প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধান দু’দলই প্রচারণায় তৎপর

দেবদুলাল মুন্না: ঢাকার রাস্তায় সুইটি নামের এক নারী রিকশাচালককে মারছে, এমন একটি ভিডিও ফেসবুকের মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর আওয়ামী লীগ দল থেকে তাকে বহিস্কার করেছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি অধ্যাপক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন ১০ ডিসেম্বর একটা পোস্ট দেন ‘নৌকায় ভোট দিন গুনে গুনে লাশ নিন।’ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এভাবে রাজনৈতিকদলগুলো বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন নিজেদের পক্ষে।

অনেকে কোন জোট সরকার গঠন করবে কতো আসন পাবে এরকম ভবিষ্যতবাণীও করছেন। প্রধান দু’দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তাদের স্ব স্ব নির্বাচনী প্রতীকের সমর্থনে বিভিন্ন ধরণের গানের অডিও এবং ভিডিও ফেসবুক এবং ইউটিউবে পোস্ট করছে। এমনকি ক্রিকেটার, সিনে তারকারাও পর্যন্ত কোনো কোনো দলের পক্ষে সরাসরি মত দিচ্ছেন। এসব ভিডিও এখন ইউটিউবে প্রচুর।

লেখক ও অধ্যাপক আফসান চৌধুরী বিবিসিকে বলেন, ‘মূলধারার গণমাধ্যম কিছুটা হলেও পরিষ্কার করে বা এডিট করে প্রকাশ করে। কিন্তু সামাজিক গণমাধ্যমের অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা যেটা- সেটা হচ্ছে যে, যা খুশি তাই বলতে পারে। এমনিতেই আমাদের দেশের রাজনীতিতো সাংঘর্ষিক। সেই পটভূমিতে সামাজিক মাধ্যম এটাকে আরও সাংঘর্ষিক করে তোলে।’ দ্য ডেইলী স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বিবিসিকে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমতো অনেক বেশি ব্যাপক। কিন্তু মূলধারার গণমাধ্যমে ঐতিহাসিকভাবে দুইটা জিনিস থাকে। একটা হচ্ছে স্বাধীনতা আরেকটি দায়িত্ববোধ।সামাজিক মাধ্যম স্বাধীনতার ক্ষেত্রে ব্যাপক একটা বিষয় কিন্তু দায়িত্ববোধের ক্ষেত্রে তাদের চরম দূর্বলতা।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন,‘ আমরা শুধু চাই, গুজব বা মিথ্যা তথ্য যা প্রচার হয়, তার ওপর যেন নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং আমরা সেটাকে প্রতিহত করার জন্য আমাদের প্রচারণা চালাতে একটা নির্দিষ্ট সেল তৈরি করেছি।’

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমাদের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও স্বাধীন নয়। সেই ক্ষেত্রে নির্বাচনে ফেসবুক খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সেক্ষেত্রে বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার, অঙ্গীকারসহ রাজনৈতিক সব বক্তব্য ফেসবুক, টুইটারের মাধ্যমে তুলে ধরছে।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত