শিরোনাম
◈ এয়ারপোর্ট ও বুর্জ খলিফা টাওয়ার ধ্বংসের ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল ◈ জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা ◈ চলছে তালিকা তৈরির কাজ, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ অভিযান ◈ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন: থামাতে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বিশ্ব শক্তির ◈ খামেনির ছেলেকে পছন্দ নয়, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চান ট্রাম্প ◈ দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পরিকল্পনায় ইবি শিক্ষিকা খুন—স্বামীর মামলায় ৪ আসামি ◈ স্কুল-কলেজের জন্য আসছে র‍্যাংকিং সিস্টেম: শিক্ষামন্ত্রী ◈ দুই ইস্যুতে বাংলাদেশের আশ্বাস চাইল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করে নির্বাচন ইস্যু জুড়ে বিভ্রান্তি: রিজওয়ানা ◈ গ্রাহকদের প্রতি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ৭ নির্দেশনা বিদ্যুৎ বিভাগের

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:৪৪ রাত
আপডেট : ২৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:৪৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘আমেরিকা ফার্স্ট’ মানে আমেরিকা একা নয় : ড্যাভোসে ট্রাম্প

পরাগ মাঝি : ট্রাম্পের আমেরিকা ফার্স্ট নীতির মানে অন্যদের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া নয়। গতকাল সুইজারল্যান্ডের ড্যাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে দেওয়া ভাষণে এ বার্তাই দিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্ব অর্থনীতিতে নিজ দেশের অবস্থান, সম্ভাবনা ও সফলতা নিয়েও কথা বলেন তিনি।

ভাষণের শুরুতেই ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি আমেরিকার মানুষদের প্রতিনীধিত্ব করতে। এসেছি একটি উন্নত বিশ্ব গড়তে আমাদের প্রতিশ্রæতিকে ব্যক্ত করতে।’ তিনি এমন এক পৃথিবীর কথা বর্ণনা করেন যেখানে সকল মানুষ নিজের উন্নয়ন ঘটাতে পারবে, প্রত্যেক শিশু দারিদ্র্যতা এবং ভয়মুক্তভাবে বেড়ে উঠবে।

ভাষণে ট্রাম্প সারা বিশ্বের প্রতি আহŸান জানিয়ে বলেন, ‘আমেরিকা ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত।’ তিনি মার্কিন অর্থনীতির গুণগান করে জানান, শক্তিশালী অবস্থানে আছে তার দেশের প্রবৃদ্ধি। শুধু তাই নয়, স্টক মার্কেট অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। কয়েক দশকের মধ্যে মার্কিন অর্থনৈতিক আত্মবিশ্বাস এখন সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। তিনি বিনিয়োগকারীদের আমেরিকায় বিনিয়োগের আহবান জানান।

সম্মেলনে উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেন, ‘আমেরিকায় বিনিয়োগের জন্য এখনই আপানাদের সেরা সময়।’

তিনি আরও বলেন, আমি আমেরিকায় বিশ্বাস করি। আমি আমেরিকাকেই প্রথমে রাখবো; এখানে উপস্থিত অন্য নেতারা যেমন নিজ দেশকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন।’

ভাষণে উত্তর কোরিয়া প্রসঙ্গও টানেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কোরিয়াকে পরমানু মুক্ত করতে আমাদের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করতে হবে।

শ্রমিকদের প্রতি ভালোবাসার কথা উচ্চারণ করেন ট্রাম্প। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকের মতো দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও তিনি একজন চিয়ার লিডারের দায়িত্ব পালন করেন বলেন জানান। যার মাধ্যমে তিনি তার কর্মী ও দেশের মানুষকে সবসময় উৎসাহ দেওয়ার চেষ্টা করেন।

ভাষণ পরবর্তী মত বিনিময়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ক্লস শোয়াবের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প গণমাধ্যমকে আক্রমণ করেন। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি জানতেনই না যে, কতো বাজে, কতো দুষ্ট এবং কতো ভূয়া হতে পারে গণমাধ্যম। সিএনএন লাইভ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়