শিরোনাম
◈ এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ◈ বাজেট পারফেক্ট নয়, অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে আরও দুই বছর প্রয়োজন: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ◈ একজনের প্রেমিকাকে ধর্ষণ করলেন তিন বন্ধু মিলে ◈ বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব করতে নতুন মাস্টারপ্ল্যান, বছর শেষে থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন ◈ জামিন পেলেন মীর শাহে আলমকে নিয়ে ‘ভুল বোঝাবুঝির’ মামলায় গ্রেপ্তার সম্পাদক রেজানুর ইসলাম ◈ হুহু করে বাড়ছে তিস্তার পানি, বিপৎসীমার দ্বারপ্রান্তে নদী: খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ জলকপাট, বন্যার শঙ্কায় পাঁচ জেলা ◈ প্রথম বিদেশ সফরে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের খোঁজে চীন-মালয়েশিয়ার দিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নজর ◈ মারা গেছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন ◈ শেখ হাসিনার দে‌শে ফিরে আসার জল্পনা থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন ◈ নামজারির ফাইলে গোপন সংকেতে দ্রুত সেবা, ঘুষ না দিলে বাতিল আবেদন! মিরসরাই ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত : ২৮ এপ্রিল, ২০১৯, ০৩:৩৫ রাত
আপডেট : ২৮ এপ্রিল, ২০১৯, ০৩:৩৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রেসক্লাবে জানাজা শেষে বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে সমাহিত হবেন মাহফুজ উল্লাহ

আহমেদ শাহেদ : ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া বর্ষীয়ান সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। শনিবার দিনগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। মাহফুজ উল্লাহর বড় বোনের ছেলে শাহদাত রায়হান কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাতে তার মোহাম্মদপুরের বাসায় মরদেহ সংরক্ষণের পর তার প্রথম জানাজা রোববার জোহরের নামাজের পর গ্রিনরোড ডরমিটরি মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে আসরের নামাজের পর জাতীয় প্রেস ক্লাবে। এরপর মরহুমের ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে (ব্যাংকক সময় ১১টা ৫ মিনিট) ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কার্ডিয়াক সমস্যার কারণে গত ২ এপ্রিল ৬৯ বছর বয়সী মাহফুজ উল্লাহকে দেশের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তার ফুসফুসে পানি জমে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১০ এপ্রিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমানে তাকে ব্যাংককে নেয়া হয়।

তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের থিংকট্যাংকের অন্যতম একজন ছিলেন। ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতি করতেন। ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্র অবস্থায় সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন। ১৯৭২ সাল থেকে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় কাজ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭২ সালে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ও ১৯৭৪ সালে সাংবাদিকতায় পুনরায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসে কাজ করেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করেন। তিনি সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট নামে একটি পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

গত বছরের নভেম্বরে মাহফুজ উল্লাহ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবনীগ্রন্থ লেখেন, যার নাম ‘বেগম খালেদা জিয়া: হার লাইফ হার স্টোরি’। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে তিনি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৫০টির বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়া: রাজনৈতিক জীবনী, যাদুর লাউ, যে কথা বলতে চাই, অভ্যুত্থানের ঊনসত্তর, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন: গৌরবের দিনলিপি (১৯৫২-৭১), উলফা অ্যান্ড দ্য ইনসারজেন্সি ইন আসাম।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়