প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এ্যানী বললেন, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ইতিবাচক, তবে ক্যাম্পাসের পরিবেশ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে

শাহানুজ্জামান টিটু : বিএনপির নীতিনির্ধারণী সভায় ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। দলের নেতার মনে করেন নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ভীতিমুক্ত এবং সব ছাত্রসংগঠনের অবাধ সহাবস্থান তৈরিতে ব্যর্থ হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আট দফা প্রস্তাবনা বা সুপারিশ দেয়া হয়েছে। সরকার সর্মথক শিক্ষকদের দিয়ে একপাক্ষিকভাবে দুটি কমিটি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ারও অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতারা।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী বলেন, এখন পর্যন্ত নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে এ ধরণের কোনো পরিবেশ আমরা দেখছি না। আমরা শেষ মূর্হুত পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। আমরা আশা করছি ওনারা আমাদের ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যে দাবিগুলো পেশ করেছে তা মেনে নেবেন।

বিএনপির এই নেতা জানান, আমরা দেখলাম, আচারণ বিধি প্রনয়ণ ও নির্বাচনে রির্টানিং কমকর্তা নিয়োগ সংক্রান্ত শিক্ষকদের নিয়ে দুটি কমিটি করা হয়েছে। এই দুটি কমিটি যারা সরকার সর্মথিত শিক্ষকদের দিয়ে এক পক্ষিও ভাবে করা হয়েছে। সুতরাং সেখানেও একটা নিরপেক্ষতার ব্যাপার আছে। দুই একদিনের মধ্যে ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ আবার সেখানে যাবে। তখন তারা আরো কথা বলে আসবে

তিনি বলেন, ডাকসু নিবার্চন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ করতে আমাদের পক্ষ থেকে আট দফা প্রস্তাবনা বা সুপারিশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দিয়েছি। তারা যদি এই আট দফা মেনে নেয় তাহলে নির্বাচনের একটা পরিবেশ তৈরি হবে এবং সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, এটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ছাত্রসংগঠনগুলোর কয়েকটা মিটিংও হয়েছে। সেখানে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরেছে। এখন পর্যন্ত কতৃপক্ষ আমাদেরকে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি যে আমাদের সুপারিশগুলো তারা মেনে নিয়েছে।

এ্যানী বলেন, এমন একটা পরিস্থিতিতে যখন ১১ মার্চ নিবার্চন ঘোষণা করা হলো সেই মূর্হুতে আমাদের পার্টি ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করছি। কিন্তু প্রশাসন থেকে আমরা এখনো পর্যন্ত সেই ধরণের সহযোগিতা পাচ্ছি না। আমরা চেষ্টা করছি যে একটা ভালো পরিবেশ বজায় থাকে। আর ভালো পরিবেশ যদি সৃষ্টি হয়। তাহলে আমরা পজেটিভ চিন্তা থেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। আর যদি তা না হয় তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেবো কি করা যায়।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা আশা করছি বিশ্ববিদ্যায়লয় কতৃপক্ষ একটা স্থিতিশীল ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করবে এবং ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন। সবার ছাত্রত্ব অনেক সময় নিয়মিত থাকে না। কেউ নিয়মিত কেউ অনিয়মিত আছে সেগুলো কর্তৃপক্ষ বলুক। কারা কারা নির্বাচন করতে পারবে যখন একটা ভোটার লিস্ট আসবে। তখন আমরা বুঝতে পারবো কারা নির্বাচন অংশগ্রহণ করতে পারবে । সে অনুযায়ী আমরা তখন সিদ্ধান্ত নিতে পারবো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত