শিরোনাম
◈ জনসভা ছাড়িয়ে নিউজফিড: কেন সামাজিক মাধ্যমই এবারের নির্বাচনের মূল ময়দান ◈ উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই, বেকারত্ব দূর করবো: ডা. শফিকুর রহমান ◈ বিএনপি চাইলে ঢাকা শহরে জামায়াতের কোনো প্রার্থীই রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক হোসেন ◈ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইসির ◈ এক সপ্তাহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ◈ নতুন পে-স্কেল, রাজস্ব ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি: পরবর্তী সরকার আর্থিক চাপে পড়বে ◈ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির, নিরপেক্ষ কমিটিতে দাবি পাঠানোর অনু‌রোধ ◈ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দুশ্চিন্তায় জোট শরিকরা ◈ পিনাকী ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০১৯, ০৬:৫১ সকাল
আপডেট : ২২ এপ্রিল, ২০১৯, ০৬:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরকারের জ্বালানি সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর অস্বচ্ছতার ফলে চীনা কোম্পানিগুলো প্রকল্প লাভে মরিয়া, বললেন আনু মোহাম্মদ

কেএম নাহিদ : বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে দেশটির দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এনপিপি নির্মাণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে কয়েকটি চীনা কোম্পানি। প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য দুটি চীনা কোম্পানি দংফেং ইলেকট্রিক কর্পোরেশন (ডিইসি) ও চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিএসসিইসি) ইতোমধ্যে বাংলাদেশ এটমিক এনার্জি কমিশনে নেয়ার তৎপরতা চাচ্ছে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গুয়াংডং নিউক্লিয়ার পাওয়ার গ্রুপসহ আরো কয়েকটি চীনা কোম্পানি দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছে। চলতি বছরের জুনের দিকে এই কেন্দ্রের জন্য স্থান নির্বাচন করা হতে পারে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন জানান যে তারা স্থান নির্বাচনের সময় আরো ছয় মাস বাড়াতে পারেন। সাউথ এশিয়া মনিটর

এ প্রসঙ্গে তেল, গ্যাস, খনিজসম্পদ, বিদ্যুৎ ও বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আনু মোহাম্মদ বলেন, দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের ব্যাপারে চীনা কোম্পানির আগ্রহ প্রকাশে অবাক হওয়ার কিছু নেই। সরকার যেহেতু জ্বালানি সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোতে তেমন স্বচ্ছতা রক্ষা করে না তাই অনেক চীনা কোম্পানি পেছনের দরজা দিয়ে প্রকল্প লাভের চেষ্টা করছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন জানান, দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ব্যাপারে চীনাদের আগ্রহ সম্পর্কে তার কিছু জানা নেই। তিনি বলেন, হয়তো প্রকল্প একটি সুনির্দিষ্ট রূপ নেয়ার আগ পর্যন্ত এটমিক এনার্জি কমিশন অপেক্ষা করবে।

কর্মকর্তারা বলছেন যে পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার জন্য সরকার উপক‚লীয় এলাকায় দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করতে চাচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লি শীতল রাখার জন্য প্রতিদিন সন্নিহিত পদ্মা নদী থেকে ১,৭৫০ ঘনমিটার পানি টেনে আনা হবে। ২,০০০ মেগাওয়াটা বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন প্রস্তাবিত কেন্দ্রটি নির্মাণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে এটমিক এনার্জি কমিশন জাপানের এটমিক এনার্জি এজেন্সিকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়