শিরোনাম
◈ রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কী হবে? ◈ তিন ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠাল সরকার ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম  ◈ তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানালেন নরেন্দ্র মোদি ◈ গাজী নজরুলের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও ইসিকে চিঠি জামায়াতে ইসলামীর চিঠি ◈ প্রশাসনে নারীর নেতৃত্বের বিস্তার, ২০ নারী ডিসি ও ১৯১ নারী ইউএনও ◈ আগস্টেই মিলবে ‘প্রবাসী কার্ড’; কারা আগে পাবেন, কী কী সুবিধা মিলবে? ◈ চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ২৭ জুলাই থেকে রুটিন অনুযায়ী চলবে: শিক্ষামন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন, সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ পাহাড়ি ঢল-বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যার ঝুঁকি, সতর্ক করল পূর্বাভাস কেন্দ্র

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৫১ দুপুর
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবার সুপ্রিম কোর্টে কোলকাতার পুলিশ প্রধান রাজীব

শেখ নাঈমা জাবীন : আবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার। তাঁর গ্রেফতারির উপর থাকা রক্ষা কবচ তুলে নিয়েছে শীর্ষ আদালত। সাত দিনের মধ্যে আগাম জামিনের করার সময়সীমা পেয়েছেন তিনি। সেই সময়সীমা বাড়াতে চেয়েই আদালতের স্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপধ্যায় এবং বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার অবসরকালীন বেঞ্চে তাঁর আইনজীবি বলেন আদালত সাত দিন সময় দিয়েছিলো। তার মধ্যে চার দিন অতিক্রান্ত। কিন্তু কলকাতায় আইনজীবীরা ধর্মঘট করেছেন বলে ওখানকার আদালতে আবেদন করা যাচ্ছে না। তাই আগাম জামিনের জন্য আরও কিছুটা সময় দেওয়া হোক। দ্রুত শুনানির আবেদনও জানান তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য শুনে দুই বিচারপতি বলেন, ওই রায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ দিয়েছিল তাই এভাবে শোনা যাবে না। পাশাপাশি রাজীবের আইনজীবীকে নিয়ম মেনে আদালতের রেজিস্ট্রারের কাছে মামলা নথিভুক্ত করাতে বলে আদালত। এনডিটিভি

আগের দিন রায় ঘোষণা করে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে যে রক্ষা কবচ দেওয়া হয়েছিল তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সিবিআইকে আইন মেনে কাজ করার নির্দেশ দেয় আদালত। রাজীবকে বলা হয় আইনি ব্যবস্থা করতে সাত দিন সময় পাবেন তিনি। সেই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এবার সময়সীমা বাড়াতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি। সারদা চিটফান্ড কা-ে তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ নষ্টের অভিযোগ এনেছে সিবিআই। তাঁকে গ্রেফতার করতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই।

রাজীবকে প্রধান করে সারদা মামলায় বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। তখন বিধাননগর কমিশনারেটের কমিশনার ছিলেন রাজীব।

শেষমেশ বাড়ি গিয়ে তাঁকে জেলা করার পরিকল্পনা করে সিবিআই। তখন কলকাতার পুলিশ কমিশনার হিসেবে সরকারি বাসভবনেই থাকতেন রাজীব। সেখানে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা পৌঁছতেই পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নয়। কোনও অবস্থাতেই রাজীবের সঙ্গে সিবিআইয়ের আধিকারিকদের দেখা করতে দিতে রাজি হন না কলকাতা পুলিশের কর্মীরা। গোলমাল বাড়তে থাকায় সিবিআই আধিকারিকদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। একইসঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা দীর্ঘ ৭০ ঘন্টা ধর্মতলায় অবস্থান করেন। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়