এইচ এম জামাল: কিং আবদুল আজিজ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে একটি পরমাণু চুল্লি বানিয়েছে সৌদি আরব। ‘গুগল আর্থ’-এর উপগ্রহ চিত্রে সম্প্রতি তা ধরা পড়েছে। এরপর তা জানতে পরেছে পরমাণু শক্তি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ)। আনন্দবাজার পত্রিকা
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রিয়াদে তড়িঘড়ি পরিদর্শক পাঠানোর দাবি উঠেছে মার্কিন কংগ্রেসে। গুগল আর্থ’-এর উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে, ওই পরমাণু চুল্লি বানানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছে দেয়ার জন্য একটি বড় মাপের ‘ভেসেল’বা পাত্রও বানানো হয়েছে।
ভেসেলটি বানিয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রয়াত্ব সংস্থা ‘ইনভ্যাপ সে’। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো পরমাণু চুল্লি চাইলেই ১/২ দিনের মধ্যে বানিয়ে ফেলা যায় না। প্রস্তুতি ও নির্মাণ কাজ নিয়ে অন্তত ৫/৭ বছর সময় লাগে। তাই আইএইএ-র এক প্রাক্তন কর্মকর্তার মন্তব্য, এ ব্যাপারে এত দিন অন্ধকারেই ছিল আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধায়ক সংস্থাটি। এদিকে নির্মাণাধীন পরমাণু চুল্লির ছবি প্রকাশ করার পর থেকেই আলোড়ন শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।
অবশ্য সৌদি আরবের শক্তি মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘গবেষণা ও শিক্ষামূলক কাজের জন্য ওই পরমাণু চুল্লি বানানো হচ্ছে। কিন্তু গবেষণা ও শিক্ষামূলক কাজের জন্য পরমাণু চুল্লি চালাতে ইউরেনিয়ামের মতো পারমাণবিক জ্বালানির প্রয়োজন হয় না। সে ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে সৌদি তার গোপন ইউরেনিয়াম খনিকে কাজে লাগাচ্ছে জ্বালানির প্রয়োজন মেটানোর জন্য? নাকি গোপনে অন্য কোনও দেশ থেকে ইউরেনিয়াম কেনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে?