শিরোনাম
◈ রোহিঙ্গা সংকটে পরিবেশ-অর্থনীতিতে বড় চাপ, বাড়ছে মাদক ও চোরাচালান: সেনাপ্রধান ◈ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল, পেলেন ২৫৫ ভোট ◈ ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব সরকারি কমিটি হালনাগাদের নির্দেশ ◈ সৌদি আরবের মক্কার আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ‘রাজনৈতিক বার্তা দিতেই অংশগ্রহণ’, বললেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ◈ কলকাতার আগুনে প্রাণহানি: ‘যা যা করার আছে, নিশ্চয়ই করব’ ◈ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন: ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আসছে নতুন বিধান ◈ পেছনের পর এবার সামনেও নম্বর প্লেট, মোটরসাইকেলে আসছে নতুন নিয়ম ◈ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট, সংসদে ভোট দিলেন তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল ◈ লা লিগায় দারুণ সূচনা  অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৫১ দুপুর
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবার সুপ্রিম কোর্টে কোলকাতার পুলিশ প্রধান রাজীব

শেখ নাঈমা জাবীন : আবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার। তাঁর গ্রেফতারির উপর থাকা রক্ষা কবচ তুলে নিয়েছে শীর্ষ আদালত। সাত দিনের মধ্যে আগাম জামিনের করার সময়সীমা পেয়েছেন তিনি। সেই সময়সীমা বাড়াতে চেয়েই আদালতের স্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপধ্যায় এবং বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার অবসরকালীন বেঞ্চে তাঁর আইনজীবি বলেন আদালত সাত দিন সময় দিয়েছিলো। তার মধ্যে চার দিন অতিক্রান্ত। কিন্তু কলকাতায় আইনজীবীরা ধর্মঘট করেছেন বলে ওখানকার আদালতে আবেদন করা যাচ্ছে না। তাই আগাম জামিনের জন্য আরও কিছুটা সময় দেওয়া হোক। দ্রুত শুনানির আবেদনও জানান তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য শুনে দুই বিচারপতি বলেন, ওই রায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ দিয়েছিল তাই এভাবে শোনা যাবে না। পাশাপাশি রাজীবের আইনজীবীকে নিয়ম মেনে আদালতের রেজিস্ট্রারের কাছে মামলা নথিভুক্ত করাতে বলে আদালত। এনডিটিভি

আগের দিন রায় ঘোষণা করে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে যে রক্ষা কবচ দেওয়া হয়েছিল তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সিবিআইকে আইন মেনে কাজ করার নির্দেশ দেয় আদালত। রাজীবকে বলা হয় আইনি ব্যবস্থা করতে সাত দিন সময় পাবেন তিনি। সেই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এবার সময়সীমা বাড়াতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি। সারদা চিটফান্ড কা-ে তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ নষ্টের অভিযোগ এনেছে সিবিআই। তাঁকে গ্রেফতার করতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই।

রাজীবকে প্রধান করে সারদা মামলায় বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। তখন বিধাননগর কমিশনারেটের কমিশনার ছিলেন রাজীব।

শেষমেশ বাড়ি গিয়ে তাঁকে জেলা করার পরিকল্পনা করে সিবিআই। তখন কলকাতার পুলিশ কমিশনার হিসেবে সরকারি বাসভবনেই থাকতেন রাজীব। সেখানে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা পৌঁছতেই পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নয়। কোনও অবস্থাতেই রাজীবের সঙ্গে সিবিআইয়ের আধিকারিকদের দেখা করতে দিতে রাজি হন না কলকাতা পুলিশের কর্মীরা। গোলমাল বাড়তে থাকায় সিবিআই আধিকারিকদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। একইসঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা দীর্ঘ ৭০ ঘন্টা ধর্মতলায় অবস্থান করেন। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়