শিরোনাম
◈ টবের সাধারণ গাছের পাতায় লুকিয়ে শহর পরিকল্পনার গাণিতিক নকশা ◈ শেখ হাসিনার যে দায়, হাসানুল হক ইনুরও একই দায়: চিফ প্রসিকিউটর ◈ ভারতের অরুণাচলে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, ঐতিহ্যবাহী জমি দখলের দাবি আদিবাসীদের ◈ নোট বাতিলের প্রস্তাব: অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? সফলতা কতটা? মুদ্রা বাতিলে যত ঝুঁকি ◈ প্রথমবারের মতো পুলিশে এএসআই পদে নিয়োগ, প্রত্যাশিত সাড়া নেই ◈ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: খুন-ডাকাতি কমেছে, অভিযোগের সুযোগ বাড়ায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা; রুমিনের পোশাকেও নেই আপত্তি ◈ সংসদে রুমিন ফারহানার পোশাক পরিধানের বিষয় নিয়ে আলোচনা ◈ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয়  বাজেট পাস, ১ জুলাই থেকে কার্যকর  ◈ খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নিতে ২ জুলাই  ইরানে যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ◈ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড 

প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৫:১৩ সকাল
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৫:১৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষিবাজার নির্মাণ হলেও চালু নেই, সুফল পাচ্ছে না কৃষক

মো. সাদ্দাম হোসেন, ঠাকুরগাঁও : লাভের অংক পুরোটা পাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের চাষিরা আর ক্রেতারাও উচ্চ মূল্যের হাত থেকে রেহাই পাবে এমন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে নির্মিত হওয়া ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষিবাজারগুলো এখন অচলাবস্থা। কয়েকটি মার্কেট স্টক ব্যবসায়ীরা ভাড়া নিয়ে চালু রাখলেও মূল উদ্দেশ্য ব্যহত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাই মার্কেট গুলো প্রকৃত পক্ষে চালু রাখা গেলে এ অঞ্চলের কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাবে এমন অভিমত কৃষি বিভাগ ও উন্নয়ন কর্মীদের। তবে বিপণন বিভাগ বলছে, গ্রুপের সদস্যরা যেন মার্কেটমুখী হয় সে চেষ্টাই চলছে।

জেলার ৮৫ ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। এখানে ধান-গমের পর্যাপ্ত উৎপাদন ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফলমূল উৎপাদন করে আসছে এই জেলার কৃষকরা। কিন্তু যে পরিমান কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়, সে তুলনায় দাম পায় না চাষিরা। আর ক্রেতারাও পাইকার-ফড়িয়াদের খপ্পরে পরে অধিক দামে পন্য কিনতে হচ্ছে। তাই পন্য কেনা বেচার অধিকাংশ লভ্যাংশ চলে যায় মধ্যস্বত্তভোগী ও ফড়িয়াদের পকেটে। কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০০৭ সালে এনসিডিপি প্রকল্পের আওতায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে জেলায় ৬টি গ্রোয়াস মার্কেট বা কৃষি বাজার নির্মাণ করে জেলা বিপণন অধিদপ্তর। এখানে রয়েছে মহিলা ও পুরুষ উদ্যোক্তাদের পন্য বিক্রি করার সু-ব্যবস্থা। রয়েছে পন্য সংরক্ষণে হিমঘর, বিশ্রামাগার ও টয়লেট । কিন্তু মার্কেট নির্মাণের পর আর আলোর মুখ দেখেনি। এখানে নেই ক্রেতা বা বিক্রেতা। অবহেলা আর অযত্নে পরে আছে বাজারগুলো এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

ঠাকুরগাঁও জেলা মার্কেটিং অফিসার জিয়াউল ইসলাম বলেন, এ বাজারগুলো স্টক ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দিয়ে নাম মাত্র রাজস্ব আয় করছে। ওই বিভাগ মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হচ্ছে দাবি করে তিনি জানান, গ্রুপ সদস্যদের বাজার মুখী করার বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

এদিকে জেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আফতাব হোসেন বলেন, কৃষি বাজার গুলো কাজকর্মে স্থবিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন প্রয়োজন সচল রাখা। এজন্য জেলা প্রাশাসন-বিপনন বিভাগ ও কৃষি বিভাগের যৌথ উদ্যোগ নিয়ে চালু করা যেতে পারে। চালু হলে এ এলাকার কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম পাবে। এমন অভিমত উন্নয়ন কর্মীদেরও।

এ কৃষি বাজার গুলো চালু হলে কৃষকরা যেমন পাবে ফসলের ন্যায্য দাম, অন্যদিকে ক্রেতারাও পন্যের উচ্চ মূল্য থেকে রেহাই পাবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কৃষি বাজার গুলো চালু করার ব্যাপারে উদ্যোগী হবে এমন দাবি কৃষকদের।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়