প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খুতবা আরবি ভাষা ছাড়া অন্য ভাষায় দেয়ার সুযোগ নেই: মুফতি দিলওয়ার হোসেইন (ভিডিও)

নিউজ ডেস্ক : খুতবার শাব্দিক অর্থ বক্তৃতা বা বক্তৃতা করা। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় খুতবা বলা হয় এমন বক্তৃতা,যাতে আল্লাহর
প্রশংসা, তার একত্ববাদের ঘোষণা, হজরত রাসূলুল্লাহর (সা.) প্রতি দরুদ এবং উপস্থিত সাধারণের প্রতি উপদেশ বিদ্যমান থাকে।

মহানবী (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের পর কুবার মসজিদে প্রথম জুমার নামাজ আদায় করেন। এতে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেই ইমামতি করেন। এদিন জুমার নামাজের আগে তিনি দুটি খুতবা প্রদান করেন। তখন থেকেই শুক্রবারে জুমার নামাজের জামাতের আগে দুটি খুতবা প্রদানের প্রথা প্রচলিত।

জুমার নামাজের আগে খুতবা পাঠ নামাজেরই অংশবিশেষ। তাই খুতবা আরবিতে পাঠ করতে হয়। তবে খুতবা পাঠের আগে ইমাম সাহেবরা মাতৃভাষায় খুতবার মূল বক্তব্যটুকু বলে দিলে সবাই খুতবার সারমর্মের প্রতি
বিশেষভাবে মনোযোগী হতে পারবে।

শায়খুল হাদিস মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন এ সম্পর্কে বলেন, খুতবা ইবাদত, এটি কোনো বক্তব্য বা ভাষণ নয়। কুরআন ও হাদিসে যা স্পষ্ট উল্লেখ আছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) এর যুগ ও পরবর্তীতে সাহাবায়ে কেরাম, তাবেইন-তাবে তাবিইন পরবর্তী কোনো যুগেই খুতবা আরবি ভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় হয়নি।

তিনি বলেন, যেহেতু খুতবা ইবাদাত তাই ভাষাই দিতে হবে, অন্য ভাষায় দেয়া যাবে না?

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিন খুতবা প্রদানের সময় যদি তুমি তোমার সঙ্গীকে বলো, ‘চুপ করো’ তখন তুমি অনর্থক কথাই বললে। -সহিহ বোখারি: ১/১২৮

তাই মুসল্লিদের উচিত খুতবার সময় কথাবার্তা থেকে বিরত থেকে অত্যন্ত মনোযোগী হয়ে খুতবা শ্রবণ করা এবং যেসব কাজ নামাজে নিষিদ্ধ তা থেকে বিরত থাকা। ফিকাহ শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ ‘ফাতাওয়ায়ে শামী’তে একটি মূলনীতি উল্লেখ হয়েছে, যেসব কর্ম নামাজের মধ্যে হারাম, তা খুতবা চলাকালীন সময়ও হারাম। যেমন- কথাবার্তা বলা, পানাহার করা ইত্যাদি। -ফাতাওয়ায়ে শামি: ৩/৩৫

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত