প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্পের্টসওয়্যার এর প্রতিবেদন
ক্রমাগত শিল্পোন্নয়নের মধ্যেও জলবায়ু রক্ষায় নিজেদের প্রতিজ্ঞা পূরণ করছে বাংলাদেশ

আসিফুজ্জামান পৃথিল : বাংলাদেশের তৈরী পোষাক রপ্তানীকারতদের শীর্ষ সংগঠন বিজেএমইএ সম্প্রতি জলবায়ু রক্ষার ‘ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি চার্টার অন ক্লাইমেট অ্যাকশন’-এ যোগ দিয়েছে। ্রটি জলবায়ু রক্ষায় জাতিসংঘের একটি উদ্যোগ। বাংলাদেশে ক্রমাগত শিল্পোন্নয়ন হচ্ছে। যার পুরোভাগে রয়েছে তৈরী পোষাক শিল্প। কিন্তু শিল্পোন্নয়নের পরেও দেশটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সবসময়ই বিশ^স্ত থেকেছে। স্পোর্টস ওয়্যার ইন্টারন্যাশনাল।

এই উদ্যোগে অংশ নিয়ে বিজেএমইএ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় হওয়া প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়নে একধাপ এগিয়ে গেলো। এই চার্টারে একটি উচ্চভিলাসী লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এই চার্টার অনুযায়ী ২০২০ সালের মধ্যে পোষাক শিল্পের ৩০ শতাংশ গ্রীন হাউজ গ্যাস নিস:রণ কমিয়ে আনা হবে। এই বিষয়ে বিজেএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক স্পের্টসওয়্যারকে বলেন, ‘বাংলাদেশের তৈরী পোষাক শিল্প দৃঢ়তার সঙ্গে টেকসই লক্ষমাত্রা অর্জনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই চার্টারে যোগ দিয়ে বিজেএসইএ বিভিন্ন ব্র্যান্ড, সাপ্লায়ার এবং অন্য সংস্থার সঙ্গে একযোগে কার্বন ও গ্রীন হাউজ গ্যাস নিস:রণ কমানো নিয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। আমরা সর্বনিম্ন কার্বনের এক ভবিষ্যত গড়ে তুলবো।’

এই বিষয়ে জাতিসংংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থার, ক্লাইমেট অ্যঅকশন বিশয়ক বৈশি^ক প্রধান নিকলাস সেভেনেগসন বলেন, ‘আমরা এই পরিবারে বিজিএমইএকে স্বাগত জানাই। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাংলাদেশের নেতৃত্ব খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বৈশি^ক তাপমাত্রা দেড় ডিড়্ররি মধ্যে রাখতেই হবে।’ বিজিএমইর আগে প্রথম বাংলাদেশি কোম্পানি হিসেবে এই চার্টঅরে যোগ দিয়েছিলো ডেনিম এক্সপোর্ট। এই কোম্পানির ব্যভস্থাপনা পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিজিএসইএ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি চার্টারে যোগ দেওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি মনে করে সারা বিশে^র অন্যতম প্রধান দূষক এককভাবে পোষাক শিল্প। তাই এই উদ্যোগে বিজিএমইএ কে যুক্ত করতে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক চেষ্টা করেছি। বাংলােেদশের শীর্ষ শিল্প উৎপাদক সংস্থার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এই উদ্যোগ প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়নে বড় ভুমিকা রাখবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত