শিরোনাম
◈ ইলিয়াস আলী গুম: ধলেশ্বরীতে লাশ ফেলার চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচিত ◈ ইরানের সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে তীব্র সতর্কতা ◈ ওয়ান-ইলেভেনের তিন কুশীলব ডিবি হেফাজতে: মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে বেরোচ্ছে নতুন তথ্য ◈ জ্বালানি চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের ◈ দুই গোলে এগিয়ে থেকেও থাইল‌্যা‌ন্ডের কা‌ছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল ◈ তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ◈ ওকে লাথি মেরে বের করে দিন: নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে যুদ্ধে পাঠানোর দাবি স্টিভ ব্যাননের ◈ বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ: জ্বালানি সংকটে প্রথমে ফুরিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ! ◈ শিশুশিল্পী লুবাবার বিয়ে আইনত বৈধ কি না, বাল্যবিবাহের দায়ে কী শাস্তি হতে পারে?

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৫১ দুপুর
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ১১:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবার সুপ্রিম কোর্টে কোলকাতার পুলিশ প্রধান রাজীব

শেখ নাঈমা জাবীন : আবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার। তাঁর গ্রেফতারির উপর থাকা রক্ষা কবচ তুলে নিয়েছে শীর্ষ আদালত। সাত দিনের মধ্যে আগাম জামিনের করার সময়সীমা পেয়েছেন তিনি। সেই সময়সীমা বাড়াতে চেয়েই আদালতের স্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপধ্যায় এবং বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার অবসরকালীন বেঞ্চে তাঁর আইনজীবি বলেন আদালত সাত দিন সময় দিয়েছিলো। তার মধ্যে চার দিন অতিক্রান্ত। কিন্তু কলকাতায় আইনজীবীরা ধর্মঘট করেছেন বলে ওখানকার আদালতে আবেদন করা যাচ্ছে না। তাই আগাম জামিনের জন্য আরও কিছুটা সময় দেওয়া হোক। দ্রুত শুনানির আবেদনও জানান তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য শুনে দুই বিচারপতি বলেন, ওই রায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ দিয়েছিল তাই এভাবে শোনা যাবে না। পাশাপাশি রাজীবের আইনজীবীকে নিয়ম মেনে আদালতের রেজিস্ট্রারের কাছে মামলা নথিভুক্ত করাতে বলে আদালত। এনডিটিভি

আগের দিন রায় ঘোষণা করে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে যে রক্ষা কবচ দেওয়া হয়েছিল তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সিবিআইকে আইন মেনে কাজ করার নির্দেশ দেয় আদালত। রাজীবকে বলা হয় আইনি ব্যবস্থা করতে সাত দিন সময় পাবেন তিনি। সেই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এবার সময়সীমা বাড়াতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি। সারদা চিটফান্ড কা-ে তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ নষ্টের অভিযোগ এনেছে সিবিআই। তাঁকে গ্রেফতার করতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই।

রাজীবকে প্রধান করে সারদা মামলায় বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। তখন বিধাননগর কমিশনারেটের কমিশনার ছিলেন রাজীব।

শেষমেশ বাড়ি গিয়ে তাঁকে জেলা করার পরিকল্পনা করে সিবিআই। তখন কলকাতার পুলিশ কমিশনার হিসেবে সরকারি বাসভবনেই থাকতেন রাজীব। সেখানে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা পৌঁছতেই পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নয়। কোনও অবস্থাতেই রাজীবের সঙ্গে সিবিআইয়ের আধিকারিকদের দেখা করতে দিতে রাজি হন না কলকাতা পুলিশের কর্মীরা। গোলমাল বাড়তে থাকায় সিবিআই আধিকারিকদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। একইসঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা দীর্ঘ ৭০ ঘন্টা ধর্মতলায় অবস্থান করেন। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়