শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের স্পিকার ◈ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ উপদেষ্টা নিয়োগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে ◈ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন ড. খলিলুর রহমান ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময় ◈ বুধবার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ কানাডাকে হা‌রি‌য়ে বিশ্বকা‌পের সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড  ◈ ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় জামায়াতের জয় পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে দেখা হচ্ছে? ◈ অন্তর্বর্তী অধ্যায়ের অবসান, দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার পেল দেশ ◈ নতুন সরকারের পর ড. ইউনূসের গন্তব্য কোথায়—বঙ্গভবন নাকি প্যারিস?

প্রকাশিত : ২৮ এপ্রিল, ২০১৮, ০১:২২ রাত
আপডেট : ২৮ এপ্রিল, ২০১৮, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কমছে উৎপাদন, বাড়ছে গমের আমদানি নির্ভরতা

মতিনুজ্জামান মিটু : উচ্চফলনশীল জাত এবং প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় ফলন বাড়লেও চলতি মৌসুমে দেশে কমছে গমের উৎপাদন, বাড়ছে আমদানি নির্ভরতা। অসময়ের বৃষ্টি এবং চাষের জমি কমায় এবছর অর্থাৎ ২০১৭-২০১৮ মৌসুমে গমের উৎপাদন কমবে। তাই দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পুরণের জন্য আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে গম আমদানি করতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর(ডিএই) ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সমন্বয় করা হিসেবে জানা যায়, ২০১৭-১৮ মৌসুমে দেশে গম চাষের জমি কমে ৩.৫২২ লাখ হেক্টরে দাঁড়ায়। এই মৌসুমে দেশে গম চাষের জমির লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ হেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ৪.১৫৩ লাখ হেক্টর জমিতে গম চাষ হয়েছিল। এবছর লক্ষমাত্রা ছিল ৪.৬২০ লাখ হেক্টর। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪.৪৫০ লাখ হেক্টরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছিল।

বারি (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট)’র গম গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. নরেশ চন্দ্র দেব বর্মা বলেন, গম দেশের দ্বিতীয় প্রধান ফসলের স্থান পেয়েছে। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের সঙ্গে বাড়ছে গমের ব্যবহার। বর্তমানে দেশে গমের গড় উৎপাদন প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন। এখানকার মানুষের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন। ডিএই এর হিসেবে গত বছর ৫৬ লাখ মেট্রিক টন গম আমদানি করা হয়েছে।

এবছর আরও অনেক বেশি পরিমাণ গম আমদানি হবে। উচ্চফলনশীল জাত এবং প্রযুক্তি অনেক উন্নতি হয়েছে, হেক্টর প্রতি ফলনও বেড়েছে। বারি এ যাবত ৩৩টি উন্নত গমের জাত এবং ২টি ট্রিটিকেলী জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৭ সালে বারি গম-৩১, বারি গম - ৩২ ও বারি গম- ৩৩ অবমুক্ত হয়। উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি, লবনাক্ততামুক্ত ও তাপ সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে উৎপাদন বেড়ে ১৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নিত হয়। ১৯৭২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে গমের হেক্টরপ্রতি গড় ফলন প্রায় ২৩৮ ভাগ বেড়েছে। যা একটি মাইলফলক। কিন্তু বর্তমানে বাজারে চালের বাড়তি দামের কারণে গমের আবাদ হুমকির মুখে পড়েছে। ফলন বাড়িয়েও বোরোসহ অন্যান্য ফসলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে পিছিয়ে পড়ছে গম। কমছে গমের জমি।

তবে উন্নত প্রযুক্তি, লবনাক্ততা মুক্ত ও তাপ সহিষ্ণু জাতের ব্যবহারে গমের গড় ফলন বাড়ছে। সত্তর দশকের দিকে বাংলাদেশে খেরী, আই পি-৫২, আই পি-১২৫ ইত্যাদি নামের কিছু কম উৎপাদনশীল গমের জাত খুবই সীমিত আকারে আবাদ হতো। ১৯৭১-৭২ মৌসুমে ১ লাখ ২৬ হাজার হেক্টর জমির গমের আবাদে উৎপাদন হয় মাত্র ১ লাখ ১৩ হাজার মেট্রিক টন। স্বাধীনতার পর কল্যানসোনা ও সোনালিকার জাতের বীজ আমদানির মাধ্যমে দেশে গমের আবাদ স¤প্রসারণের কাজ শুরু হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়