শিরোনাম
◈ প্রিজন ভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পালানোর সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেলো ◈ সৌদি-হুতি সংঘাতে পাকিস্তান-তুরস্কের সেনা, কতটা জড়াবে ইয়েমেন যুদ্ধে আর কতদিন থাকতে পারবে পাকিস্তান? ◈ বিশ্বজুড়ে কোথায় কোথায় মার্কিন বোমারু বিমান মোতায়েন থাকে? যা জানাগেল ◈ তিন বছর পর ফের বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত, দিল্লি যাচ্ছেন ১০ কর্মকর্তা: বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে গাড়ি কারখানা করবে টয়োটা, ২০২৭ সালে শুরু হবে নির্মাণকাজ ◈ কিউ-ক্যাশে সেবা ব্যাহত: ৩০ ব্যাংকের কার্ড ও ডিজিটাল সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে ৭ ধরনের ক্যানসার বাড়ছে, গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য ◈ মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারি, এএফএর বিরুদ্ধে ‘অর্থলোভী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ! ◈ বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে নাঃখাদ্যমন্ত্রী ◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা

প্রকাশিত : ১৮ জুলাই, ২০১৯, ০৬:২৮ সকাল
আপডেট : ১৮ জুলাই, ২০১৯, ০৬:২৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তরল দুধে ক্ষতিকর উপাদান, উৎপাদনকারীদের ওপর ভোক্তাদের আস্থা কতখানি?

আবদুল অদুদ : ঢাকার একজন গৃহিনী তানজুম আরা তার শিশুদের জন্য প্যাকেটজাত তরল দুধ কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন। বর্তমানে পরিচিত এক ব্যক্তির খামার থেকে বাচ্চাদের খাওয়ার জন্য দুধ সংগ্রহ করছেন তিনি। তার মত আরো অনেকেই বাজার থেকে দুধ কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার শঙ্কিত দুধ দিয়ে তৈরি করা বিভিন্ন খাবারের মান নিয়েও।-বিবিসি বাংলা

নাজিয়া পারভীন বলছিলেন, দুধে ক্ষতিকর উপাদান থাকার খবর পাওয়ার পর থেকে মিষ্টি বা পনিরের মত দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার ব্যাপারেও নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না তিনি। সব মিষ্টি যে খামার থেকে আনা দুধ দিয়েই বানানো হয় তার নিশ্চয়তা কী! অনেক মিষ্টিই হয়তো এরকম প্যাকেটজাত দুধ দিয়ে তৈরি করা হয়। তাই মিষ্টি, দেশীয় পনিরও যে কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। দুধে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের দুধের বিক্রি যে কিছুটা কমেছে তা বাজারে গিয়েও বোঝা যায়।

যদিও এবিষয়ে খুচরা বিক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। পাস্তুরিত তরল দুধের বিক্রির হার স্বাভাবিক আছে বলে কেউ কেউ দাবি করলেও অনেকেই স্বীকার করেন যে দু'সপ্তাহ আগের তুলনায় বিক্রি কিছুটা কমেছে। তবে তরল দুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থেকে মানুষের আস্থা যে কমেছে, সেবিষয়ে সন্দেহ নেই। তানজুম আরা বলেন, দুধ উৎপাদনকারী এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সহজে আর আস্থা ফেরাতে পারবেন না তিনি। হয়তো আদালতের হস্তক্ষেপে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পর দুধের মান ফিরে আসবে। কিন্তু আমি সহজে আর এই ব্র্যান্ডগুলোর ওপর সহজে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবো না। প্রয়োজনে হয়তো পরিবারের সদস্যদের দুধ খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেবো।

 

  • সর্বশেষ