শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে ধোঁয়া ◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল, ২০১৯, ০৩:২১ রাত
আপডেট : ১৪ এপ্রিল, ২০১৯, ০৩:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলা নববর্ষ আমরা প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে পেয়েছি, বললেন যতীন সরকার

জুয়েল খান : পাকিস্তান আমলে নববর্ষকে হিন্দুদের উৎসব এবং ভারতীয় আগ্রাসন মনে করা হতো। তখন বাঙালিরা অন্যভাবে সচেতন হয়ে রবীন্দ্রনাথ যেভাবে শান্তি নিকেতনে নববর্ষ পালন করতো ঠিক সেই রকম নববর্ষ পালনের ব্যবস্থা আমদের এখানেও হয়, বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ যতীন সরকার
তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির একটি বিশেষ দিন। এই বিশেষ দিনটাকে অতীতে যেভাবে পালন করা হতো এখন সেভাবে পালন করা হয় না। নববর্ষ এমন একটা আনন্দেন দিন ছিলো, যেদিন সবাই মিলে ভালো খাবার খাওয়া এবং ভালো কাপড় পরিধান করার একটা রেওয়াজ ছিলো। এদিনে মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা, কাউকে কষ্ট না দেয়া, সবাই মিলেমিশে থাকা ইত্যাদি।

অতীতে পহেলা বৈশাখে গৃহপালিত পশুকে গোসল করানো, বাড়িঘর পরিষ্কার করা ইত্যাদি কাজ নববর্ষ উপলক্ষে চৈত্র সংক্রান্তি থেকে করা হতো এবং কোনো কোনো জায়গায় বৈশাখী মেলা হতো।

তিনি আরো বলেন, ১৯৬৫ সালে রমনার বটমূলে ছায়ানট প্রথম এই ধরনের অনুষ্ঠান করে। তারপর থেকে এটা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়লো। স্বাধীনতার পর থেকে নববর্ষের শোভাযাত্রা শুরু হয় এবং সেটা খুবই বড় পরিসরে। বাঙালির নববর্ষ, পশ্চিমবঙ্গেও বাঙালি আছে, কিন্তু আমরা যেভাবে নববর্ষ পালন করি তারা সেভাবে পালন করে না, তার কারণ হচ্ছে আমরা নববর্ষ পেয়েছি প্রতিবাদের অংশ হিসেবে সংগ্রামের ভেতর দিয়ে। সুতরাং বাংলা নববর্ষের গুরুত্ব আমাদের কাছে যতোটা, পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কাছে ততোটা নয়।

পৃথিবীর যেখানেই বাঙালি আছে সেখানেই তারা নববর্ষ পালন করে থাকে এভাবে বাংলা নববর্ষ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে। নববর্ষ পালনের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হই। আর এই বৈশাখেই রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালিত হতো শান্তি নিকেতনে। শান্তি নিকেতনে গ্রীষ্মের ছুটি হয়ে যেতো। তখন ২৫ বৈশাখের পরিবর্তে পহেলা বৈশাখেই রবিন্দ্রনাথের জন্মদিন পালিত হতো। সুতরাং বৈশাখ আর রবীন্দ্রনাথ আমাদের কাছে একই সূত্রে গাঁথা। তাই পহেলা বৈশাখে রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে আমরা পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান শুরু করি এবং বৈশাখ মাসকেই আমরা রবীন্দ্রমাস হিসেবে পালন করি।

  • সর্বশেষ