শিরোনাম
◈ নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলার তৎপরতা পর্যাপ্ত নয়: আসিফ মাহমুদ ◈ শরিয়াহ আইনের দিকে যাবে না জামায়াত, অবস্থান বদল নাকি ভোটের কৌশল? ◈ রাষ্ট্রের কাছে যা চাইলেন শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী ◈ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে ইরান ও ইসরাইলের নেতাদের ফোন করলেন পুতিন ◈ ঋণ কেলেঙ্কারি: ক্ষতির বোঝা সাধারণ আমানতকারীর ঘাড়ে ◈ ছাত্রদল কর্মীকে হত্যার ঘটনায় দম্পতি গ্রেপ্তার ◈ ২০২৫ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অ্যাথলেট পর্তুগিজ তারকা রোনাল‌দো ◈ তিন হা‌রের কার‌ণে সোহানকে সরিয়ে রংপুরের নেতৃত্বে লিটন দাস ◈ জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ইসলামি দলগুলোকে বেরিয়ে আসার আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের ◈ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় বাবাকে প্রশ্নের ছবি পাঠিয়ে উত্তর জানার চেষ্টা: পরীক্ষার্থী আটক

প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০১৮, ০৮:১৭ সকাল
আপডেট : ৩০ নভেম্বর, ২০১৮, ০৮:১৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বেচ্ছায় কারাবাস!

আমাদের সময় :   সংশোধনের জন্য কারাগারে পাঠানো হয় অপরাধীদের। অপরাধের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে কাউকে স্বল্পমেয়াদ, দীর্ঘমেয়াদ কিংবা যাবজ্জীবন কারাদ- দেওয়া হয়। কিন্তু যে মেয়াদেরই হোক, চার দেয়ালে বন্দি এ জীবন চায় না কেউ। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার লোকজন চায়। তাদের কারাগারে থাকার ‘শখ’ এতোই বেশি যে, এজন্য কারা কর্তৃপক্ষকে টাকাও দেই।

অন্যান্য দেশের মতো দক্ষিণ কোরিয়ার চাকরির বাজারও বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার চাপে থাকতে হয় সব সময়। এ ছাড়া ৩৬টি দেশের ওপর ওইসিডির করা এক জরিপে দেখা গেছে, ২০১৭ সালে দক্ষিণ কোরীয়রা গড়ে ২ হাজার ২৪ ঘণ্টা কাজ করেছেন। এমন চাপ থেকে মুক্তি পেতে চান তারা। তাই সব মিলিয়ে কাজ আর পড়ালেখার চাপ থেকে মুক্তি পেতে স্বেচ্ছায় কারাগারে যাচ্ছেন।

২০১৩ সালে ‘প্রিজন ইনসাইড মি’ নামে এক নকল কারাগারে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ থেকেছেন। এটা অনেকটা কারাগারের মতোই। কারণ কয়েদিদের মতো সবার এক পোশাক রয়েছে। খাবারও দেওয়া হয় নির্দিষ্ট সময়ে। তবে সেখানে যাওয়ার জন্য প্রত্যেককে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয়। সূত্র : ডয়চে ভেলে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়