শিরোনাম
◈ সংসদে চার ইস্যুতে টানাপোড়েন, রাজপথেও কর্মসূচির ইঙ্গিত ◈ স্থানীয় নির্বাচন: এমপিদের সমন্বয়ে প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশ তারেক রহমানের ◈ দুই দিনের দুর্গম যাত্রা, গোপনে যেভাবে বাংলাদেশে ঢুকছেন রোহিঙ্গারা ◈ জর্ডানের বিমানঘাঁটিতে ইরানি হামলা, দুই মার্কিন সেনা নিহত ◈ স্বর্ণের দামে বড় উল্লম্ফনের আভাস ◈ পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনে বড় পদক্ষেপ, ১,৪০০ ইভি বাস আনছে সরকার ◈ আবারও বন্যার আশঙ্কা দেশের ৭ জেলায়  ◈ মসজিদুল হারামে নতুন প্রযুক্তি, যেসব সুবিধা পাবেন হাজিরা ◈ রোববার থেকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং-২৬’ ◈ কুয়েতে মার্কিন সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করল ইরান

প্রকাশিত : ০৯ মে, ২০১৯, ০৮:৫২ সকাল
আপডেট : ০৯ মে, ২০১৯, ০৮:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট খুবই প্রিয়

আমিন মুনশি : রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর নিকট খুবই প্রিয়। হাদিস শরিফে এসেছে, মেশকের সুঘ্রাণের চেয়েও আল্লাহর নিকট রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ অধিক প্রিয়। (বোখারি : ১৮০৫) এ হাদিসটির ফলে একদল আলেম মনে করেন, দিবসের শেষে মুখের দুর্গন্ধ যাতে দূর না হয় তাই মেসওয়াক করা মাকরূহ। দীর্ঘক্ষণ অভুক্ত থাকার ফলে দিবসের শেষান্তে রোজাদারের মুখ দুর্গন্ধে ভরে যায়।

রোজাদারের ক্ষেত্রে মেসওয়াকের মাসআলায় উলামাগণ বিভক্ত হয়ে পড়েছেন, কেউ মনে করেন- শর্তহীনভাবেই রোজাদার ব্যক্তি মেসওয়াক করতে পারবেন। কেউ বলেন, সূর্য হেলে পড়ার পর মেসওয়াক করা মাকরূহ, এর পূর্বে মোস্তাহাব। কেউ বলেন, কেবল আসরের পরই মেসওয়াক করা মাকরূহ হবে, অন্য সময় নয়। অপর কতক ওলামার মত এই যে, বিষয়টিকে ফরজ ও নফলের ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে দেখা হবে। রোজা যদি ফরজ হয়, তবে সূর্য হেলে পড়ার পর হবে মাকরূহ, নফলের ক্ষেত্রে মাকরূহ হবে না। কারণ, এ পদ্ধতিটিই রিয়া হতে অধিক মুক্ত। প্রথম মতটিই অধিক যুক্তিযুক্ত। (দ্র : ইবনে আব্দুল বার রচিত তামহিদ ১৯/৫৭, আইনি রচিত উমদাতুল ক্বারী ১৬/৩৮৪)

উল্লেখিত হাদিসটির অর্থ হচ্ছে, রোজাদারের মুখের এ গন্ধ, যাকে তোমরা দুর্গন্ধ বলে অবহিত করি, আল্লাহ তাআলার নিকট মেশকের চেয়েই উত্তম, ভালো ও প্রিয়—যাকে তোমরা সুগন্ধি বল। কারণ, এ গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে তার ইবাদত পালন ও আল্লাহ তাআলার হুকুমের অনুবর্তী হওয়ার ফলে। মুখের গন্ধ মৌলিকভাবে প্রিয় ও ভালো নয়, এবং তা দূর করার ব্যাপারে বান্দার উপর কোন নিষেধাজ্ঞাও নেই। ভেজা ও শুকনো মেসওয়াকের মাঝে রাসুল পার্থক্য করেছেন, এমন কোন প্রমাণ আমরা পাই না। তাই, সালাফের অধিকাংশই এ দুয়ের মাঝে পার্থক্য করতেন না। ইবনে সীরীনের নিকট আগমনকারী জনৈক ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন : ...এতে কোন অসুবিধা নেই, এ কেবল খেজুরের ডাল, এর স্বাদ রয়েছে। যেমন স্বাদ রয়েছে পানির, অথচ তা দিয়ে তুমি কুলি কর। (ইবনে আবি শায়বা : ৯১৭১)

ইবনে উলয়া বলেন, রোজাদার কিংবা পানাহারকারী—উভয়ের জন্যই মেসওয়াক করা সুন্নত। শুকনো কিংবা ভেজা মেসওয়াক— দুটোই এ ক্ষেত্রে বরাবর। (ইবনে আব্দুল বার : তামহিদ ৭/১৯৯)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়