শিরোনাম
◈ ৫০ বছর আগের চুক্তিতে বাংলাদেশের ট্রানজিট চায় নেপাল ◈ ‘নেপালকে বাংলাদেশ হতে দেব না’: প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি ◈ কাশ্মীর সীমান্তে একাধিক পাকিস্তানি ড্রোন শনাক্ত: সর্বোচ্চ সতর্কতায় ভারতীয় বাহিনী ◈ চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ থামছেই না: বাড়ছে আতঙ্ক, ঝুঁকিতে যাত্রীরা ◈ এবার বাংলাদেশের ওপর নজরদারি বাড়াতে নতুন নৌঘাঁটি বানাচ্ছে ভারত ◈ ভিয়েতনামে ২০ বছরের মধ্যে আসিয়ানের সবচেয়ে বড় তেলের মজুত সন্ধান! ◈ কাউন্সিল হ্যা বললে ২য় বিয়েতে স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না: হাইকোর্ট (ভিডিও) ◈ এক-দুই দিনের মধ্যে ২০-২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেবে এনসিপি ◈ কী ঘটেছিল, কী দেখে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছিল ডাকাতদল? যা জানাগেল (ভিডিও) ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুছাব্বির হত্যা: ১৫ লাখ টাকা চুক্তিতে খুন, জড়িত তিন সহোদর

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০১৯, ১১:৩২ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০১৯, ১১:৩২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বগুড়ায় বাল্যবিয়ে করতে এসে পুলিশ দেখে দৌড়ে পালালো বর

জিএম মিজান , বগুড়া ঃ বগুড়ায় গভীর রাতে বাল্যবিয়ে করতে এসে বর পুলিশ দেখে দৌড়ে পালিয়েছে। এ সময় বরের বাবাসহ বরযাত্রীদের এলাকাবাসী আটক করেন। পরে তাদের বাল্যবিয়ে বিরোধী স্লোগান দিতে দিতে এলাকা ছাড়া করানো হয়।

বুধবার (২৯ মে) রাত পৌনে ১২ টার দিকে বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া রুহিনী পোদ্দার লেনে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, কাটনার সেন্ট্রাল বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী মোসলেমা খাতুনের (১৫) বাবা মোখলেছার প্রামানিক বুধবার রাতে বাড়িতে মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেন। রাত ১০টার পর বর এবং বরযাত্রীরা মেয়ের বাড়িতে আসেন। খাওয়া দাওয়া শেষে প্রতিবেশীদের ভয়ে বিয়ের জন্য রাত গভীর হওয়ার অপেক্ষা করছিলেন সবাই। রাত সাড়ে ১১টায় বিয়ে পড়ানোর জন্য কাজী হাজির হন। রাত পৌনে ১২টার দিকে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর তরুন চক্রবর্তী পুলিশ নিয়ে হাজির হন বিয়ে বাড়িতে। পুলিশ দেখে বর অন্ধকারে দৌড়ে পালিয়ে যায়। কাজী সাহেব বাইসাইকেল ফেলে কৌশলে পালিয়ে নিজেকে রক্ষা করেন। মেয়ের বাব-মা ও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপন করেন।

বগুড়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তরুন কুমার চক্রবর্তীর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বরের বাবা বৃদ্ধ মানুষ হওয়ায় তাকে পুলিশে দেয়া হয়। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি দুপঁচাচিয়া উপজেলায়। এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল ইসলাম প্রতিবেদককে বলেন, পুলিশ দেখে যে যার মত পালিয়েছেন। মেয়ের বাবা-মাকে পাওয়া যায়নি।সম্পাদনা : মুসবা তিন্নি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়