শিরোনাম
◈ খাল খননের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, আসছে ‘মডেল খাল’ কর্মসূচি ◈ মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের অবহেলা নয়, সম্মান ও সহমর্মিতা দেখাতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ মানব পাচার নির্মূলে ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ : মার্কিন প্রতিবেদন ◈ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সাইকেল চালিয়ে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ রেলের টিকিট কালোবাজারি ও পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন ◈ ম‌্যা‌ডিসন ১০ বছর পর মা‌ঠে ফিরে লজ্জার রেকর্ড কর‌লেন ◈ চাঁদা না পেয়ে ট্রাক এনে লুটপাট, সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? ◈ অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে এবারই প্রথম, একাদশের সবার বয়স ৩০ বছ‌রের উপ‌রে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার সাম‌নে দিশাহারা বাংলা‌দেশ, নারী দল হার‌লো ৭ উইকেটে

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০১৯, ০৩:৩৯ রাত
আপডেট : ২২ মে, ২০১৯, ০৩:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নুহাশ হুমায়ূন দুটি বিজ্ঞাপন করে প্রচারিত হওয়ার আগেই তোপের মুখে পড়লেন

দেবদুলাল মুন্না : প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের ছেলে নুহাশ হুমায়ূন কয়েকদিন আগে দুটি বিজ্ঞাপন করেছেন। একটি বিজ্ঞাপন একটি মোবাইল অপারেটরের ও অন্যটি রং পেইন্টের। মোবাইলের বিজ্ঞাপনে দেখা যায়, পাহাড়ের একটি প্রত্যন্ত এলাকা । ৩ মিনিট ৮ সেকেন্ডের এই বিজ্ঞাপনের ফিল্মে দেখানো রমজানে সেহরি ও ইফতারের সময় জানার কোনও ব্যবস্থা না থাকায় একজন পাহাড়ি ছেলে দোকানে আজান শুনে দৌড়ে দৌড়ে পুরো পাড়ার সবাইকে জাগায়। সেখানে একজন জেগে উঠে বের হয়ে এসে তাকে ধমক দিয়ে বলেন, ‘আমি হিন্দু।’ আর সেই পাহাড়ি ছেলেটির বাঙালি নাম রাফি। অনেক অসঙ্গতিতে ভরা এই ফিল্মকে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বলে চিহ্নিত করে সঞ্জীব দ্রং বলেন, ‘ফিল্মটির বিষয়বস্তু সাংস্কৃতিক আগ্রাসন তো অবশ্যই। নামাজ পড়ার দৃশ্য দিয়ে ধর্মীয়ভাবে একটা অপব্যাখ্যা/ ভুলবার্তা সাধারণের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। হ্যাঁ, ইফতার-সেহরি হবে। এর সঙ্গে মন্দির ও প্যাগোডায় ভোর ও সন্ধ্যা বেলায় যে বন্দনা করা হয়, সেটাও তুলে ধরে বাংলাদেশ যে সম্প্রীতির দেশ, তা তুলে ধরা যেত। পাহাড়ের সংস্কৃতি ও কৃষ্টি যে দিন দিন ইসলামিক আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে, সেই প্রকৃত চিত্রই এখানে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে পাহাড়ের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে স্বাভাবিকীকরণ করার আরেক অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।’

অন্যদিকে,বার্জারের বিজ্ঞাপনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বরেন্দ্র এলাকার একটি গ্রাম টিকোইল। গ্রামটি স্থানীয় পরিসরে আলপনা গ্রাম নামেই পরিচিত। মাটির তৈরি ঘরে যুগের পর যুগ ধরে নারীরা আলপনা এঁকে চলেছেন।মজার বিষয় হলো, নানা রকম মাটি দিয়ে নানা রকম রঙ এবং প্রাকৃতিকভাবে গাছ-লতা থেকে আঠা তৈরি করে তারা মাটির ঘরে আলপনার কাজটি করে থাকেন। গ্রামবাসী বলছেন, কোনও আলাপ-আলোচনা ছাড়া হুট করেই এই গ্রামে শুটিং ইউনিট আসে। দুদিন ধরে এখানকার একটি বাসায় তাদের সঙ্গে থেকে কীসব করেছেন শুটিংয়ের লোকজন। তারা জানেনও না তাদের কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

কেননা, ওই দুদিনের পর আর তাদের সঙ্গে কেউ যোগাযোগও করেনি। শুটিং শেষে তাদের কয়েকটি পরিবারের সদস্যদের হাতে রংয়ের ডিব্বা দেওয়া হয়।এ বিজ্ঞাপন পাঁচ মিনিট ছয় সেকেন্ডের । এ্যারোমা বর্মণ নামের স্থানীয় আধিবাসী ফোরামের নারীনেত্রী বলেন, ‘তারা এসে শুটিং করতে চেয়েছেন। বাসার একটা অংশের দেয়ালের নকশা মুছে ফেলতে বলেছেন। আমরা তাদের সাহায্য করেছি। যখনই যে আসে আমাদের কথা বলতে হয়, সময় দিতে হয়। কিন্তু তারপর তারা একি করলো দেখে তো রীতিমতো অবাক। আমাদের খাটো করার জন্যই কী তারা বিজ্ঞাপন বানিয়েছেন।’ নুহাশ হুমায়ূনের সঙ্গে ম্যাসেঞ্জারে যোগাযোগ করলে তিনি করও রিসিভ করেননি বা মেসেজের রিপ্লাই ও দেননি।

  • সর্বশেষ