শিরোনাম
◈ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে তারেক রহমানের ব্যানার ছিড়ে ফেললেন রাকসু জিএস ◈ ইরানে ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তন, বিপাকে আন্দোলনকারীরা ◈ আমদানি বন্ধের সুযোগে চালের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বৃদ্ধি ◈ লাল পাসপোর্ট জমা দিচ্ছেন উপদেষ্টারা ◈ সাত লাখ টাকায় রাশিয়া গিয়ে ছয় মাসের মাথায় দেশে ফিরতে হলো ৩৫ বাংলাদেশিকে ◈ চিলিতে ভয়াবহ দাবানল: দুই অঞ্চলে ‘মহাবিপর্যয়’ ঘোষণা, ১৬ জনের মৃত্যু ◈ বাংলাদেশ না খেললে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তানও! ◈ আবারও অচল দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র ◈ সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী আজ ◈ তারেক রহমানের চলন্ত গাড়িতে খাম লাগিয়ে বাইকারের পলায়ন, কি বার্তা ছিল খামে? (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৫ জুন, ২০১৯, ০৬:৫০ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০১৯, ০৬:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পৌষমেলা আয়োজন বিশ্বভারতী আর করবে না

ডেস্ক রিপোর্ট : পৌষমেলা ঘিরে চূড়ান্ত অনিশ্চয়তা! কারণ, পৌষমেলা পরিচালনার দায়িত্ব থেকে তারা সরে যাচ্ছে বলে জানিয়ে দিল বিশ্বভারতী।

মঙ্গলবার রাতে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্বভারতী জানিয়েছে, ‘আগামী ১৪২৬ সালের ৭-৯ পৌষ (ডিসেম্বর, ২০১৯) শান্তিনিকেতন পৌষ উৎসবের ঐতিহ্যপূর্ণ কৃত্যাদি (উপাসনা, পরলোকগত আশ্রমিকদের স্মরণ, মহর্ষি স্মারক বক্তৃতা, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন, সমাবর্তন, খ্রিস্টোৎসব ইত্যাদি) যথোচিত মর্যাদায় পালিত হবে। কিন্তু পৌষমেলা পরিচালনার দায়িত্ব এখন থেকে আর বিশ্বভারতীর পক্ষে নির্বাহ করা সম্ভব হবে না।‘ বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের দাবি, পরিবেশ আদালত-সহ দেশের সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের পালনীয় শর্তাবলি পূরণ করে এই বিপুল আয়তনের মেলা পরিচালনা করার মতো উপযুক্ত পরিকাঠামো বিশ্বভারতীর মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেই। এ রকম একটি সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখপ্রকাশও করেছেন কর্তৃপক্ষ।

সে ক্ষেত্রে শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের পক্ষেও মেলা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। ট্রাস্টের ট্রাস্টি কালিকারঞ্জন চট্টোপাধ্যায় এবং সম্মানীয় সম্পাদক অনিল কোনার বলেন, ‘বিশ্বভারতীর সব পক্ষের সহযোগিতা ছাড়া শুধুমাত্র শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের পক্ষে পৌষমেলা পরিচালনা করা সম্ভব নয়।‘ ফলে অনিবার্য প্রশ্ন, মেলা পরিচালনার দায়িত্ব কে বা কারা নেবে? আদৌ এ বছর থেকে আর পৌষমেলা হবে কিনা, তার সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

২০১৫-র পৌষমেলার পরে জাতীয় পরিবেশ আদালতে প্রথম মামলা হয়। দূষণ এড়াতে বিশ্বভারতীর নানা চেষ্টা সত্ত্বেও এ বছর ফের পরিবেশ আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার বিষয়টি নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রশ্ন ওঠে, কোথাও বলা নেই যে, উৎসবটি বিশ্বভারতীই করবে। শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের উল্লেখ রয়েছে। অথচ পৌষমেলার পরে দূষণ নিয়ে একের পর এক মামলায় পক্ষ হয়ে যাচ্ছে বিশ্বভারতী। অথচ, পৌষমেলা থেকে যে আয় হয়, তার কোনওটাই বিশ্বভারতীর তহবিলে জমা পড়ে না। মঙ্গলবার উপাচার্যের আহ্বানে ফের বৈঠক হয়। তার পরেই ওই সিদ্ধান্ত। আনন্দবাজার। রেজাউল আহসান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়