অপু খান:নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ থেকে একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতা ভারত সফর করছেন। তারা ভারতের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলছেন। বিবিসি বাংলার কাছে ভারতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক শান্তনু-মুখার্জি বিষয়টিকে ইতিবাচক অভিহিত করে বলেছেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের জায়গা যাতে হয়ে উঠতে না পারে বা ইসলাম ক্রমশ মৌলবাদের দিকে ঝুঁকতে না পারে সে জন্যে এধরনের শলাপরামর্শে ভারতের দিক থেকে কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে এটা খুবই স্বাগত। বাংলাদেশের একটা রাজনৈতিক দল যতই ছোট হোক, তাদের মুল্য যত সামান্যই হোক, তাদের ‘মূখ্য ধারা’য় রাখাটা আসলে খুব দরকার।
তিনি বলেন, তার কারণ হল তারা যদি আমাদের সাথে ‘অ্যাবজরভ’থাকে তাহলে তারা অন্য ক্যাম্পে যাবেনা। আজকাল বিএনপি সহ সবাই এখানে আসছে ,তারা অপারচুনিটি খুঁজছে। মুখার্জি আরও মনে করেন, যেহেতু বাংলাদেশ ভারতের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রতিবেশী বলে প্রমাণ করে দিয়েছে অনেক আগেই সেহেতু তিস্তা চুক্তি হোক বা না হোক তাতে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের খুব একটা ঘাটতি হবে না। এজন্য বাংলাদেশের প্রত্যেক রাজনৈতিকদলকে আমাদের নিজেদের দিকে রাখা খুব দরকার।
উল্লেখ্য ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসে বহুবছর কাজ করছেন শান্তনু মুখার্জি।