প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শহিদুল আলম: কারাবন্দী সাংবাদিকের শক্তিশালী ছবি

আসিফুজ্জামান পৃথিল: সুপরিচিত বাংলাদেশী আলোকচিত্রী ও সাংবাদিক শহিদুল আলম গ্রেফতার হয়ে কারাগারে অবস্থান করছেন। নিরাপদ সড়কের দাবীতে আন্দোলনরত কিশোর ও তরুণদের পক্ষে তার অবস্থানের প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। দুজন স্কুল শিক্ষার্থী বাস দূর্ঘটনায় নিহত হবার পরে ঢাকার রাস্তা স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে পড়ে। শহিদুল আলমও তার ক্যামেরা নিয়ে বের হয়ে পড়েন। তার ক্যামেরায় এ সময়ে ধরা পড়ে আন্দোলনের অসাধারণ কিছু ছবি।

ঢাকা, ১৯৮৭। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকারীদের ছোঁড়া পাথরের জবাবে গুলি ছুঁড়ছে পুলিশ

তার সঙ্গীনি রেহনুমা আহমেদ এ ব্যপারে লিখেছেন, ‘তিনি কিশোর তরুণদের দ্বারা প্রবলভাবে অনুপ্রাণিত ছিলেন, যারা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মাথা নত করতে রাজী ছিলো না।’

ঢাকা, ১৯৯১। গণতন্ত্রের আগমনে ঢাকায় জনতার উচ্ছাস

তবে ফেসবুক এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করা শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে পুলিশ বহুল সমালোচিত ইন্টারনেট আইনের আওতায় মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগ এনেছে। মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরকার বিক্ষোভ দমাতে বহুল সংখ্যক সমালোচককে গ্রেফতার করেছে। এদিকে ৬৩ বছর বয়স্ক শহিদুল আলম জানিয়েছেন আটকাবস্থায় তাকে মারধোর করা হয়েছে। তার মুক্তির দাবীতে সারা বিশ্বের মানবাধিকার কর্মী, নোবেল জয়ী লেখক, বুদ্ধিজীবি এবং প্রথিতযশা আলোকচিত্রিরা বিবৃতি ও খোলা চিঠি দিয়েছেন।

১৯৮৮, বন্যাক্রান্ত ঢাকা

দশকের পর দশক ধরে তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন মোড় বদলানো ঘটনায় নিজের ক্যামেরা ব্যাবহার করেছেন। বিভিন্ন অসাধারণ ঘটনা উঠে এসেছে তার ক্যামেরায়। বিবিসি এরকম কিছু ছবি প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে একটি ছবিতে উঠে এসেছে ১৯৮৭ সালে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের উপর পুলিশের গুলি চালাবার দৃশ্য। নূর হোসেন নিহত হবার পরেই ঘটে এই ঘটনা।

১৯৮৮ এর প্রলঙ্করী বন্যা

আরেকটি ছবিতে উঠে এসেছে ৯০ এর শুরুতে উত্তাল ডাকসুর দেয়ালচিত্রের ছবি। আরেকটি ছবিতে দেখা যায় ১৯৯১ সালে স্বৈরাচারি এরশাদ সরকারের পতনের পর উল্লসিত জনতার আনন্দ উদযাপন। বিবিসি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ