শিরোনাম
◈ এয়ারপোর্ট ও বুর্জ খলিফা টাওয়ার ধ্বংসের ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল ◈ জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা ◈ চলছে তালিকা তৈরির কাজ, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ অভিযান ◈ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন: থামাতে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বিশ্ব শক্তির ◈ খামেনির ছেলেকে পছন্দ নয়, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চান ট্রাম্প ◈ দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পরিকল্পনায় ইবি শিক্ষিকা খুন—স্বামীর মামলায় ৪ আসামি ◈ স্কুল-কলেজের জন্য আসছে র‍্যাংকিং সিস্টেম: শিক্ষামন্ত্রী ◈ দুই ইস্যুতে বাংলাদেশের আশ্বাস চাইল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করে নির্বাচন ইস্যু জুড়ে বিভ্রান্তি: রিজওয়ানা ◈ গ্রাহকদের প্রতি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ৭ নির্দেশনা বিদ্যুৎ বিভাগের

প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর, ২০১৮, ০৪:১৩ সকাল
আপডেট : ২৫ অক্টোবর, ২০১৮, ০৪:১৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘কোন দলের হয়ে কথা বলছেন’ এমন প্রশ্ন করতে পারেন না রাজনীতিবিদরা

আফসান চৌধুরী : সাংবাদিক কর্মীদের ক্ষমতা নেই, তাই তাদের সাথে  দুর্ব্যবহার করাটা সুবিধাজনক। বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাতকারে এ মন্তব্য করেছেন, শিক্ষক, লেখক ও গবেষক আফসান চৌধুরী। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের প্রশ্ন করার অধিকার আছে। কিন্তু তাতে রাজনীতিবিদরা পাল্টা প্রশ্ন করতে পারেন না, আপনি কোন দলের হয়ে কথা বলছেন। সাংবাদিকরা সাধারণত ক্ষমতাবানদের থেকেই গালি খায়।

রাজনীতিবিদদের যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজনীতিতে আসা উচিত বা আসতে হয় সেটা সবার মধ্যে নেই। টেলিভিশনের একটি আলোচনা নিয়ে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে চরিত্রহীন বলে গালি দিয়েছেন। এমন ভাষা তার কি করে আসে? পরবর্তীতে তিনি টেলিফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন একজন সম্পাদক এবং রাজনীতিবিদ হয়ে এমন ব্যবহার করেন কী করে? রাজনীতিবিদরা ধরে নেন, তাদের ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন করতে পারবে না। যিনি প্রশ্ন করেন তাদের উত্তেজিত করার জন্যই প্রশ্ন করেন। সেটা তার অধিকার আছে।

তিনি এই ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্যই করতে পারেন। কিন্তু যখন রাজনীতিবিদ মাথাটা গরম করেন, তখন তিনি স্বাভাবিক যে আচরণ সেটা থেকে সরে আসেন। তখন তিনি ভাবেন কার অধিকার আছে এ ধরনের প্রশ্ন করার? এই দুর্ব্যবহার শুধু মাসুদা ভাট্টির ক্ষেত্রেই না এটা আমার সাথেও হয়েছে। আমাকেও অনেকেই বলেছেন, আপনি চুপ করে থাকেন, এতো কথা বলবেন না। সাংবাদিকদের সাথে রাজনীতিবিদরা যে ব্যবহার করে তাতে মনে হয় এটা তাদের অধিকারের মধ্যে পড়ে। সাংবাদিক যখন প্রশ্ন করে তখন তার ব্যক্তিগত ভাল লাগা-খারাপ লাগা থেকে প্রশ্ন করে না, উত্তর জানার জন্য করে। রাজনীতিবিদদের উত্তর দেওয়াটা তার দায়িত্বের মধ্যে পরে এই মানসিকতা তাদের মধ্যে নেই।

 

যদি থাকতো তাহলে এই আচরণগুলো তারা করতো না। তিনি আরও বলেছেন, হয় শত্রুপক্ষ, নয়তো বন্ধু, এর মাঝামাঝি কোনো অবস্থান আর নেই। যার ফলে রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক তারা যখন কথা বলেন, তখন তারা মনে করেন, আমার রাজনৈতিক দায়িত্ব থেকে আমি প্রশ্নটি করছি। এটা আমাদের সংবাদিক জাতিরও অক্ষমতা এবং রাজনীতিবিদদের অক্ষমতা তো বটেই। সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়