শিরোনাম
◈ চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করতে চায় নেদারল্যান্ডস ◈ ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা ◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০১৯, ০১:৪১ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০১৯, ০১:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোদির শপথ অনুষ্ঠানে বিমসটেক নেতাদের আমন্ত্রণ সার্কের ভবিষ্যত নিয়ে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে

জাবের হোসেন : প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিমসটেক নেতাদের আমন্ত্রণ দক্ষিণ এশিয়ান আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কের ভবিষ্যত নিয়ে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। সাউথ এশিয়ান মনিটর

গত এপ্রিলে বিজেপি যে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছিল, তারই আলোকে বিমসটেক নেতাদের মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলো। উল্লেখ্য, ইশতেহারে বিজেপি বলেছিল বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশনকে জোরদার করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ইশতেহারে সার্ক নিয়ে কোনো কথা বলা হয়নি।

উল্লেখ্য, ৫ বছর আগে মোদি যখন প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন সার্ক নেতাদেরই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে।

ভারতের পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষকেরা ও মিডিয়ায় মোদির আমলে সার্কের বিবর্ণ চিত্র তুলে ধরে বলেছে, সংস্থাটির বর্তমানে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

ব্রুকিংস ইন্ডিয়ার কনস্টানটিনো জ্যাভিয়ার বলেন, বিমসটেক নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর ভারতীয় পদক্ষেপটি কানেকটিভিটিকেন্দ্রিক সমমনা প্রতিবেশীদের সাথে সহযোগিতামূলক আঞ্চলিকতাবাদের ওপর নয়া দিল্লির জোর দেয়ার বিষয়টিই প্রতিফলিত করে।

তিনি বলেন, আফগানিস্তানের সাথে ট্রানজিট, দক্ষিণ এশিয়ান উপগ্রহ, মোটর যান চুক্তির উদ্যোগগুলোতে পাকিস্তানের বাধা প্রদানের কারণে ভারত দ্বিপক্ষীয়, বিবিআইএন [বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল] ও বিমসটেকের মতো অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে আঞ্চলিক একীকরণের পথে অগ্রসর হতে বাধ্য হয়েছে।

মোদি ২০১৪ সালে সার্ক নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর সময় আঞ্চলিক উদ্যোগ নিয়ে অনেক বেশি আশাবাদী ছিলেন। দিল্লিতে তখনকার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ উপস্থিত ছিলেন।

একই বছর মোদি দ্বিতীয়বারের মতো নেপাল সফর করেছিলেন, ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন। মোদির প্রস্তাবিত সার্ক উপগ্রহ ও সার্ক মোটর ভেহিক্যাল এগ্রিমেন্ট নিয়ে পাকিস্তান কিছুটা আপত্তি জানিয়েছিল।

দুই বছর পর ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় ১৯তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন থেকে ভারত নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়। তারা কাশ্মিরে ভারতীয় বাহিনীর ওপর জঙ্গি হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ওই সিদ্ধান্ত জানায়। পাকিস্তান ওই অভিযোগ অস্বীকার করে। আর সার্ক শীর্ষ সম্মেলন স্থগিত হয়ে যায়। সম্পাদনা- এইচএম জামাল

  • সর্বশেষ