শিরোনাম
◈ বিশ্বের ধনীতমদের একজন, বিলাসবহুল প্রাসাদ নয়, ছোট্ট ঘরেই থাকেন ইলন মাস্ক, কারণ কী? ◈ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ এখন বাংলাদেশ, বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ রাশিয়া ◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! ◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন! ◈ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের ১১ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ◈ গণমাধ্যম এখন বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ◈ আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত? যা জানাগেল ◈ এবার পরিবর্তন হচ্ছে যে উপজেলার নাম ◈ ফজরের নামাজের সময় খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ ◈ ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে’, রামিসা হত্যা মামলায় হাইকোর্টে প্রধান আসামির দাবি

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল, ২০১৯, ০৩:২১ রাত
আপডেট : ১৪ এপ্রিল, ২০১৯, ০৩:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলা নববর্ষ আমরা প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে পেয়েছি, বললেন যতীন সরকার

জুয়েল খান : পাকিস্তান আমলে নববর্ষকে হিন্দুদের উৎসব এবং ভারতীয় আগ্রাসন মনে করা হতো। তখন বাঙালিরা অন্যভাবে সচেতন হয়ে রবীন্দ্রনাথ যেভাবে শান্তি নিকেতনে নববর্ষ পালন করতো ঠিক সেই রকম নববর্ষ পালনের ব্যবস্থা আমদের এখানেও হয়, বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ যতীন সরকার
তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির একটি বিশেষ দিন। এই বিশেষ দিনটাকে অতীতে যেভাবে পালন করা হতো এখন সেভাবে পালন করা হয় না। নববর্ষ এমন একটা আনন্দেন দিন ছিলো, যেদিন সবাই মিলে ভালো খাবার খাওয়া এবং ভালো কাপড় পরিধান করার একটা রেওয়াজ ছিলো। এদিনে মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা, কাউকে কষ্ট না দেয়া, সবাই মিলেমিশে থাকা ইত্যাদি।

অতীতে পহেলা বৈশাখে গৃহপালিত পশুকে গোসল করানো, বাড়িঘর পরিষ্কার করা ইত্যাদি কাজ নববর্ষ উপলক্ষে চৈত্র সংক্রান্তি থেকে করা হতো এবং কোনো কোনো জায়গায় বৈশাখী মেলা হতো।

তিনি আরো বলেন, ১৯৬৫ সালে রমনার বটমূলে ছায়ানট প্রথম এই ধরনের অনুষ্ঠান করে। তারপর থেকে এটা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়লো। স্বাধীনতার পর থেকে নববর্ষের শোভাযাত্রা শুরু হয় এবং সেটা খুবই বড় পরিসরে। বাঙালির নববর্ষ, পশ্চিমবঙ্গেও বাঙালি আছে, কিন্তু আমরা যেভাবে নববর্ষ পালন করি তারা সেভাবে পালন করে না, তার কারণ হচ্ছে আমরা নববর্ষ পেয়েছি প্রতিবাদের অংশ হিসেবে সংগ্রামের ভেতর দিয়ে। সুতরাং বাংলা নববর্ষের গুরুত্ব আমাদের কাছে যতোটা, পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কাছে ততোটা নয়।

পৃথিবীর যেখানেই বাঙালি আছে সেখানেই তারা নববর্ষ পালন করে থাকে এভাবে বাংলা নববর্ষ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে। নববর্ষ পালনের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হই। আর এই বৈশাখেই রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালিত হতো শান্তি নিকেতনে। শান্তি নিকেতনে গ্রীষ্মের ছুটি হয়ে যেতো। তখন ২৫ বৈশাখের পরিবর্তে পহেলা বৈশাখেই রবিন্দ্রনাথের জন্মদিন পালিত হতো। সুতরাং বৈশাখ আর রবীন্দ্রনাথ আমাদের কাছে একই সূত্রে গাঁথা। তাই পহেলা বৈশাখে রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে আমরা পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান শুরু করি এবং বৈশাখ মাসকেই আমরা রবীন্দ্রমাস হিসেবে পালন করি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়