জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়ায় বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে পুঁঞ্জিভুত সমস্যাকে কেন্দ্র্র করতে প্রতিপক্ষের ছোঁড়া এসিডে শরীরের একাংশ ঝঁলসে গেছে আন্দুলবাড়ীয়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিশারতের(৪৫)।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ ঘটনার পর মূল আসামি দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। মূল আসামি বাহিরে থেকে মামলা প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য তাদেরকে নানা ভাবে হুমকি ধামকী দিচ্ছে।
এলাকাবাসী ও দু’পক্ষেরই আত্মীয় আবু সাইদ বলেন, আব্বাস ও তার স্ত্রী স্কুলে চাকুরি করেন। আব্বাস সেনেরহুদা মাদ্রাসায় আর তার স্ত্রী সড়াবাড়ীয়া স্কুলে কর্মরত আছেন। তারা আমার চাচাতো ভাই-ভাবী। অন্যদিকে বিশারত আমার ভগ্নিপতি।
বিশারত আন্দুলবাড়ীয়া বাজারের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তারা উভয়পক্ষই নিজেদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে একই স্থানে জমি কিনে বসবাস শুরু করলেও তাদের মধ্যে জমির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় বিরোধ দিনে দিনে দাঁনা বাঁধতে থাকে।
এ অবস্থায় গত ২১ জুলাই বিকাল চারটার দিকে বিশারত বাড়ী থেকে বের হয়ে আব্বাসের গেটের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আব্বাস ও তার স্ত্রী কাকলী খাতুন এবং মনিরুজ্জামান পরস্পর যোগসাজসে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গায়ে এসিড ছুড়ে মারলে শরীরের একাংশ ঝঁলসে গিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত হয়।
তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করে। ঢাকা বার্ণ ইউনিট থেকে বলা হয়েছে তার শরীর এসিডে দগ্ধ হয়েছে।
এ ব্যাপারে জীবননগর থানার সাব-ইন্সপেক্টর ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুরাদুল ইসলাম বলেন, পুলিশি তৎপরতার কারণেই মামলার অন্যতম আসামি মনিরুজ্জামান বাধ্য হয়েছে আদালতে সোপর্দ করতে। আমি তাকে পুলিশ রিমাণ্ডে নিতে আদালতে আবেদনও করেছি। মামলার মূল আসামি আব্বাস ও কাকলী খাতুনদেরকে গ্রেফতার করতে সব ধরণের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি শুধু জেলার যে কোন স্থানে নয়, বাংলাদেশের যেখানেই থাকুক না কেন সন্ধান পাইলেই তাদেরকে গ্রেফতার করতে একটু দেরি হবে না। তবে আসামিদের এলাকায় অবস্থানের কথা মনে হয় সঠিক নয়।