প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৩০ কেজি কাতলের দাম ২৯ হাজার ৪০০ টাকা

বাংলা ট্রিবিউন : রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার মাছবাজারে ২৯ হাজার ৪০০ টাকায় একটি ৩০ কেজি ওজনের কাতল মাছ বিক্রি হয়েছে। শনিবার সকালে এক ব্যবসায়ী মাছটি পাইকারি দরে বিক্রি করেন। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা সংলগ্ন পদ্মানদী থেকে মাছটি ধরেন স্থানীয় জেলেরা।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, অনেক দিন পরে এত বড় কাতল মাছ বাজারে উঠেছে। ৩০ কেজি ওজনের কাতলটি নিয়ে আসেন মাছ ব্যবসায়ী তাজিম। তিনি কেজিতে এক হাজার টাকা করে দরে হাঁকান। ওই সময় মাছটি ঘিরে ক্রেতাসহ আশপাশের জনতার ভিড় জমে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে ছয়জন ক্রেতা ৯০০ টাকা কেজি দরে মাছটি কিনতে চান। পরে একজন ক্রেতা ৯৮০ টাকা কেজি দরে ২৯ হাজার ৪০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন।

সাহেববাজারের মাছ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছর ২৫ কেজি ওজনের একটি মাছ পাওয়া গিয়েছিল। শনিবার ৩০ কেজি ওজনের মাছটি বাজারে আসে। প্রতি বছর আমাদের কাছে এমন বড় ওজনের কিছু মাছ আসে। এমন বড় মাছ পাওয়া গেলে সাধারণত ঢাকায় চলে যায়। তবে মাঝে মধ্যে জেলেরা আমাদের এখানেও বোয়াল, বাঘা আইড়সহ বড় কার্প জাতীয় মাছ নিয়ে আসেন।’
এদিকে রমজানে স্থানীয় বাজারে আগের দরেই নদীর ও দেশি বিভিন্ন জাতের মাছ বিক্রি হচ্ছে।

রোববার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি রিঠা মাছ ৬০০ টাকা, শোল মাছ ৬৫০-৭০০ টাকা, বেলে ৫৫০ টাকা, জাপানি রুই ১৯০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১০০০ টাকা, টাকি ৩০০-৩৫০ টাকা, গুচি ৮০০ টাকা, কাতল ২৯০-৩৯০ টাকা, পুঁটি ১৮০ টাকা, বাটা ২০০ টাকা, পাবদা ৬০০-৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০-৮০০ টাকা, পিউলি ৫০০ টাকা, ময়া ৫৫০, মৃগেল ১৬০-২২০ টাকা, রুই ৩৫০-৪৯০ টাকা, চিতল ৬৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ টাকা, ফলি ৩০০ টাকা, বোয়াল ৮০০-১১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ কিনতে আসা রোকেয়া সুলতানা জানান, সব মাছের দাম আগের মতোই আছে। তবে নদী ও দেশি প্রজাতির মাছ কেনা এখন দায় হয়ে পড়েছে।

মাছ ব্যবসায়ী আইনুল হক জানান, দেশি প্রজাতির সকল মাছের দাম আগের মতোই আছে। এখন নদী জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ায় নদী ও দেশি প্রজাতির মাছের দাম একটু বেশি।

সম্পাদনা: অশোকেশ রায়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত