শিরোনাম
◈ টবের সাধারণ গাছের পাতায় লুকিয়ে শহর পরিকল্পনার গাণিতিক নকশা ◈ শেখ হাসিনার যে দায়, হাসানুল হক ইনুরও একই দায়: চিফ প্রসিকিউটর ◈ ভারতের অরুণাচলে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, ঐতিহ্যবাহী জমি দখলের দাবি আদিবাসীদের ◈ নোট বাতিলের প্রস্তাব: অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? সফলতা কতটা? মুদ্রা বাতিলে যত ঝুঁকি ◈ প্রথমবারের মতো পুলিশে এএসআই পদে নিয়োগ, প্রত্যাশিত সাড়া নেই ◈ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: খুন-ডাকাতি কমেছে, অভিযোগের সুযোগ বাড়ায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা; রুমিনের পোশাকেও নেই আপত্তি ◈ সংসদে রুমিন ফারহানার পোশাক পরিধানের বিষয় নিয়ে আলোচনা ◈ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয়  বাজেট পাস, ১ জুলাই থেকে কার্যকর  ◈ খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নিতে ২ জুলাই  ইরানে যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ◈ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড 

প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৫:৪৪ সকাল
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৫:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মামলা দিয়ে প্রকল্পবাসীকে হয়রানির অভিযোগ

মো. নুরুল করিম আরমান, লামা : বান্দরবানের লামা উপজেলায় আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মেরাখোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের জায়গা দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, জায়গা দখল করতে না পেরে নিরীহ প্রকল্পবাসীকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানিও করছেন তিনি। ভুক্তভোগী প্রকল্পবাসীরা গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেন। এ সময় প্রকল্পের সর্দার মো. সেকান্দর, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হারুণসহ প্রায় অর্ধশত নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে ও প্রকল্পের জায়গা রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসীরা।

অভিযোগে জানা যায়, প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্পের আওতায় লামা সদর ইউনিয়নে মেরাখোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পটি ২৫ একর জায়গার ওপর স্থাপন করা হয়। এতে এলাকার হত দরিদ্র গৃহহীন ৯৭টি পরিবারের প্রায় সাড়ে ৩শ মানুষের মাথা গোঁজার ঠাই হয়। ওই সময় সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পের খালি জায়গায় বাগানও সৃজন করে আশ্রিতরা। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকল্পের চৌহদ্দী ধরে দেয়া হয়।

চৌহদ্দী মতে, উত্তরে রয়েছে- পুকুরের পাড় ও ওসমান, দক্ষিণে রয়েছে- চলাচলের রাস্তা ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, পূর্বে রয়েছে- রাস্তা ও মসজিদ এবং পশ্চিমে রয়েছে- উজ্জলের জায়গা। মানুষ মারা গেলে আশপাশ এলাকায় কোন কবরস্থান না থাকায় প্রকল্পবাসী ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সর্ব সম্মতিক্রমে প্রকল্পের ৬০শতক জায়গা কবরস্থানের জন্য নির্ধারণ করা হয়। ইতোমধ্যে কবরস্থানে লাশও দাপন করা হয়। সম্প্রতি লামা পৌরসভা এলাকার পশ্চিম রাজবাড়ী এলাকার বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আবুল কাশেম ওই জায়গা তার দাবি করে বিভিন্নভাবে জবর দখলের চেষ্টা শুরু করেন। এতে ব্যর্থ হয়ে ইতোমধ্যে প্রকল্পের আশ্রিত মো. হোসেন, জিয়াবুল, ইউছুপ আলী, ছফুরা খাতুনের বিরুদ্ধে গাছ কাটার মিথ্যা অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা করেন আবুল কাশেম। এছাড়াও মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. হারুণ ও মনির আহমদ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অহেতুক মিথ্যা অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ করেন দখলকারী।

অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে অভিযুক্ত আবুল কাশেম জানান, মেরাখোলায় তার বন্দোবস্তিকৃত জায়গা রয়েছে। এদিকে কবরস্থানের জায়গাটি আশ্রয়ণ প্রুকল্পের চৌহদ্দীর মধ্যে বলে জানান স্থানীয়রা।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের সর্দার মো. সেকান্দর ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. বলেন, আবুল কাশেম আশ্রয়ণ প্রকল্পের জায়গা জবর দখলের উদ্দেশ্যে আমাদের ও প্রকল্পবাসীর বিরুদ্ধে আদালতসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানি করছেন। তার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। প্রকল্পবাসীরা আবুল কাশেমের জায়গা থেকে কোন ধরণের গাছ কাটেনি। আমরা এহেন মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে ও প্রকল্পের জাযগা রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন জানান, প্রকল্পের জায়গা নিয়ে উভয় পক্ষই পরিষদে অভিযোগ করেছিল। বিষয়টি সমঝোতার লক্ষে উভয় পক্ষকে পরিষদে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু কোন পক্ষই বৈঠকে সাড়া দেয়নি বিধায় উচ্চ আদালতে আশ্রয় নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে পক্ষদ্বয়কে।

এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি বলেন, মামলা হামলা দিয়ে হয়রানিসহ কবরস্থানের জায়গা জোর পূর্বক দখল চেষ্টার ঘটনায় আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসীরা লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত পূর্বক জবরদখলকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়