শিরোনাম
◈ ময়মনসিংহ মেডিকেলের ময়লার সঙ্গে ‘কায়দা করে’ পাচার করা হয় সিরিঞ্জ-ক্যানুলা-স্যালাইন, পরে পাইকারি দরে বিক্রি ◈ চার জেলার ২৯ বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের, অগ্রাধিকার পাবে গাড়ি ও জ্বালানি খাত ◈ সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, চলছে নিরাপত্তা যাচাই ◈ পিএইচপি কী, এটি ঘিরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা-সংকট সৃষ্টি হয়েছে কেন? ◈ বিশ্বে প্রথমবার মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাস শনাক্ত, ফ্রান্সে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ বিফ‌লে গে‌লো ইংল‌্যা‌ন্ডের ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরী, ৪২৯ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার রেকর্ড জয়  ◈ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চাইতে থানায় রুমিন ফারহানা, ওসির সাথে তুমুল বাগবিতণ্ডা (ভিডিও) ◈ থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভারে’ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০ জন ◈ এবার বাংলাদেশের দুর্গাপূজার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ!’

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০১৮, ০৫:৪৫ সকাল
আপডেট : ২৭ মে, ২০১৮, ০৫:৪৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোনাজাত করে মাঠে প্রবেশ করেন সালাহ

স্পোর্টস ডেস্ক: ফাইনাল শুরুর আগেই উত্তেজনার তুঙ্গে ছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। কারণ বর্তমান ফুটবলবিশ্ব কাঁপানো মিসরের রাজপুত্র মোহাম্মদ সালাহর প্রতিপক্ষ ছিল রিয়াল মাদ্রিদের প্রাণভোমরা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৩৮ গোলের রেকর্ড ভেঙেছিলেন সালাহ। এক মৌসুমে সালাহর গোল ৪৪টি। তাই ফাইনাল ম্যাচটি নিয়ে আগ্রহ ছিল ফুটবলবিশ্বের। মাঠে নামার আগে চাপে ছিলেন রোনালদো, সেটা তার মুখ দেখে যে কেউ অনুমান করতে পারবে। অপরদিকে নির্ভার ছিলেন সালাহ। স্বভাবজাত হাসি মুখেই ছিলেন তিনি। ধর্মপ্রাণ সালাহ মুসলিম-অমুসলিম সবারই ছিলেন চোখেরমণি। মাঠে নেমে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার পর রেফারির বাশি বাজার আগ মুহূর্তে মহান আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেন তিনি।

হাইভোল্টেজ ম্যাচটিতে সবার আগ্রহ ছিলে রোনালদো আর সালাহর দ্বৈরথ দেখার। তাই গ্যালারিতে উপচে পড়া দর্শক। ম্যাচ শুরুর আগে রোনালদো অনেক চাপে ছিলেন, প্রতিনিয়ত তার সাথে তুলনা করা হচ্ছিল সালাহর। ম্যাচের দিন কয়েক আগে তিনি বলেই দিয়েছিলেন, সালাহর সাথে তার তুলনা কী করে হয়? 'সালাহ বাম পায়ে খেলেন আর তিনি ডান পায়ে। তিনি লম্বা আর সালাহ খাটো।'

লিভারপুল বস ক্লপও বার বার রোনালদোর সাথে সালাহর তুলনা করতে নিষেধ করেছিলেন। কারণ সালাহর মাত্র শুরু আর রোনালদো অনেক অভিজ্ঞ।

ম্যাচ শুরুর আগে তাই উত্তাপ আঁচ করা ছিল সহজ। সেই ম্যাচে মাঠে নামার আগে সাবলীল ছিলেন সালাহ। হাসি লেগেই ছিল মুখে। ম্যাচ শুরুর আগে মহান আল্লাহর কাছে দুই হাত তুলে মোনাজাত করেন সালাহ। তারপর খেলা শুরু করেন তিনি। রিয়ালের জালে একের পর এক আক্রমণ চালায় সালাহরা। কিছু সময়ের জন্য বল বাগে পেলেও তা ছিনিয়ে নেয় লিভারপুল। এই পর্যন্ত ঠিকই ছিল।

কিন্তু ম্যাচটি সৌন্দর্য হারায় যখন রিয়ালের রামোস সালাহকে আটকাতে গিয়ে হাত ধরে হেচকা টান দেন। ভারসাম্য রাখতে না পেরে পড়ে যান সালাহ। মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ার সময় বাম হাতটি পড়ে যায় তার গায়ের নিচে। ফলে ব্যাথায় ককিয়ে উঠেন তিনি। হয়ত তখনই বুঝতে পারেন, কী হয়েছে তার। এই কা-ের পর রামোস নিজেকে নির্দোষ বলে সরে পড়েন। রেফারিও তাকে ছেড়ে দেন।

গ্যালারি শুদ্ধ সালাহ ভক্তরা তখন মুখে হাত দিয়ে বসে পড়েন। এরপরও মাঠের বাইরে নেয়া হলেও ফিরে আসেন সালাহ। আশায় বুক বাধে ভক্তরা। কিন্তু এক মিনিটও টিকতে পারেননি তিনি। ব্যাথায় লুটিয়ে পড়েন। এরপর কাঁদতে কাদতে মাঠ ছাড়েন সালাহ। শেষ হয় তার শিরোপা জয়ের লড়াই, শেষ হয় লিভারপুলেরও। বিউটিফুল গেম তার সৌন্দর্য হারায়। নয়াদিগন্ত

  • সর্বশেষ