শিরোনাম
◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জন করবে কিনা, পাকিস্তান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আগামী সপ্তাহে ◈ চার মাসে ডাকসুর ২২৫ উদ্যোগ, ২ বছরে কাটবে ঢাবির আবাসন সংকট: সাদিক কায়েম ◈ ‘হাজার বার জয় বাংলা স্লোগান দেব’ তারেক রহমানের মঞ্চে ছাত্রদল নেতা (ভিডিও) ◈ পোস্টাল ব্যালট: চার লক্ষাধিক প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন ◈ শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলে হবে না, হিসাব কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নিতে হবে: তারেক রহমান ◈ অবশেষে হাইকোর্টে জামিন পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম ◈ সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পেতে আবেদন করা যাবে অনলাইনে, যেভাবে করবেন ◈ তথ্য গোপনে ছাড় নেই, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

প্রকাশিত : ২৭ জুন, ২০১৮, ০৭:২৮ সকাল
আপডেট : ২৭ জুন, ২০১৮, ০৭:২৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিজ্ঞান বলে, জন্মের আগেই শিখে শিশু!

ডেস্ক রিপোর্ট : বিজ্ঞান বলছে, জন্মের অনেক আগে থেকেই, মাতৃগর্ভে থাকাকালীন আপনার শিশুও শিখে বেশ কিছু জিনিস। যেমন:-
শব্দ চেনা: জীবনের এই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিই শিশু শিখে যায় ভ্রণাবস্থায়। গবেষণা বলেছে, গর্ভাবস্থায় মা যত কথা বলেন, একটা সময়ের পর সেই সব শব্দ টেপ রেকর্ডারের মতো তার কানে পৌঁছায়। তাই জন্মের পর মায়ের গলা চিনতে খুব একটা অসুবিধা হয় না শিশুর। এমনকী, মায়ের চারপাশে থাকা বিভিন্ন মানুষের গলার আওয়াজও তার পরিচয়ের আওতায় থাকে।

ভাষা বোঝা: গর্ভে থাকাকালীন কান তৈরি হওয়ার পর পরই শিশু তার মাতৃভাষায় অভ্যস্ত হতে শুরু করে। পরিচিত সেই ভাষায় যা কিছু বলে হোক না কেন, সে দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া শুরু হয়ে যায় তখন থেকেই। যদি কখনও কল্পনা করেন, মাতৃগর্ভে থেকে চোখ বুজে, কান খাড়া করে শব্দ শুনছে শিশু— তা হলে খুব ভুল ভাবেননি। শিশুর শব্দ বোঝার হাবভাব অনেকটাই এরকমই।

স্বাদ গন্ধ বুঝা : গর্ভে থাকার আট থেকে পনেরো সপ্তাহের মধ্যেই শিশুর এই ক্ষমতা তৈরি হয়ে যায়। তখন থেকেই সে আলাদা করতে পারে মিষ্টি, টক আর তেতো স্বাদ। তাই জন্মের পর এর বাইরে অন্য কোনও ফ্লেভার মা নিজের খাদ্যাভ্যাসে রাখতে শুরু করলে তা প্রভাবিত করে মাতৃদুগ্ধের স্বাদকে। শিশুও বুঝতে পারে সেই তারতম্য। জন্মের আগেই। জিরে, মৌরি, রসুন ও টুকটাক মশলার গন্ধ সে চিনে যায় মায়ের খাদ্যাভ্যাস থেকেই। যে অ্যামনিওটিক ফ্লুয়িডে ভেসে থাকে শিশু, মূলত তার গন্ধ হয় অনেকটাই মায়ের গায়ের গন্ধের মতো। তাই জন্মের পর সেই গন্ধের উপর আর গলার স্বরের উপর নির্ভর করেই মায়ের উপস্থিতি টের পায় শিশু।

আলোর অস্তিত্ব: হ্যাঁ, এটাও বুঝে যায় শিশু। সাত সপ্তাহের আগে তার চোখই ফোটে না ভাল করে। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, সেই অবস্থাতেও মাতৃগর্ভের নিকষ কালো অন্ধকারে কোনও ভাবে আলো পৌঁছে দিলে সে তার চোখ সরিয়ে নিচ্ছে আলের বিপরীতে। এমনকী, আলট্রাসাউন্ডে ধরা পড়েছে, জন্মের কাছাকাছি সময়ে বারবার চোখ পিটপিট করা শিশুর অভ্যাস। - আনন্দবাজার অবলম্বনে

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়