শিরোনাম
◈ নরসিংদীর ডিকশনারি থেকে চাঁদাবাজি শব্দটি মুছে ফেলতে চাই বলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি ◈ ইরান এতগুলো দেশে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাবে ভাবিনি, আমরা হতবাক: ট্রাম্প ◈ যেসব এলাকায় বুধ ও বৃহস্পতিবার খোলা থাকবে ব্যাংক ◈ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ইউএনও আলাউদ্দিন ওএসডি ◈ ভিয়েনায় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য বৈঠক, নিরাপত্তা ও পুলিশ সংস্কারে সহযোগিতার আলোচনা ◈ জোর করে শক দিতে বাধ্য করা হতো: অনলাইন প্রতারণার আখড়া কম্বোডিয়ায় নির্যাতনের শিকার কর্মীদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ◈ ঈদে চন্দ্রা টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের চাপ, ১০ কিমি দীর্ঘ যানজট ◈ শিলাবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ না ফেরার দেশে অভিনেতা শামস সুমন ◈ ইরান-ইসরাইল-মার্কিন যুদ্ধে ভারতের ওপর ৫০ বিলিয়ন ডলারের ধাক্কা

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০১৮, ০৬:১৯ সকাল
আপডেট : ২২ মে, ২০১৮, ০৬:১৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মাদক প্রবেশ করেছে ক্রসফায়ারে সমাধান নেই’

আশিক রহমান: সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মাদক প্রবেশ করেছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের ক্রসফায়ার দিলেই এ সমস্যার সমাধান হবে না বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমোডর (অব.) ইসফাক ইলাহি চৌধুরী। আমাদের অর্থনীতির সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে অনেককেই ক্রসফায়ারে দেওয়া হচ্ছে। এতে হয়তো সাময়িকভাবে তাদের দমিয়ে রাখা যাবে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। দীর্ঘমেয়াদে সুফল পেতে হলে, সমস্যা সমাধানে একটা সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার বলে মনে করি।

তিনি আরও বলেন, চলমান এ মাদকবিরোধী অভিযানে কোনো নিরাপরাধ ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না তো? যাদের ক্রসফায়ারে দেওয়া হচ্ছে তার মধ্যে তো নিরাপরাধ মানুষও থাকতে পারে। শত্রুতাবশত হত্যারও শিকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই শত্রুতা হতে পারে গ্রাম্য বিষয়ে, কোনো পাওয়া-না পাওয়ার ইস্যুতে, রাজনৈতিক শত্রুতাও এখানে ব্যবহার করার সম্ভাবনা উড়িয়ে যায় না। মাদকের সঙ্গে জড়িতদের ক্রসফায়ারে না দিয়ে দ্রুত বিচার আইনে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।

এক প্রশ্নের জবাবে এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে যে লেভেলের ব্যক্তিরা মারা যাচ্ছে তারা তো অনেক নিচের লেভেলের। বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা না গেলে অভিযান সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ।

তিনি বলেন, সমস্যা সমাধানে সব পক্ষের আন্তরিক প্রয়াস দরকার। জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। মাদকের কুফল সম্পর্কে মানুষকে জানাতে হবে। সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, যাতে মাদকে অনুৎসাহিত হয় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা। অপরাধ কমাতে, অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনতে যেকোনো অভিযানই চলতে পারে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে, অভিযানে যেন নিরাপরাধ কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়