শিরোনাম
◈ দেশেই উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ায় মিলল পেটেন্ট, বদলে যেতে পারে দেশের কৃষি অর্থনীত ◈ বৃহস্পতিবার মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রেখে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের ◈ ইসরাইলকে বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ প্রবীণদের সুস্থ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার: ১৯ নভেম্বর আইসিজের ঐতিহাসিক রায় ◈ রাশেদ খাঁনের বক্তব্যের গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কিত অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন রণধীর জয়সওয়াল ◈ আবেদনের চেয়েও ১ কোটি টাকা বেশি: বড়দিনে ৩ কোটি টাকা অনুদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ কারাগারে বসেই আয়, পরিবারের কাছেও টাকা পাঠাচ্ছেন বন্দিরা ◈ দালাল ছাড়াই বিনা খরচে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতালি যাওয়ার সুযোগ

প্রকাশিত : ০২ মার্চ, ২০১৯, ০৭:৪৪ সকাল
আপডেট : ০২ মার্চ, ২০১৯, ০৭:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পথে পথে চাঁদাবাজি ও হয়রানিতে আনারসের ন্যায্য দাম দিতে পাচ্ছেন না রাঙামাটির ব্যবসায়ীরা 

নুর নাহার :  আগাম আনারসে ভরপুর হয়ে উঠেছে রাঙ্গামাটির বাজার। তবে তুলনামুলক কম দাম পাচ্ছেন বলে অভিযোগ চাষীদের। পথে পথে চাঁদাবাজি ও হয়রানির কারণে দাম কম দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি।
সাধারণত আনারসের মৌসুম শুরু হয় বছরের মাঝামাঝি সময়ে। কিন্তু মৌসুম শুরুর ৪-৫ মাস আগেই বাজারে আসতে শুরু করেছে আনারস। বর্তমানে আগাম আনারসে ভরপুর বাজার।

একসময় আগাম জাতের হানিকুইন আনারসের বেশ দাম পেয়েছিলেন চাষীরা। কিন্তু বর্তমানে দাম কমে গেছে বলে জানান তারা। আনারস ব্যবসায়ীরা বলেন, অনেক বড় বড় আনারস ৪/৫ টাকা দাম। আমরা মনে করছি দাম বাড়বে কিন্তু এখন দেখি দাম নাই।

তবে পথে পথে চাঁদা দিতে হয় বলে চাষীদের ন্যায্য দাম দিতে পারে না বলে স্বীকার করলেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলেন, পুলিশরা চাঁদাবাজি করছে, ব্যবসায়ীদের নির্যাতন করছে।

মৌসুম ছাড়াও চাষীদের আয়ের উৎস তৈরি হয় এসব আগাম ফল দিয়ে। এর জন্য কৃষিবিভাগও দিচ্ছে প্রযুক্তিগত সহায়তা।
রাঙামাটি কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক, পবন কুমার চাকমা বলেন, কৃষকদের সারা বছর আনারস চাষের জন্য যে প্রযুক্তি তা তাদের দেয়া আছে। সেই প্রযুক্তির কারণেই তারা দেড় বছরের ফসল ১ বছরেই পেয়ে যাচ্ছে।

চলতি বছর ১৭হাজার হেক্টর জমিতে আনারস চাষ করা হয়েছে। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার মেট্টিক টন।

  • সর্বশেষ