শিরোনাম
◈ মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড, এক বছরে আয় ৩,৮৭৯ কোটি টাকা ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, পুলিশি ব্যবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত: স্পিকার ◈ জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের বিতর্কে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক নি‌শ্চিত কর‌লো ◈ বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা জোরদারে তাগিদ তারেক রহমানের ◈ জাতিসংঘের কার্যকারিতা ফেরানো ও নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারে জোর খলিলুর রহমানের ◈ ঢাকার সঙ্গে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত নয়াদিল্লি ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে ভুটান-মালদ্বীপের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক ◈ ইরানকে ‘নরকে ঠেলে’ দেওয়ার হুমকি, কিউবার শাসনব্যবস্থার পতনের ঘোষণা ট্রাম্পের

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ১০:১৩ দুপুর
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ১০:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কৃষিকে বাঁচাতে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানেরা দাবি তুলেছেন কৃষকেরা

হ্যাপি আক্তার : সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের লক্ষমাত্রা বাড়ানেরা দাবি তুলেছেন কৃষকেরা। তারা জানান যে পরিমাণ ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি ধান রয়েছে কৃষকের কাছে। তাই কৃষক বাঁচাতে লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো বিকল্প নেই। একাত্তর টেলিভিশন।

১৫ মে থেকে ধান কেনা শুরু হয়েছে নওগায়। এবার এজেলা থেকে সংগ্রহ করা হবে ৫ হাজার ৬৩২ মেট্রিকটন ধান। যা জেলার মোট উৎপাদনের অর্ধেকেরও কম। শুধু তাই নয়, এজন কাডধারি কৃষক সর্বোচ্চ বিক্রি করতে পারবেন ৩ মেট্রিকটন ধান। আর বাকিটা বিক্রি করতে হবে মিলারদের কাছে। যে কারণে খুব একটা লাভ হবে না বলে মনে করেছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।

কৃষকরা বলেছে, এক বিঘা জমিতে ধান উৎপাদন করে গেলে ১৩-১৪ হাজার টাকা খরচ হয়। যার কারণে বর্তমানে যে মূল্য তার জন্য অনেক লোকসান গুণতে হচ্ছে কৃষকদের।
এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশ থেকে মাত্র ১ লাখ মেট্রিকটন ধান কিনবে সরকার। অথচ একই সময়ে মিলারদের কাছ থেকে কেনার কথা রয়েছে ১২ লাখ মেট্রিকটন চাল।

মিলার মালিকরা বলেছেন, দেশের কৃষকরা চাল উৎপাদন করেন না তারা ধান উৎপাদন করেন। মিলাররা কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে চাল উৎপাদন করে সরকারের কাছে অধিক মূল্যে বিক্রি করেন।

এ অবস্তায় মিলারদের কাছ থেকে চাল না কিনে কৃষকদের কাছ থেকে বেশি পরিমানে ধান কেনার দাবি তোলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বড় বড় অটো রাইস মিলের মালিকরা এই ধানকে কেন্দ্র করে লুটপাটের প্রক্রিয়া চালু করেছেন।
এদিকে সরকারিভাবে ধান কেনা শুরু হয়েছে বরিশালেও। সেখানেও কার্ডধারি কৃষকরাই থাকছেন এই কর্মসূচির আওতায়। যদিও এর কিছুটা সুফল পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। সম্পাদনা : জামাল

  • সর্বশেষ