প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি ন্যাপের

ইউসুফ আলী বাচ্চু : জনগণের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সড়ক ও মহাসড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন যানবাহন, নসিমন-করিমন, ইজিবাইক, অটোরিকশা, ব্যাটারি ও প্যাডেলচালিত রিকশার পাশাপাশি মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ, মলমপার্টি-অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এ দাবি জানান। বিবৃতিতে তারা বলেন, প্রতি বছর ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় বহুলোকের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। ফলে অনেকের ঘরেই ঈদের খুশি হারিয়ে যায়। ঈদের আনন্দ যেন সবাই ভাগাভাগি করতে পারে, সেজন্য সরকারের উচিৎ সেই ব্যবস্থা নেয়া। উত্তরণ ঘটিয়ে সড়ককে নিরাপদ করার জন্য দীর্ঘগতি ও দ্রুতগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেন চালু করতে সরকারের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।নেতৃদ্বয় আরও বলেন, ঈদের সময় সড়কে ছিনতাই, রাহাজানি, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টির দৌরাত্মে সাধারণ যাত্রীরা নিঃস্ব হয়ে যায় ও এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ পুলিশেরও চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পায়। ফলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় ও দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর জনগণের আস্থাও কমে যায়। এই সব বিষয়ে সরকারকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।এবারের ঈদের লম্বা ছুটিতে সরকার পরিকল্পিতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করা সক্ষম হবে বলে মন্তব্য করে ন্যাপ নেতৃদ্বয় সরকারকে কিছু ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণের দাবি জানান।

ব্যাবস্থাগুলো হলো- সড়ক-মহাসড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন যানবাহন, নসিমন-করিমন, ইজিবাইক, অটোরিকশা, ব্যাটারি ও প্যাডেলচালিত রিকশার পাশাপাশি মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ, মোটরসাইকেলে ঈদযাত্রা নিষিদ্ধ করা, সকল গার্মেন্টস ও অন্যান্য শিল্প কলকারখানার ছুটি একসঙ্গে না করে ভিন্ন ভিন্নভাবে করা, টোল প্লাজায় সবকটি বুথ চালু রাখা ও দ্রুত গাড়ি ব্রিজ পারের ব্যবস্থা করা, মহাসড়কের পাশে অস্থায়ী হাটবাজার নিয়ন্ত্রণ করা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্পিডগান ব্যবহার ও উল্টোপথের গাড়ি চলাচল বন্ধ, সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ দখল ও পার্কিংমুক্ত রাখা, ঈদের আগে ও পরে সড়কে যানবাহন থামিয়ে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করা, লাইসেন্সবিহীন ও অদক্ষ চালকদের নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্র করা, ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা, ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট, নগরীর প্রবেশমুখ ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনসমূহে দ্রুত গাড়ি পাসিংয়ের ব্যবস্থা করা, দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহন দ্রুত উদ্ধার আহতদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করা, সড়কে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের ঈদের ছুটি বাতিল করা।

দ্রুত এ সকল ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নেতৃদ্বয় সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী, মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এখন প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জোর দাবি জানিয়ে বলেন, প্রতি ঈদের ন্যায় এবার যেন সড়কে মৃত্যুর মিছিল না হয় এটা সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত