের, মাল‌য়ে‌শিয়া‌কে হোয়াইটওয়াশ কর‌লো জু‌নিয়র টাইগাররা ◈ বাংলাদেশকে অন্য দেশের মতো নয়, কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়তে চাই: তারেক রহমান ◈ রাজধানী থেকে দু’টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, যুবক গ্রেপ্তার ◈ বংশালে হেলমেটের গুদামে আগুন, দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ◈ টাইগারদের দাপুটে পারফরম্যান্সকে প্রশংসায় ভাসিয়েছে বিশ্ব মিডিয়া ◈ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা, আরব দেশগুলোতে কি প্রভাব হারাচ্ছেন ট্রাম্প?

প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ১১:২৬ দুপুর
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ১১:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মাছ নিষিদ্ধ!

শেখ নাঈমা জাবীন : নিউইয়র্কের বাজার থেকে ৭৬ হাজার পাউন্ড আমদানি নিষিদ্ধ মাছ তুলে নেয়া হচ্ছে। প্রিমিয়াম ফুডসের মালিকানাধীন শাহজালাল ব্র্যান্ডের প্যাকেটে করে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার থেকে আমদানি করা এসব মাছ নিউইয়র্ক এবং আশপাশের স্টেটগুলোতে বিক্রি করা হতো। আরটিভি

মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ৭৬ হাজার পাউন্ড ফ্রোজেন মাছ প্রিমিয়াম ফুডস শাহজালাল ব্র্যান্ড নামে নিউইয়র্ক ও তার আশপাশে সরবারহ করে আসছিলো। গত ২৯ জুলাই নিউইয়র্ক পোস্টে শাহজালাল ব্র্যান্ডের ফ্রোজেন মাছের আমদানি নিষিদ্ধ খবর প্রকাশিত হলে প্রবাসীদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

মূলত ক্যাটফিশ জাতীয় মাছ যেমন বোয়াল, পাবদা, আইড়, বাতাশী, মাগুরসহ আশবিহীন মাছগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নিষিদ্ধ করে কৃষি দপ্তরের খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগ।

এফএসআইএস থেকে বলা হয়েছে, মাগুর সুর জাতীয় মাছ রপ্তানির অনুমোদন নেই বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের। এই ২ দেশ থেকে গত ২৬ মার্চ ২০১৮ থেকে ৮ মার্চ ২০১৯ সালের মধ্যে মাছগুলো আমদানি করা হয়েছে। পরে খুচরা বিক্রির জন্য এসব মাছের চালান গেছে ক্লোরাডো, কানেক্টিকাট, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, মিশিগান, নিউজার্সিসহ নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের গ্রোসারীতে।

তবে এসব নিষিদ্ধ মাছের বিক্রি বন্ধ করতে কিছুদিন ধরে বিভিন্ন গ্রোসারিতে হানা দিচ্ছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচারাল ফুড সেফটি এন্ড ইনসপ্যাকশন সার্ভিসেস। ফলে যেসব গ্রোসারির মালিকরা প্রিমিয়াম ফুড ইউএসএর কাছ থেকে শাহজালাল ব্রান্ডের মাছ কিনেছেন তারা মাছ বিক্রি করতে না পেরে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে ক্যাটফিস জাতীয় এসব মাছ চাষের সময় এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। যদি ফ্রোজেন করা হয় তাহলে এসব মাছ মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে যেহেতু ফ্রোজেন করা ছাড়া মাছ আমদানির কোনো সুযোগ নেই, তাই ২০১৮ সালের শুরুতে এসব মাছ আমদানি নিষিদ্ধ করে ইউএসডিএ। সম্পাদনা : রাশিদ রিয়াজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়