শিরোনাম
◈ সরকারিভাবে এখন থেকে পালিত হবে ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ◈ ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি যৌতুক নয়, হাইকোর্টে খালাস পেলেন দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ◈ কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেগা প্রকল্প নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হোক পারস্পরিক মর্যাদা ও জনস্বার্থ: রিয়াজ হামিদুল্লাহ ◈ সোবহানার সেঞ্চুরি কা‌জে আস‌লো না, বাংলাদেশ নারী দল‌কে বড় ব‌্যবধা‌নে হা‌রি‌য়ে সি‌রিজ জিত‌লো অ‌স্ট্রেলিয়া ◈ ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি রেকর্ড ২১৯৩ জন ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাংচুর: ১ কোটি টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয়, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ হুতিরা কারা, কেন সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের লড়াই? ◈ টেস্ট ক্রিকে‌টে পেস বো‌লিং‌য়ে হাসান মাহমুদের নতুন অধ‌্যা‌য়ের সূচনা ◈ নেপালে আবারও আকস্মিক বন্যায় ৩৫ বাড়িঘর-সেতু বিধ্বস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র: নিরাপদে সরছেন বাসিন্দারা

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০১৯, ০৫:২০ সকাল
আপডেট : ২১ মে, ২০১৯, ০৫:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাপানী বলে কথা! সময়ের আগেই তিন সেতু নির্মাণ, সঙ্গে ৯০০ কোটি টাকা ফেরত

ডেস্ক রিপোর্ট : দীর্ঘ দুই যুগ পর বাংলাদেশে ঘটলো বিরল ঘটনা। সর্বশেষ ১৯৯৫ সালে নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্মিত হয়েছিল সেতু। ২০১৯ সালে এসে নির্ধারিত সময়ের এক মাস আগেই শেষ হচ্ছে কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতুর নির্মাণ কাজ। মূল চুক্তির প্রায় ১ মাস আগে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করেছে এই তিন সেতু নির্মাণকারী জাপানি প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে এই তিনটি সেতু নির্মাণে বরাদ্দের চেয়ে কম অর্থ খরচে কাজ শেষ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মো. নুরুজ্জামান বলেন, চুক্তি অনুযায়ী কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতুর মেয়াদ ছিল ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর মেঘনা ও গোমতীর মেয়াদ ছিল জুন-জুলাই ২০১৯ সাল পর্যন্ত। কিন্তু গুলশানে হলি আর্টিজান হামলার ঘটনার কারণে নির্মাণ কাজ ছয় মাস বন্ধ ছিল। তাই নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শেষ করতে ছয় মাস অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল। কিন্তু সেই ছয় মাস সময় তারা নেয়নি বরং মূল চুক্তির প্রায় ১ মাস আগে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

তিনি আরো বলেন, এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৫ সালে নির্ধারিত সময়ের আগে পুরাতন মেঘনা ও গোমতী সেতুর কাজ শেষ করা হয়েছিল। সে কাজগুলোও নিয়েছিল জাপানের কোম্পানিরা। ১৯৯৫ সালের পর এবারের কৃতিত্বটাও তাদেরই। শুধু তাই নয়, বরাদ্দকৃত অর্থের চেয়েও কম খরচ করেছেন তারা। এই প্রকল্প থেকে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, তিন সেতু নির্মাণ প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ৮ হাজার ৪৮৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে মেঘনা দ্বিতীয় সেতুর জন্য বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার মধ্যে এই সেতু নির্মাণ কাজ শেষ করেছে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো।

অন্যদিকে, গোমতী সেতুর জন্য দেয়া বরাদ্দ ২ হাজার ৪১০ কোটি টাকা থেকে ১ হাজার ৯৫০ কোটি টাকায় কাজ শেষ করেছে তারা।

এ ছাড়া কাঁচপুর সেতুর জন্য বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। তবে এই প্রকল্প শেষ করতে কত ব্যয় হয়েছে তা এখনও জানায়নি সেতু কর্তৃপক্ষ। সে হিসাবে এখন পর্যন্ত ৯৬০ কোটি টাকা নিশ্চিত সাশ্রয় হয়েছে।

এসব টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যাবে কিনা সে বিষয়ে নুরুজ্জামান বলেন, নতুন ও পুরাতন সেতুগুলো সংস্কার কাজ সম্পন্নের পরই সে বিষয়ে জানা যাবে। আলোকিত বাংলাদেশ

  • সর্বশেষ