প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সদ্য সমাপ্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম ফোরলেন মেরামতে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা চাচ্ছে সওজ

সাইদ রিপন : সদ্য সমাপ্ত মেগাপ্রকল্প ঢাকা-চট্টগ্রাম ফোরলেন মেরামতের জন্য প্রায় এক হাজার টাকা চেয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর (সওজ)। সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগে প্রকল্পটির ডিপিপি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। ১৯২ কিলোমিটার এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি রক্ষাণাবেক্ষণের জন্য সওজের কাছে আলাদা কোন সংস্থান না থাকায় এটি আলাদা প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পটি ২ জুলাই ২০১৬ সালে উদ্বোধনের পর জুন ২০১৭ সালে এর মেয়াদ শেষ হয়। পরিকল্পনা কমিশনে সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ প্রকল্পটি নিয়ে ইতোমধ্যেই পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভারি যানবাহন চলাচলে কয়েক স্থানে সমস্যা হয়েছে। আমি এ প্রকল্পটি নিয়ে সরেজমিন তদন্তে নামার জন্য পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগকে (আইএমইডি) নির্দেশনা দিয়েছি। আইএমইডি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম ফোরলেন মহাসড়ক পরিদর্শন করবে। এর পরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরে বিভিন্ন জায়গায় ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহনের চালকরা বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। ইতোমধ্যেই সড়টির বিভিন্ন জায়গায় ইট দিয়ে জোড়াতালি দিয়েছে সওজ। সওজ সূত্র জানিয়েছে, সদ্য সমাপ্ত হওয়া ঢাকা-চট্টগ্রাম চারলেন পরবর্তী পাঁচ বছর মৃসণ রাখতেই এ প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে। রাস্তা মসৃণ রাখতে এবারই প্রথম ব্যতিক্রমী ‘ফোরলেনে উন্নীত ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য পারফারম্যান্স-বেইজড রক্ষণাবেক্ষণ ও পেভমেন্ট শক্তিশালীকরণ শীর্ষক’ এ প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রকল্পটির সাবেক প্রকল্প পরিচালক ও সড়ক জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি। প্রকল্পটির উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম ফোরলেন সড়ককে টেকসই ও নিরাপদ, মসৃণ সড়কে রূপ দেয়া। প্রকল্পটি যেন সামনে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেই লক্ষ্যে ৪ লাখ ৮৭ হাজার ঘন মিটার সয়েল আর্দেন সোল্ডার নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ২৬ হাজার ৫৬২ ঘন মিটার ওয়ার্নিং কোর্স রুট করা হবে। পাঁচ বছরে ফোরলেন জুড়ে ১১ হাজার ৩৬৬ কিলোমিটার রুটিন মেইনটেন্সের সংস্থান রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুমিল্লা সদর উপজেলার আলেখারচর এলাকায় ব্যস্ততম ফোরলেন কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী অংশের কয়েকটি স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চালকরা যানবাহন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন। ফোরলেনের কুমিল্লা দাউদকান্দির পদুয়ারবাজার, ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় ইট দিয়ে গর্ত ভরাট করে যানবাহন চালানো স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছে সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত