সাজিয়া আক্তার: বিশ্ববাজারে ব্র্যান্ড তৈরি না হওয়ায় বাগদা ও গলদার জায়গা দখল করছে বেনাম নামের নতুন প্রজাতির চিংড়ি। অথচ বছরের পর বছর ব্যবসা করলেও বিশ্বখাদ্য পণ্যের বাজারে কোনো ব্র্যান্ড সনদ নেননি বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা। তবে নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরির তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানির প্রক্রিয়াজাতকৃত বাগদা বিক্রি হচ্ছে ইউরোপ আমেরিকার বাজারে। তবে তা সবই হচ্ছে আন্তর্জাতিক কোম্পানির বাইরে। অন্তত ২৪ বছর ধরে বিশ্ববাজারে চিংড়ি রপ্তানি করলেও আজও গড়ে উঠেনি বাংলাদেশের বাগদার কোনো নিজস্ব ব্র্যান্ড।
একই দশা বেশিরভাগ কোম্পানিরই। ব্র্যান্ড পেতে যেসব শর্ত রয়েছে তার অনেক ঘাটতি রয়েছে বাংলাদেশের। চিংড়ি রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দী ভারত এবং ইংল্যান্ডে চিংড়ি চাষ হয় না, যা সামান্য কিছু হয় তা ভিয়েতনামে।
বিশ্বে বাংলাদেশের একক বাজার থাকা সত্ত্বেও সরকার ব্র্যান্ড পেতে যে উদ্যোগ নিয়েছে তা কার্যকর হচ্ছে না স্থানীয় কর্মকর্তাদের অলসতার কারণে।
বেনামি চিংড়ির চাহিদা বাড়ায় কমচেয়ে বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানি। গত অর্থবছরে ২৪ হাজার ৬৯১ টন চিংড়ি করে বাংলাদেশ মোট আয় করেছে ২ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। আর তার আগের বার ছিল ২ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। রপ্তানি হয়েছিল ৩০ হাজার ২১৭ টন।
সূত্র : একাত্তর টিভি