শিরোনাম
◈ রাজধানীতে মিরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, ১৬ জন কর্মী আহত ◈ লন্ডন আর ঢাকায় থাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য নিয়ে যা বললেন জাইমা রহমান ◈ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা’ নিয়ে যে বার্তা দিলেন সিইসি ◈ জাতি কখনো দিশেহারা হলে জুলাই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে: প্রধান উপদেষ্টা  ◈ যে দুই দেশ ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল ◈ থাইল্যান্ড যাওয়ার অনুমতি মেলেনি আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের ◈ আমরা যদি একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকি সকলের মিলে সমস্যার সমাধান করতে পারবো : তারেক রহমান ◈ জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা র‍্যাব ডিজির (ভিডিও) ◈ সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন ◈ ঢাকার ১৩টি আসনে দুপুর পর্যন্ত ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত‍্যাহার

প্রকাশিত : ২৬ জুলাই, ২০১৮, ০৩:৩৬ রাত
আপডেট : ২৬ জুলাই, ২০১৮, ০৩:৩৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মঙ্গলে পানির সন্ধান!

আসিফুজ্জামান পৃথিল: অবশেষে নিশ্চিতভাবে পানির সন্ধান পাওয়া গেল মঙ্গলগ্রহে। ইতালিয়ান মহাকাশ সংস্থার বিজ্ঞানীদের নতুন একটি গবেষণায় মঙ্গল গ্রহের দক্ষিণ মেরুতে মাটির তলায় তরল পানির একটি হ্রদ পাওয়া গেছে। বুধবার জার্নাল সায়েন্সে এই সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

ইউরোপিয়ান মহাকাশ সংস্থার মার্স এক্সপ্রেস মহাকাশযান ব্যবহার করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। মহাকাশযানটির মার্স এডভান্সড রেডার এবং সাবসনিক শব্দযন্ত্র ব্যবহার করে এই পানি থাকার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এই যন্ত্রগুলো একত্রে মার্সিস নামে পরিচিত।

২০১২ সালের মে থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মঙ্গলের প্ল্যানাম অস্টারেল এলাকায় মার্সিস ব্যবহৃত হয়েছিলো। এটি মঙ্গলের বরফাচ্ছাদিত দক্ষিণ মরু এলাকা। মার্সিস পুরো এলাকার পৃষ্ঠতলে রেডার পালস প্রেরণ করে এবং প্রতিফলিত রেডিও তরঙ্গ মার্স এক্সপ্রেসে প্রেরণ করে। এই তরঙ্গগুলো দিয়ে ২৯টি রেডার স্যাম্পল তৈরী করা হয়। যা দিয়ে পরবর্তীতে মঙ্গলপৃষ্ঠের ১ কিলোমিটার গভীরের মানচিত্র তৈরী করা হয়। এই মানচিত্রে ১২,৫ মাইল এমন এলাকার দেখা মেলে যা শুধু ভূগর্ভের হ্রদের সাথেই তূল্য। এ ধরণের হ্রদ পৃথিবীর গ্রীনল্যান্ড এবং অ্যান্টার্টিকায় পাওয়া যায়। রেডার চিত্রে এই এলাকাগুলো উজ্জল ছিলো, যা পানির নিশ্চিত প্রমাণ।

গবেষণাপত্রটিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা এই ছবিগুলোকে মঙ্গলে থাকা তরল পানির নিশ্চিত অবস্থান বলে চিহ্নিত করেছি।’ গবেষণাপত্রটির লেখকরা এই উজ্জলতার ভিন্ন কোন কারণ থাকার যেকোন ধারণা বাতিল বলে ঘোষণা করেছেন।

এর আগেও বহুবার মঙ্গলে পানির থাকার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু কোনবারেই নিশ্চিতভাবে তা প্রমাণ করা যায়নি। ৩১ বছর আগে প্রথমবার মার্টিয়ান বরফাচ্ছাদিত এলাকায় প্রথমবারের মতো পানি থাকার সম্ভাবনার কথা পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিলো।

যদিও মরু এলাকার গভীরে এই পানির সন্ধান মিলেছে তবুও আশা করা হচ্ছে এই পানির তাপমাত্রা গলনাঙ্কের উপরে অবস্থান করছে। এছাড়াও মঙ্গলে ইতোমধ্যে পাওয়া সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম জাত লবন সম্ভবত এই পানিকে ‘ব্রাইন’ বা লবনাক্ত পানিতে পরিণত করেছে। ব্রাইনের গলনাঙ্ক সাধারণ পানির চেয়ে কম হওয়ায় তা তরল হিসেবে থাকবে।

পৃথিবীতে অ্যান্টার্টিকা আইস শিটের নিচে মাইনাস ৭৬ ডিগ্রি ফারেনহইট তাপমাত্রাতেও তরল হ্রদ পাওয়া গেছে। পৃথিবীর ব্রাইন হ্রদগুলো ৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইটেও জমাট বাঁধেনা। মঙ্গলগ্রহে তরল পানি প্রাপ্তি নিস:ন্দেহে বিজ্ঞানের বিশাল একটি আবিষ্কার। এর ফলে মানুষের বহু বছরের প্রতিক্ষার অবসান ঘটলো। সিএনএন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়