শিরোনাম
◈ সাড়ে ৬ লাখ জেলে পরিবারকে ‘বড় সুখবর’ দিলো সরকার ◈ আসছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টানা ছুটি, সর্বোচ্চ ১৬ দিন ◈ ফুটপাত উন্মুক্ত করা হবে, দখল হলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএনসিসি প্রশাসক ◈ হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৫২ ◈ শাহজালালে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে ◈ ‘ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না’—শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ত্রিবেদী ◈ বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আসছে : আইনমন্ত্রী ◈ সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগের অধিকার, কার্যকর নতুন আইন ◈ মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে ফুটপাত দখলমুক্ত, স্বস্তিতে পথচারী (ভিডিও) ◈ তুরস্ককে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম, ডি ব্রুইনার জোড়া গোল

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৪:৪৪ সকাল
আপডেট : ২৯ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৪:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কালাছড়া বনের টিলা কেটে আনারস-লেবু বাগান করেছেন বন ভিলেজার

সাদিকুর রহমান সামু, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সিলেট বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কালাছড়া বনে চলছে সংরক্ষিত টিলা এবং গাছগাছালি কেটে লেবু-আনারস বাগান চাষের মহোৎসব। স্থানীয় প্রভাবশালী বন ভিলেজার আব্দুর জব্বার একাই দখল করে নিয়েছেন বেশকটি পাহাড়ি টিলা। পাশাপাশি তার মেয়ের জামাইসহ তার নিকট আত্বীয়স্বজন দখল করেছেন আরো কয়েকটি টিলা। দখলকৃত পাহাড়ি ওই টিলা দখল করে টিলা কেটে আনারস-লেবু বাগান করা হচ্ছে। অবৈধভাবে সংরক্ষিত বনের পাহাড়ি টিলা দখল করার পর টিলা কেটে আনারস-লেবু বাগান করার পাশাপাশি অনেক ভিলেজার সেখানে গড়ে তুলেছেন বসতিও।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গত রোববার সকালে স্থানীয় বন বিভাগ নিরীহ অসহায় বন ভিলেজার খুন্ডা উড়াং, উত্তম উড়াং ও রশিদ মিয়ার মাথার গোজার শেষ সম্ভল বসত ঘর ভেঙ্গে মাটির সাথে মিশিয়ে দিলেও রহস্যজনক কারনে বন বিভাগ প্রভাবশালী বন ভিলেজারদের অবৈধ আনারস ও লেবু বাগান উচ্ছদ বা দখল মুক্ত করেনি। অভিযোগ রয়েছে প্রভাবশালী বন ভিলেজার আব্দুর জব্বার সংরক্ষিত বনের টিলা দখল করে আনারস ও লেবু বাগান করার পাশাপাশি বসতি স্থাপন করে বসতঘর ভাড়া দিয়েছেন।

জানা গেছে, কালাছড়া বনে স্থানীয় কয়েকটি পরিবার কয়েক যুগ ধরে বনের পাহাড়ি টিলাভূমিতে বসবাস করছে। তারা ফরেস্ট ভিলেজার হিসাবে বনভূমি দেখাশুনা করার জন্য বন বিভাগের কাছ থেকে দুই কিয়ার, আড়াই কিয়ার হারে ভূমি বরাদ্ধ নেয়। এসব ভূমির সাথে পর্যায়ক্রমে নতুন নতুন পাহাড়িটিলা ভূমি দখলে নিয়ে প্রায় শতাধিক একর উঁচুনিচু পাহাড়ি টিলা ভূমিতে বিভিন্ন ধরনের বাগানসহ নতুন নতুন বাড়িঘর গড়ে তুলছেন। এসব টিলার বনজঙ্গল ও গাছগাছালি কেটে চাষাবাদের জন্য সম্পূর্ণ সাবাড় করা হচ্ছে সংরক্ষিত বনের বিভিন্ন প্রজাতির মুল্যবান গাছগাছালি।

সংরক্ষিত বনের পাহাড়ি টিলাভূমি দখল বিষয়ে গত বছরের ১৬ আগস্ট এলাকাবাসী বন্যপাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। বন্যপ্রাণী ব্যবস্থপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন বলেন, সংরক্ষিত বনের অবৈধ স্থাপনা এবং আনারস লেবু বাগান উচ্ছেদ চলছে। যে যতই প্রভাবশালী হোক না কেন কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ